বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সরকারি ছুটির পরিমাণ।করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরে থাকা মানুষগুলোর জন্য সরকারের প্রণোদনা ও ত্রাণ সহায়তা জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পৌছে যাচ্ছে প্রতিটি মানুষের কাছে।
ত্রাণ সহায়তা গুলো জনগণের মাঝে দেওয়ার সময় ক্যামেরার সামনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখলেও ক্যামেরার পেছনে চিত্রটা থাকে তার উল্টো। মানা হয়না সামাজিক দুরত্ব এই বিষয়ে দায়িত্বশীলদের আচরন অনেকটাই উদাসীন।
আজ শনিবার (১৬ মে) সকালে কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে এক হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়। এই সময় সাংবাদিকদের সামনে সামাজিক দুরুত্ব বাজায় রাখার চিত্র দেখা গেলো ও ইউনিয়ন পরিষদের পাশে থাকা সংঙ্কর দিঘী পাড়ে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে ছিল প্রায় হাজারো মানুষ।
যেখানে ছিল না কোন সামাজিক দূরত্ব ছিল না কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষ মনে করে জনপ্রতিনিধিরা যেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জনসাধারণের জীবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, সেখানেও তারা যদি এই ধরনের উদাসীনতার পরিচয় করোনা পরিস্থিতে কে আরো জটিল করে তুলতে পারে।
সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রশাসন প্রতিনিয়ত বিষয়টা নিয়ে কাজ করছে। জনগন যদি নিজে সচেতন না হয় তাহলে প্রশাসনের সমস্ত চেষ্টা ব্যার্থ।






















