চট্টগ্রামে দিন দিন বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। আর এই সংখার সাথে এবার যোগ হয়েছে জেলা প্রশাসনের নিবর্িাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানার ওসি, চিকিৎসক ও সাংবাদিক। শনিবার রাত পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে ৭১৬ জনে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের।
শুধুমাত্র শনিবার একদিনে চট্টগ্রামে ৭৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চার চিকিৎসক, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, একজন ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য ও এক সাংবাদিক ছাড়াও রয়েছেন চট্টগ্রামের একজন শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি। চট্টগ্রামের তিনটি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় করোনার এই সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
চট্টগ্রামে আক্রান্তদের একজন একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের চট্টগ্রাম ব্যুরোতে কর্মরত স্টাফ রিপোর্টার। এ নিয়ে চট্টগ্রামে তিনজন গণমাধ্যম কর্মী করোনায় আক্রান্ত হলেন।
সিএমপি সূত্র জানায়, বিআইটিআইডিতে শনাক্তদের মধ্যে ছয়জন পুলিশ সদস্য। এদের মধ্যে নগরীর বিভিন্ন থানায় ও ফাঁড়িতে কর্মরত তিনজন এএসআই ও দু’জন কনস্টেবল রয়েছেন। এছাড়া একজন ট্্রাফিক সার্জেন্টও আছেন। এদিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (আরডিসি) নাজমুন নাহার করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন শনিবার।
এছাড়া সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শরীফুল ইসলামের শরীরেও করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ- বিআইটিআইডিতে ২২১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৩ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ২৮ জন চট্টগ্রামের, যার মধ্যে নগরীর ১৯ জন এবং হাটহাজারীর ৪ জন, সীতাকুণ্ডের ২ জন এবং পটিয়ার ৩ জন রয়েছেন। বাকি ৫ জন অন্য জেলার।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) ল্যাবে ৯১টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৮ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এদের সবাই চট্টগ্রাম জেলার বাসিন্দা। ৩৫ জন চট্টগ্রাম মহানগরীর এবং তিনজন বিভিন্ন উপজেলার। এদের মধ্যে তিন জনের দ্বিতীয়বার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) ল্যাবে গত ৪৮ ঘণ্টায় ১৮৩ টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জনের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এদের মধ্যে চট্টগ্রামের ১৩ জন এবং বাকি ২৪ জন বিভাগের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।






















