০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

ভালুকায় জমানো ভাতার টাকা দিয়ে সহযোগীতা করলেন প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লড়ছে সারা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অনেক শ্রমজীবী মানুষ। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকাটাই মুশকিল হয়ে পড়ছে তাঁদের জন্য। তাই এসব কর্মহীন মানুষকে ঈদ উপহার খাদ্য সামগ্রী সহায়তা করার জন্য প্রয়াত মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডারের স্ত্রী রোকেয়া হক তার স্বামী বীর মুক্তিযুদ্ধা মৃত সিরাজুল হক (সিরাজ কমান্ডার)এর অবর্তমানে তিনি প্রতিমাসে যে সন্মানী ভাতা পান তা থেকে প্রায় ১ লাখ টাকা তার ছোট ছেলে উপজেলা ছাএলীগের সাধারন সম্পাদক শাহরিয়ার হক সজীবের হাতে তুলে দেন।এই টাকা দিয়ে অসহায় মানুষদের জন্য খাদ্য সামগ্রী কিনা হবে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে রোকেয়া হক জানান করোনা দুর্যোগে অসহায় মানুষদের মাঝে ঈদে কিছু উপহার তুলে দিতে পারি সেজন্য আমার ছোট ছেলে সজীবের হাতে কিছু টাকা তুলে দেই।মানুষরা আজ এক অদৃশ্য ভাইরাসের সাথে লড়ছে।কষ্টে আছে অনেক মানুষ ,কর্মহীন হয়ে পড়েছে অনেকেই।মানুষের মহাদুর্যোগময় মুহুর্তে পাশে থাকার লক্ষ্যে আমার এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। রোকেয়া হকের ছোট ছেলে ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার হক সজীব জানান,টাকাটা হয়তো সামান্য আবার কমও না।তার চেয়ে বড় কথা,টাকাটা আমার বাবার।মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মাসিক যে সম্মানী ভাতা দেয় সরকার,সেই জমানো টাকা এটা। সামান্য একটু উপহার হয়তো কারো জীবনে ক্ষণিকের জন্য হলেও হাসি ফোটাবে,এতেই তৃপ্ত হবে আমার বাবা’র আত্মা। তিনি আরও বলেন,এই টাকার সাথে কতো ভালোবাসা যে জড়িত তা বলে বুঝাতে পারবো না।তার চেয়ে বড় কথা,টাকাটা আমার বাবার।সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মাসিক যে সম্মানী ভাতা দেয় সেই জমানো টাকা এটা। করোনা দুর্যোগে অসহায় মানুষদের মাঝে ঈদে কিছু উপহার যেনো তুলে দিতে পারি,সেজন্য মা আমাকে এই সুযোগটা করে দিয়েছেন। সন্তান হিসেবে সত্যিই নিজেকে গর্ববোধ করছি যে আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।এর আগেও অনেকবার বাবার সম্মানী ভাতার টাকা অসহায় মানুষের সাহায্যে ব্যয় হয়েছে। তবে,সে সময় মা,বড় ভাই তারা অসহায়দের মাঝে দিয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভালুকায় জমানো ভাতার টাকা দিয়ে সহযোগীতা করলেন প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী

প্রকাশিত : ০৯:১৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লড়ছে সারা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অনেক শ্রমজীবী মানুষ। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকাটাই মুশকিল হয়ে পড়ছে তাঁদের জন্য। তাই এসব কর্মহীন মানুষকে ঈদ উপহার খাদ্য সামগ্রী সহায়তা করার জন্য প্রয়াত মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডারের স্ত্রী রোকেয়া হক তার স্বামী বীর মুক্তিযুদ্ধা মৃত সিরাজুল হক (সিরাজ কমান্ডার)এর অবর্তমানে তিনি প্রতিমাসে যে সন্মানী ভাতা পান তা থেকে প্রায় ১ লাখ টাকা তার ছোট ছেলে উপজেলা ছাএলীগের সাধারন সম্পাদক শাহরিয়ার হক সজীবের হাতে তুলে দেন।এই টাকা দিয়ে অসহায় মানুষদের জন্য খাদ্য সামগ্রী কিনা হবে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে রোকেয়া হক জানান করোনা দুর্যোগে অসহায় মানুষদের মাঝে ঈদে কিছু উপহার তুলে দিতে পারি সেজন্য আমার ছোট ছেলে সজীবের হাতে কিছু টাকা তুলে দেই।মানুষরা আজ এক অদৃশ্য ভাইরাসের সাথে লড়ছে।কষ্টে আছে অনেক মানুষ ,কর্মহীন হয়ে পড়েছে অনেকেই।মানুষের মহাদুর্যোগময় মুহুর্তে পাশে থাকার লক্ষ্যে আমার এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। রোকেয়া হকের ছোট ছেলে ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার হক সজীব জানান,টাকাটা হয়তো সামান্য আবার কমও না।তার চেয়ে বড় কথা,টাকাটা আমার বাবার।মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মাসিক যে সম্মানী ভাতা দেয় সরকার,সেই জমানো টাকা এটা। সামান্য একটু উপহার হয়তো কারো জীবনে ক্ষণিকের জন্য হলেও হাসি ফোটাবে,এতেই তৃপ্ত হবে আমার বাবা’র আত্মা। তিনি আরও বলেন,এই টাকার সাথে কতো ভালোবাসা যে জড়িত তা বলে বুঝাতে পারবো না।তার চেয়ে বড় কথা,টাকাটা আমার বাবার।সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মাসিক যে সম্মানী ভাতা দেয় সেই জমানো টাকা এটা। করোনা দুর্যোগে অসহায় মানুষদের মাঝে ঈদে কিছু উপহার যেনো তুলে দিতে পারি,সেজন্য মা আমাকে এই সুযোগটা করে দিয়েছেন। সন্তান হিসেবে সত্যিই নিজেকে গর্ববোধ করছি যে আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।এর আগেও অনেকবার বাবার সম্মানী ভাতার টাকা অসহায় মানুষের সাহায্যে ব্যয় হয়েছে। তবে,সে সময় মা,বড় ভাই তারা অসহায়দের মাঝে দিয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ