০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

নরসিংদী চরাঞ্চলে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে গুলি ও টেটা বিদ্ধ হয়ে আহত ৫

নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গুরুপের  মধ্যে সংঘর্ষে গোলাগোলি,  টেটা যুদ্ধ সহ ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলি ও টেটাবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে ৫ জন। ১৮ মে ২০২০ সোমবার ভোরে নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চল আলোকবালি ইউনিয়নের খোদাদিলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের দুইজন গুলি ও তিন জন টেটাবিদ্ধ হয়ে নরসিংদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন দরে  আইজ্জার গোষ্ঠি ও ইছাগুরির গোষ্ঠির মধ্যে দ্বন্ধ চলে আসছিল। আইজ্জার গোষ্ঠির নেতৃত্বে আছেন জয়নাল আবেদীন সরকার ও ফাহিম সিদ্দিকী গংরা  অপরদিকে ইছাগুরির গোষ্ঠির নেতৃত্বে আছেন হাছেন মিয়া, ও হালিম মিয়া গংরা। বেশ কয়েকদিন যাবৎ সংঘর্ষের প্রস্তুতি চলছিল এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ও বিরাজ করছিল। সোমবার ভোরে আইজ্জার গোষ্ঠি ও ইছাগুষ্টি বিভিন্ন অস্ত্র-সস্ত্র ও টেটা  নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে।   এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগোলি ও টেটাযুদ্ধ বাধে। এসময় আব্দুল হালিম মিয়ার পুত্র মাসুদ(৩০) ও ফুল কাজির পুত্র আল ইসলাম (২৮) গুলিবিদ্ধ হয় এবং মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র বাছেদ(৫৫)ও মঙ্গল মিয়া পুত্র সবুজ (২০) টেটাবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের  পুলিশি গেপ্তার এড়ানোর  জন্য সলিমগঞ্জ,বটতলিসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে এলাকা সুত্রে জানা যায়।সকাল ৮টায় দিকে নরসিংদী সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি  নিয়ন্ত্রনে আনে।পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। এদিকে আল ইসলাম নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়া কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সংঘর্ষের পর থেকে ইছাগুরি গোষ্ঠি এলাকা ছাড়া রয়েছে। এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন আছে।
আইজ্জার গোষ্ঠির প্রধান জয়নাল আবেদীন সরকার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে, তিনি জানান, ঝগড়ার পক্ষে তারা নন। ইছাগুরি গোষ্ঠির ক্ষমতার দাপটে এলাকায় বসবাস করাটাই  দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই  মাঠে নামতে হল।
এদিকে ইছাগুরি গোষ্ঠির বেশ কয়েকজনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।
নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মো: সৈয়দুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি। উভয় পক্ষের কেউ লিখিত  অভিযোগ করেনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন করিছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

নরসিংদী চরাঞ্চলে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে গুলি ও টেটা বিদ্ধ হয়ে আহত ৫

প্রকাশিত : ০৭:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২০
নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গুরুপের  মধ্যে সংঘর্ষে গোলাগোলি,  টেটা যুদ্ধ সহ ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলি ও টেটাবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে ৫ জন। ১৮ মে ২০২০ সোমবার ভোরে নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চল আলোকবালি ইউনিয়নের খোদাদিলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের দুইজন গুলি ও তিন জন টেটাবিদ্ধ হয়ে নরসিংদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন দরে  আইজ্জার গোষ্ঠি ও ইছাগুরির গোষ্ঠির মধ্যে দ্বন্ধ চলে আসছিল। আইজ্জার গোষ্ঠির নেতৃত্বে আছেন জয়নাল আবেদীন সরকার ও ফাহিম সিদ্দিকী গংরা  অপরদিকে ইছাগুরির গোষ্ঠির নেতৃত্বে আছেন হাছেন মিয়া, ও হালিম মিয়া গংরা। বেশ কয়েকদিন যাবৎ সংঘর্ষের প্রস্তুতি চলছিল এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ও বিরাজ করছিল। সোমবার ভোরে আইজ্জার গোষ্ঠি ও ইছাগুষ্টি বিভিন্ন অস্ত্র-সস্ত্র ও টেটা  নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে।   এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগোলি ও টেটাযুদ্ধ বাধে। এসময় আব্দুল হালিম মিয়ার পুত্র মাসুদ(৩০) ও ফুল কাজির পুত্র আল ইসলাম (২৮) গুলিবিদ্ধ হয় এবং মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র বাছেদ(৫৫)ও মঙ্গল মিয়া পুত্র সবুজ (২০) টেটাবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের  পুলিশি গেপ্তার এড়ানোর  জন্য সলিমগঞ্জ,বটতলিসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে এলাকা সুত্রে জানা যায়।সকাল ৮টায় দিকে নরসিংদী সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি  নিয়ন্ত্রনে আনে।পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। এদিকে আল ইসলাম নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়া কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সংঘর্ষের পর থেকে ইছাগুরি গোষ্ঠি এলাকা ছাড়া রয়েছে। এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন আছে।
আইজ্জার গোষ্ঠির প্রধান জয়নাল আবেদীন সরকার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে, তিনি জানান, ঝগড়ার পক্ষে তারা নন। ইছাগুরি গোষ্ঠির ক্ষমতার দাপটে এলাকায় বসবাস করাটাই  দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই  মাঠে নামতে হল।
এদিকে ইছাগুরি গোষ্ঠির বেশ কয়েকজনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।
নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মো: সৈয়দুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এঘটনায় এখনো পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি। উভয় পক্ষের কেউ লিখিত  অভিযোগ করেনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন করিছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ