১২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

সাতক্ষীরায় নামমাত্র লকডাউন চেকপোষ্ট, দুপুরে ফাঁকা, রাতে নেই বাঁধা

সাতক্ষীরা নামেই লকডাউন। চেকপোষ্টগুলি দুপুরের পর ফাঁকা, সন্ধ্যার পর নেই কোন বাঁধা। করোনা ভাইরাসে দীর্ঘ ২ মাসে গত ১৬ মে পর্যন্ত সাতক্ষীরায় করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪ জন। তা ১৭ মে একলাফে ২৮ জনে পৌছায়। যা আজ ১৮ মে আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অত্র এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নতুন কোন আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন মোঃ হুসাইন শাফায়ৎ। এদিকে আজ সকাল ১১ টায় সাতক্ষীরা জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর উপস্থিতিতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহায়তায় বিনেরপোতা, লাবসার বাইপাস জিরো পয়েন্টসহ কয়েকটি চেকপোষ্টে যথেষ্ট কড়াকড়ি দেখা গেলেও দুপুর ৩ টার পর এর ভিন্ন চিত্র। নেই পুলিশ, নেই নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। এনজিও সংস্থা সুশীলনের কিছু কর্মী বাইপাস জিরোপয়েন্টে ক্লান্ত হয়ে বসেছিল। অনায়াসেই যশোর জেলা শহর হয়ে বিভিন্ন যানবাহন সাতক্ষীরায় প্রবেশ করছে। এদিকে বিনেরপোতাও একই অবস্থা। যেখানে স্বেচ্ছাসেবীরা তপ্ত রৌদ্রে অক্লান্ত পরিশ্রমে একেবারেই পরিশ্রান্ত। শুধুই দাঁড়িয়ে দেখছে। যানবাহন, পথচারী যাতায়াত করছে। স্বেচ্ছাসেবীদের মুখে মাস্ক থাকলেও হাতে নেই হ্যান্ডগ্লোবস, এমনকি পিপিই। তারপরেও জীবন মরণের যুদ্ধে থেমে নেই তারা। সাতক্ষীরা শহর হতে ছোটবড় বিভিন্ন যানবাহনে যাত্রীরা চেকপোষ্টের আগে এসে নেমে যায়। চেকপোষ্ট হাটতে হাটতে পার হয়ে অপেক্ষামান যানবাহনে উঠছে। স্বেচ্ছাসেবীরা জানিয়েছেন, অসচেতন মানুষকে কোনভাবেই বাধা দেয়া যাচ্ছে না। কোন  না কোন অযুহাতে পার হয়ে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসকের লকডাউন ও চেকপোষ্টগুলির অবস্থা সত্যি নাজুক। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, সকাল ৭ টার পর হতে দুপুর পর্যন্ত জোরালোভাবে চেকপোষ্টের কার্যক্রম চললেও দুপুরের পরে ফাঁকা। আর সন্ধ্যায় কাউকে দেখা যায় না। এটিকে কোনভাবে লকডাউন বা চেকপোষ্ট বলা যায় না। কেননা, ক্ষণিকের জন্য কঠোর হলেও দুপুরের পরে ঢিলাঢালা ভাব। অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের রাস্তা দিয়ে ঠিকই মানুষ গন্তব্যে পৌছাচ্ছে। জেলা প্রশাসক মোস্তফা কামাল ঘোষণা দিয়েছেন জেলার বাইরে থেকে কোন মানুষ ঢুকতে পারবে না। এমনকি এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যেতে পারবে না। কিন্তু তা শুধুমাত্র ঘোষণা আর লোকদেখানো মাত্র। অপরদিকে তালা উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে পাটকেলঘাটা বাজার লকডাউন ঘোষণা করলেও অসচেতন মানুষের ঈদ কেনাকাটায় অনেকটাই পরাস্ত হয়ে কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মশিউর আলম সুমন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চিলিকে হারিয়ে ব্রাজিলের টানা দ্বিতীয় শিরোপা

সাতক্ষীরায় নামমাত্র লকডাউন চেকপোষ্ট, দুপুরে ফাঁকা, রাতে নেই বাঁধা

প্রকাশিত : ০৭:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২০

সাতক্ষীরা নামেই লকডাউন। চেকপোষ্টগুলি দুপুরের পর ফাঁকা, সন্ধ্যার পর নেই কোন বাঁধা। করোনা ভাইরাসে দীর্ঘ ২ মাসে গত ১৬ মে পর্যন্ত সাতক্ষীরায় করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪ জন। তা ১৭ মে একলাফে ২৮ জনে পৌছায়। যা আজ ১৮ মে আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অত্র এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নতুন কোন আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন মোঃ হুসাইন শাফায়ৎ। এদিকে আজ সকাল ১১ টায় সাতক্ষীরা জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর উপস্থিতিতে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহায়তায় বিনেরপোতা, লাবসার বাইপাস জিরো পয়েন্টসহ কয়েকটি চেকপোষ্টে যথেষ্ট কড়াকড়ি দেখা গেলেও দুপুর ৩ টার পর এর ভিন্ন চিত্র। নেই পুলিশ, নেই নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। এনজিও সংস্থা সুশীলনের কিছু কর্মী বাইপাস জিরোপয়েন্টে ক্লান্ত হয়ে বসেছিল। অনায়াসেই যশোর জেলা শহর হয়ে বিভিন্ন যানবাহন সাতক্ষীরায় প্রবেশ করছে। এদিকে বিনেরপোতাও একই অবস্থা। যেখানে স্বেচ্ছাসেবীরা তপ্ত রৌদ্রে অক্লান্ত পরিশ্রমে একেবারেই পরিশ্রান্ত। শুধুই দাঁড়িয়ে দেখছে। যানবাহন, পথচারী যাতায়াত করছে। স্বেচ্ছাসেবীদের মুখে মাস্ক থাকলেও হাতে নেই হ্যান্ডগ্লোবস, এমনকি পিপিই। তারপরেও জীবন মরণের যুদ্ধে থেমে নেই তারা। সাতক্ষীরা শহর হতে ছোটবড় বিভিন্ন যানবাহনে যাত্রীরা চেকপোষ্টের আগে এসে নেমে যায়। চেকপোষ্ট হাটতে হাটতে পার হয়ে অপেক্ষামান যানবাহনে উঠছে। স্বেচ্ছাসেবীরা জানিয়েছেন, অসচেতন মানুষকে কোনভাবেই বাধা দেয়া যাচ্ছে না। কোন  না কোন অযুহাতে পার হয়ে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসকের লকডাউন ও চেকপোষ্টগুলির অবস্থা সত্যি নাজুক। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, সকাল ৭ টার পর হতে দুপুর পর্যন্ত জোরালোভাবে চেকপোষ্টের কার্যক্রম চললেও দুপুরের পরে ফাঁকা। আর সন্ধ্যায় কাউকে দেখা যায় না। এটিকে কোনভাবে লকডাউন বা চেকপোষ্ট বলা যায় না। কেননা, ক্ষণিকের জন্য কঠোর হলেও দুপুরের পরে ঢিলাঢালা ভাব। অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের রাস্তা দিয়ে ঠিকই মানুষ গন্তব্যে পৌছাচ্ছে। জেলা প্রশাসক মোস্তফা কামাল ঘোষণা দিয়েছেন জেলার বাইরে থেকে কোন মানুষ ঢুকতে পারবে না। এমনকি এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায় যেতে পারবে না। কিন্তু তা শুধুমাত্র ঘোষণা আর লোকদেখানো মাত্র। অপরদিকে তালা উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে পাটকেলঘাটা বাজার লকডাউন ঘোষণা করলেও অসচেতন মানুষের ঈদ কেনাকাটায় অনেকটাই পরাস্ত হয়ে কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মশিউর আলম সুমন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ