লালমনিরহাটে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক স্থাপিত হ্যান্ড ওয়াশিং বেসিনগুলো নির্মানের প্রথম দু-চারদিন চালু থাকলেও এখন এগুলো পরে রয়েছে অব্যবহৃত অবস্থায়। সবগুলো বেসিনে সাবান সরবরাহ না থাকায় এগুলো ব্যাবহার করছেন না জনসাধারন। আবার কিছু বেসিনে পানি সরবরাহ লাইন খুলে গেছে।
করোনা সংক্রমণরোধে হাতধোয়া কার্য্যক্রম চলমান রাখতে ও সাধারন মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাতারাতি লালমনিরহাটে ১৮ টি হ্যান্ড ওয়াশিং বেসিন নির্মান করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। এদের মধ্যে উপজেলায় দুটি করে ৫ উপজেলায় ১০টি ও জেলা শহরে ৮টি বেসিন নির্মান করা হয়। প্রত্যেকটির নির্মান ব্যয় দেখানো হয়েছে ত্রিশ হাজার টাকা।
লালমনিরহাট শহরের মিশন মোড় এলাকার ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান বলেন, প্রথম তিন-চারদিন এগুলো বেসিনে লোকজন হাত ধুুতে আসতেন। পরে আর আসেননি কারন এখানে সাবান সরবরাহ নেই। এ কারনে বেসিনগুলো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
রিক্সা চালক সেকেন্দার আলী জানান, শহরের বিভিন্ন স্থানে হাত ধোয়ার বেসিনগুলোর অবস্থা একই। কোথাও সাবান নেই তাই লোকজন হাতও ধুতে আসছেন না।
লালমনিরহাট বাসস্টান্ড এলাকার অটো রিক্সাচালক ভগলু বলেন, হ্যান্ড ওয়াশিং মেশিনগুলো নতুন অবস্থায় ভালো ছিলো কিন্তু কয়েকদিন পর এগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। এখন আর আমরা এই বেসিনগুলোতে হাত ধুতে পারি না,সাবানের ব্যাবস্থা নেই বললেই চলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লালমনিরহাট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক কর্মচারি বলেন, এসব হ্যান্ড ওয়াশিং বেসিন নির্মানেও ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। প্রত্যেকটি বেসিন তৈরিতে ত্রিশ হাজার টাকা খরচ দেখানো হলেও খরচ হয়েছে দশ থেকে বারো হাজার টাকা। আর কিছুদিন গেলে এগুলো বেসিন এমনিতে নষ্ট হয়ে যাবে।
লালমনিরহাট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মঈন উদ্দিন বলেন, স্থাপিত হ্যন্ড ওয়াশিং বেসিনগুলো থেকে সাবান চুরি হওয়ায় সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ






















