০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জে এক শিক্ষক বেতনের টাকা দিয়ে অসহায়দের দিলেন ঈদ উপহার

গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারি শিক্ষক মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। বিশ্বব্যাপী যখন করোনা মহামারীতে আক্রান্ত ঠিক সেই সময়ে নিজের বেতনের একমাসের সম্পূর্ণ টাকা দান করে দিলেন অসহায় দু:স্থদের মাঝে। তিনি ৩১নং পশ্চিম মানিকহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রাকিবুর রহমান রানা। ১৯ মে মঙ্গলবার সকালে তার নিজ গ্রাম পুখরিয়া এলাকায় প্রায় ৮০টি অসচ্ছল পরিবারের মাঝে এই খাবার সামগ্রী বিতরণ করেন। তার মধ্যে রয়েছে ১কেজি আটা, ১ কেজি চিনি, ১কেজি সয়াবিন তেল, আধাকেজি সেমাই ও নগদ ১শ টাকা। এছাড়াও স¦াভাবিক সময়ে গরিব অসহায় ছাত্রছাত্রীদের কলম, খাতা কিনতে সহযোগিতা করেন এই শিক্ষক। জানা যায়, নিজের সন্তানের মতো অনেককেই পকেটের টাকা দিয়ে টিফিন করান।

এ বিষয়ে রাকিবুর রহমান রানা বলেন, এই মহামারী দুর্যোগে আমরা যারা চাকুরি করি তারাতো ঘরে বসেই বেতন পাচ্ছি। যারা দিনমজুর তারা তো বাইরে বের হতে পারছেন না কাজও করতে পারছেন না। তাই করোনাকালে নিজের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। সাধ ছিল অনেক কিছু করার কিন্তু সাধ্য নেই। তাই এই সামান্য কিছু ঈদ উপহার হিসেবে মানুষকে দিতে পেরে নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মানব কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে: তেজগাঁও থানা পুলিশ

গোপালগঞ্জে এক শিক্ষক বেতনের টাকা দিয়ে অসহায়দের দিলেন ঈদ উপহার

প্রকাশিত : ০৫:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২০

গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারি শিক্ষক মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। বিশ্বব্যাপী যখন করোনা মহামারীতে আক্রান্ত ঠিক সেই সময়ে নিজের বেতনের একমাসের সম্পূর্ণ টাকা দান করে দিলেন অসহায় দু:স্থদের মাঝে। তিনি ৩১নং পশ্চিম মানিকহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রাকিবুর রহমান রানা। ১৯ মে মঙ্গলবার সকালে তার নিজ গ্রাম পুখরিয়া এলাকায় প্রায় ৮০টি অসচ্ছল পরিবারের মাঝে এই খাবার সামগ্রী বিতরণ করেন। তার মধ্যে রয়েছে ১কেজি আটা, ১ কেজি চিনি, ১কেজি সয়াবিন তেল, আধাকেজি সেমাই ও নগদ ১শ টাকা। এছাড়াও স¦াভাবিক সময়ে গরিব অসহায় ছাত্রছাত্রীদের কলম, খাতা কিনতে সহযোগিতা করেন এই শিক্ষক। জানা যায়, নিজের সন্তানের মতো অনেককেই পকেটের টাকা দিয়ে টিফিন করান।

এ বিষয়ে রাকিবুর রহমান রানা বলেন, এই মহামারী দুর্যোগে আমরা যারা চাকুরি করি তারাতো ঘরে বসেই বেতন পাচ্ছি। যারা দিনমজুর তারা তো বাইরে বের হতে পারছেন না কাজও করতে পারছেন না। তাই করোনাকালে নিজের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। সাধ ছিল অনেক কিছু করার কিন্তু সাধ্য নেই। তাই এই সামান্য কিছু ঈদ উপহার হিসেবে মানুষকে দিতে পেরে নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ