আজ ১৭ মে রবিবার চট্টগ্রাম মহানগরীর বালুচরা বাজার, কূলগাঁও, অক্সিজেন বাজার, বায়েজিদ ও ইপিজেড এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় কর্তৃক আজও তদারকিমূলক অভিযান পরিচালিত হয়। বেলা ১১টা হতে পরিচালিত অভিযানে ১০ প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় মোট ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়াও অভিযান পরিচালনাকালে অননুমোদিত রং, হাইড্রোজ, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংসসহ তিনটি টিসিবি ট্রাকসেল পর্যবেক্ষণ করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাসরিন আক্তার, সহকারী পরিচালক (মেট্রো) পাপীয়া সুলতানা লীজা এবং চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান অভিযান পরিচালনা করেন এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে বালুচরা বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় আলো স্টোরকে ৪হাজার টাকা, হাবীব স্টোরকে ৪হাজার টাকা, মামণি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরকে ২হাজার টাকা ও মদিনা পোলট্রি ফার্মকে ২হাজার টাকা জরিমানা করে সতর্ক করা হয়। কামাল সুপার শপকে পণ্যের মোড়কে যথাযথ তথ্য (উৎপাদন ও মেয়াদ) প্রদান না করায় ৪হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। হানিফ স্টোরকে অননুমোদিত রং ও হাইড্রোজ বিক্রয়ের জন্য সংরক্ষণ করায় ৫হাজার টাকা জরিমানা করে প্রায় ২কেজি কেমিক্যাল ধ্বংস করা হয়। ইপিজেড থানার নিউমুরিং এলাকার হাবিব স্টোরকে নিত্যপণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় ২হাজার টাকা, মুরাদ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরকে মেয়াদ উত্তীর্ণ কোমলপানীয় সংরক্ষণ করায় ও মূল্য তালিকা না রাখায় ৫হাজার টাকা জরিমানা করে মেয়াদোত্তীর্ণ ড্রিংকস্ ধ্বংস করা হয়।
সিমেন্ট ক্রসিং বাজারে হালনাগাদ মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় এবি স্টোরকে ২হাজার টাকা ও সেলিমের মসলার মিলকে,২হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। এসময় ভোক্তাসাধারণকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে পণ্য ক্রয় করতে, মাস্ক-গ্লভস পরিধান করতে অনুরোধ করা হয়। পাশাপাশি কোন বিক্রেতা যদি অধিক মূল্যে পণ্য বা ঔষধ বিক্রয় করে অথবা বিক্রয়ের প্রস্তাব করে তবে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বর ১৬১২১ এ অভিযোগ জানাতে বা তথ্য দিতে অনুরোধ করা হয়।






















