০৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

চট্টগ্রামে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের খুনি বন্দুকযদ্ধে নিহত

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছেন, নিহত ব্যক্তি খুনের আসামি। নিহত শওকত হোসেন (৪৫) চরণদ্বীপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাছি মিয়ার ছেলে। স্থানীয় যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সে জড়িত।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল করিমের দাবি, গতকাল শনিবার রাতে চরণদ্বীপ ইউনিয়নের বড়ুয়াপাড়া বালুর ঘাট এলাকায় বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাটি ঘটে।
গত শুক্রবার রাতে চরণদ্বীপে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এ সময় শওকতের গুলিতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আলী মদন ও তার ছেলে যুবলীগ নেতা মো. নাছের (৪০) গুরুতর আহত হন।

 

পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নাছের মারা যান। ঘটনার পর পুলিশ শওকত ও তার ভাই জসিমকে অস্ত্রসহ আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা দায়ের হয়।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম দাবি করেছেন, আটক শওকতকে নিয়ে রাতে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে তার অনুসারী সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছোঁড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে।

একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। পরে গুলিবিদ্ধ শওকতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, ১০টি কার্তুজের খোসা, একটি রামদা, একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে পরে অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ নাছির নামে আরও একজন সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।

বন্দুকযুদ্ধে ওসি মো. আব্দুল করিমসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন পুলিশ।

ট্যাগ :

ফাঁকিকৃত ৫৩২ কোটি টাকার আয়কর আদায় করলো আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট

চট্টগ্রামে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের খুনি বন্দুকযদ্ধে নিহত

প্রকাশিত : ১১:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২০

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছেন, নিহত ব্যক্তি খুনের আসামি। নিহত শওকত হোসেন (৪৫) চরণদ্বীপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাছি মিয়ার ছেলে। স্থানীয় যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সে জড়িত।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল করিমের দাবি, গতকাল শনিবার রাতে চরণদ্বীপ ইউনিয়নের বড়ুয়াপাড়া বালুর ঘাট এলাকায় বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাটি ঘটে।
গত শুক্রবার রাতে চরণদ্বীপে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এ সময় শওকতের গুলিতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আলী মদন ও তার ছেলে যুবলীগ নেতা মো. নাছের (৪০) গুরুতর আহত হন।

 

পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নাছের মারা যান। ঘটনার পর পুলিশ শওকত ও তার ভাই জসিমকে অস্ত্রসহ আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা দায়ের হয়।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম দাবি করেছেন, আটক শওকতকে নিয়ে রাতে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে তার অনুসারী সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছোঁড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে।

একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। পরে গুলিবিদ্ধ শওকতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, ১০টি কার্তুজের খোসা, একটি রামদা, একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে পরে অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ নাছির নামে আরও একজন সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।

বন্দুকযুদ্ধে ওসি মো. আব্দুল করিমসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন পুলিশ।