০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

মিরসরাইয়ে আকষ্মিক কর্মী ছাটাই প্রতিবাদে ও বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ

মিরসরাইয়ের করেরহাটে অবস্থিত কোরিয়ান ক্যাপ কারখানা নামে পরিচিত পিএনজি (বিড়ি) লিমিটেড় নামক কারখানার শ্রমিকরা বকেয়া বেতন দাবিতে ও ৪শ শ্রমিককে বিনা নোটিশে আকষ্মিক ছাটাইয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ আন্দোলনে নেমেছে।
শ্রমিকরা তাদের বকেয়া বেতনের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করে, বিনা নোটিশে আকষ্মিক শ্রমিক ছাটাইয়ের প্রতিবাদে প্রতিষ্ঠানের কার্যনির্বাহি পরিচালক ‘চিয়াঙ্গ ও’র অপসারণ দাবি করে। এসয় শ্রমিক-কর্মচারীরা বারৈয়াহাট-খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করে দেয় ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) মিরসরাইয়ের করের হাট এলাকার কোরিয়ান ক্যাপ কারখানা নামে পরিচিত পিএনজি (বিড়ি) লি: কারখানায় সকাল থেকে আকস্মিক শ্রমিক ছাটাইয়ের প্রতিবাদে ও বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করছে কারখানার সাড়ে ৭শত শ্রমিক কর্মচারী।
আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, কোরিয়ান মালিকানাধিন পিএনজি বিড়ি লি:-এ ৭শ ৯৫ জনের অধিক শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োজিত। কিন্তু করোনা ভাইরাসের এমন মহাদূর্যোগে গত ১৬মে শনিবার কারখানার প্রায় ৪শ শ্রমিক-কর্মচারীকে বিনা নোটিশে ছাটাই করা হয়েছে তাদের বেতন ভাতা পরিশোধ না করেই।
অন্যায় ভাবে আকষ্মিক এমন ছাটাইয়ে ঘোর বিপদে পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে শ্রমিকরা। ঈদের আগে ছাটাই করে ও কর্মরত সকল শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ না করেই কারখানা বন্ধের পায়তারা করছে কারখানার কার্যনির্বাহি পরিচালক ‘চিয়াঙ্গ ও’।
গত ১৮ মেএই ব্যাপারে শ্রমিকদের পক্ষথেকে একটি অভিযোগ পত্রও প্রেরণ করা হয়েছে কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক বরাবরে। শ্রমিকরা মানববন্ধনও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মানবিক দিক বিবেচনায় ২৫ রোজার মধ্যে শ্রমিকদের মে মাসের ১৫ দিনের বেতন ও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ঈদ বোনাস পরিশোধের দাবি জানায়। কারখানার একজন মেশিন অপারেটর কাশেম জানান, কোন কথাছাড়াই আমাদের ৪শ জনকে ছাটাই করেছে বেতন ভাতা কিছুই দেয় নাই, আমরা কি খেয়ে থাকবো আমাদের পরিবার পরিজন কি খেয়ে বাচবে, এই সময় আমরা কোথায় কাজ পাবো এক নাগাড়ে বলেন তিনি। যোগকরেন আমরা এখন নিজেদের চাকরি বাচাতে রাস্তায় নেমিছি আমাদের চাকরি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুম স্বামি হারা তিন সন্তানের জননি কারখানায় কাজ করে সন্তানদের মুখে দু বেলা ভাত তুলেদেন, আকষ্মিক চাকরি চলেযাওয়াতে তার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে।
দুচোখে ঘোর অন্ধকার নেমে এসেছে। বাচ্ছাদের কথা বলে বলে বার বার মুচ্ছা যাচ্ছেন। এপ্রিলের পুরো বেতন পান নাই, মে মাসের বেতন ছাড়াই ছাটাই করা হয়েছে তাকে। চোখের পানি মুছে বলেন জিবন যাবে তবু হার মানবো আন্দোলন চালিয়ে যাবো। আমাদের বেতন দিতে হবে কারন চাড়া ছাটাই মানবো না। সেকশন ইনচার্জের একজন সুশমিতা তিনি বলেন, থানা পুলিশের অনুরোধে আমরা সড়ক অন্মুক্ত করেদিয়েছি। তবে আমাদের মে মাসের পুরো বেতন দিতে হবে। আমরা গত একবছর কাজ করেছি তাই আমাদের ঈদ বোনাস প্রাপ্ত আমাদের ঈদ বোনাস দিতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে কোন প্রকার ছাটাই চলবে না। লকডাউনের পূর্বে আমাদের অতিরিক্ত কাজ করিয়েছে শুক্রবারেও আমাদের কাজ করিয়েছে।
এখন বলছে কাজ নেই। আমাদের এপ্রির মাসের বেতনও কম দিয়েছে এখন বলছে মে মাসের বেতন দিবে মাত্র ১৫দিনের আবার ঈদ বোনাস দিবে না। এটা কি অন্যায় নায়?? আমরা কি ভাবে চলবো বলেন, আমাদের বাসা ভাড়া, বাচ্ছাদের খরচ কিভাবে সমলাবো? চাকরি চলেগেলে কি হবে আমাদের? আমরা সরকারি সকল নিয়ম মেনে কাজ করছি কিন্তু কারখানা পরিচালকরা কোন কিছুই মানছেনা। দেশে কি আইন নেই? আমরা তো গরিব মানুষ আমরা কাজ করে খাই। আপনারা আমাদের জন্য একটু কথা বলেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও করেরহাট ইউনিয়নের নয়ন চেয়ারম্যান জানান, স্থানিয় প্রতিনিধি হিসেবে আমি ঘটনা স্থলে এসে শ্রমিকদের শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করি। কারখানা পরিচালকরা ঈদ বোনাস দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। এছাড়া সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ি মে মাসের ১৬ দিনের তেবন দেয়ার সিদ্যান্ত হয়েছে তবে শ্রমিক ছাটাই করার সিদ্যান্ত বাতিল করা হয়ছে।
এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে শ্রমিকদের পক্ষেই কথা বলেছি যাতে কারো চাকরি হারাতে না হয়। যোরারগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘটনা স্থলে পৌছে শ্রমিক ও কারখানা পরিচালকদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়েছি। কারখানা কর্তৃপক্ষ ঈদ বোনাসের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি, সরকারি নিয়ম মেনে ৬৫ শতাংশ বেতন পরিশোধে করতে রাজি হয়েছে এছাড়া শ্রমিক ছাটাই না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কারখারনার মানবসম্পদ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে কারখানায় কাজকম তার তুলনায় শ্রমিক বেশি। গত কিছুদিন পূর্বে সেকশান ইনচার্জদের নিয়ে একটা মিটিং হয়েছে সেখানে কার্যনির্বাহী পরিচালক ‘চিয়াঙ্গ ও’ সকলকে নির্দেশ দিয়েছেন একবছরের মধ্যে নিয়োগ কৃত ২শ৬০ জনের তালিকা দিতে এছাড়া এক বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করতেছে যারা তাদের থেকে যাদের বাদ দেওয়া যায় তাদেরও তালিকা দিতে।
বর্তমানে কারখানায় শ্রমিক কর্মচারীরর সংখ্যা সাড়ে ৭শত। কাজ না থাকায় এই শ্রমিক কর্মচারী ছাটাই করে অর্ধেকে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে কারখানা পরিচালাকরা। তিনি আরো জানান, এপ্রিল মাসের শ্রমিকদের বেতন ৩৫শতাংশ কর্তন করা হয়েছে, মে মাসের অর্ধমাসের বেতন দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে তবে ঈদ বোনাস দেওয়া হবে না।
তবে কারখানা কার্যনির্বাহী পরিচালক চিয়াঙ্গ ও এর সাথে ফোনো জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয়ে পেয়ে তার কারখানার বিষয়ে কোন প্রকার তথ্য দিতে পারবে না বলেন জানিয়ে বলেন, সরি টু সে আই উড় নট গিভ ইউ এনি ইনফরমেশন এবাউট মাই ফ্যাক্টরি ( দুখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমার কারখানার ব্যাপারে কোন তথ্য আপনাকে দিতে পারছি না)।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মিরসরাইয়ে আকষ্মিক কর্মী ছাটাই প্রতিবাদে ও বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত : ১১:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২০
মিরসরাইয়ের করেরহাটে অবস্থিত কোরিয়ান ক্যাপ কারখানা নামে পরিচিত পিএনজি (বিড়ি) লিমিটেড় নামক কারখানার শ্রমিকরা বকেয়া বেতন দাবিতে ও ৪শ শ্রমিককে বিনা নোটিশে আকষ্মিক ছাটাইয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ আন্দোলনে নেমেছে।
শ্রমিকরা তাদের বকেয়া বেতনের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করে, বিনা নোটিশে আকষ্মিক শ্রমিক ছাটাইয়ের প্রতিবাদে প্রতিষ্ঠানের কার্যনির্বাহি পরিচালক ‘চিয়াঙ্গ ও’র অপসারণ দাবি করে। এসয় শ্রমিক-কর্মচারীরা বারৈয়াহাট-খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করে দেয় ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) মিরসরাইয়ের করের হাট এলাকার কোরিয়ান ক্যাপ কারখানা নামে পরিচিত পিএনজি (বিড়ি) লি: কারখানায় সকাল থেকে আকস্মিক শ্রমিক ছাটাইয়ের প্রতিবাদে ও বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করছে কারখানার সাড়ে ৭শত শ্রমিক কর্মচারী।
আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, কোরিয়ান মালিকানাধিন পিএনজি বিড়ি লি:-এ ৭শ ৯৫ জনের অধিক শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োজিত। কিন্তু করোনা ভাইরাসের এমন মহাদূর্যোগে গত ১৬মে শনিবার কারখানার প্রায় ৪শ শ্রমিক-কর্মচারীকে বিনা নোটিশে ছাটাই করা হয়েছে তাদের বেতন ভাতা পরিশোধ না করেই।
অন্যায় ভাবে আকষ্মিক এমন ছাটাইয়ে ঘোর বিপদে পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে শ্রমিকরা। ঈদের আগে ছাটাই করে ও কর্মরত সকল শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ না করেই কারখানা বন্ধের পায়তারা করছে কারখানার কার্যনির্বাহি পরিচালক ‘চিয়াঙ্গ ও’।
গত ১৮ মেএই ব্যাপারে শ্রমিকদের পক্ষথেকে একটি অভিযোগ পত্রও প্রেরণ করা হয়েছে কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক বরাবরে। শ্রমিকরা মানববন্ধনও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মানবিক দিক বিবেচনায় ২৫ রোজার মধ্যে শ্রমিকদের মে মাসের ১৫ দিনের বেতন ও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ঈদ বোনাস পরিশোধের দাবি জানায়। কারখানার একজন মেশিন অপারেটর কাশেম জানান, কোন কথাছাড়াই আমাদের ৪শ জনকে ছাটাই করেছে বেতন ভাতা কিছুই দেয় নাই, আমরা কি খেয়ে থাকবো আমাদের পরিবার পরিজন কি খেয়ে বাচবে, এই সময় আমরা কোথায় কাজ পাবো এক নাগাড়ে বলেন তিনি। যোগকরেন আমরা এখন নিজেদের চাকরি বাচাতে রাস্তায় নেমিছি আমাদের চাকরি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুম স্বামি হারা তিন সন্তানের জননি কারখানায় কাজ করে সন্তানদের মুখে দু বেলা ভাত তুলেদেন, আকষ্মিক চাকরি চলেযাওয়াতে তার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে।
দুচোখে ঘোর অন্ধকার নেমে এসেছে। বাচ্ছাদের কথা বলে বলে বার বার মুচ্ছা যাচ্ছেন। এপ্রিলের পুরো বেতন পান নাই, মে মাসের বেতন ছাড়াই ছাটাই করা হয়েছে তাকে। চোখের পানি মুছে বলেন জিবন যাবে তবু হার মানবো আন্দোলন চালিয়ে যাবো। আমাদের বেতন দিতে হবে কারন চাড়া ছাটাই মানবো না। সেকশন ইনচার্জের একজন সুশমিতা তিনি বলেন, থানা পুলিশের অনুরোধে আমরা সড়ক অন্মুক্ত করেদিয়েছি। তবে আমাদের মে মাসের পুরো বেতন দিতে হবে। আমরা গত একবছর কাজ করেছি তাই আমাদের ঈদ বোনাস প্রাপ্ত আমাদের ঈদ বোনাস দিতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে কোন প্রকার ছাটাই চলবে না। লকডাউনের পূর্বে আমাদের অতিরিক্ত কাজ করিয়েছে শুক্রবারেও আমাদের কাজ করিয়েছে।
এখন বলছে কাজ নেই। আমাদের এপ্রির মাসের বেতনও কম দিয়েছে এখন বলছে মে মাসের বেতন দিবে মাত্র ১৫দিনের আবার ঈদ বোনাস দিবে না। এটা কি অন্যায় নায়?? আমরা কি ভাবে চলবো বলেন, আমাদের বাসা ভাড়া, বাচ্ছাদের খরচ কিভাবে সমলাবো? চাকরি চলেগেলে কি হবে আমাদের? আমরা সরকারি সকল নিয়ম মেনে কাজ করছি কিন্তু কারখানা পরিচালকরা কোন কিছুই মানছেনা। দেশে কি আইন নেই? আমরা তো গরিব মানুষ আমরা কাজ করে খাই। আপনারা আমাদের জন্য একটু কথা বলেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও করেরহাট ইউনিয়নের নয়ন চেয়ারম্যান জানান, স্থানিয় প্রতিনিধি হিসেবে আমি ঘটনা স্থলে এসে শ্রমিকদের শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করি। কারখানা পরিচালকরা ঈদ বোনাস দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। এছাড়া সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ি মে মাসের ১৬ দিনের তেবন দেয়ার সিদ্যান্ত হয়েছে তবে শ্রমিক ছাটাই করার সিদ্যান্ত বাতিল করা হয়ছে।
এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে শ্রমিকদের পক্ষেই কথা বলেছি যাতে কারো চাকরি হারাতে না হয়। যোরারগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘটনা স্থলে পৌছে শ্রমিক ও কারখানা পরিচালকদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়েছি। কারখানা কর্তৃপক্ষ ঈদ বোনাসের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি, সরকারি নিয়ম মেনে ৬৫ শতাংশ বেতন পরিশোধে করতে রাজি হয়েছে এছাড়া শ্রমিক ছাটাই না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কারখারনার মানবসম্পদ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে কারখানায় কাজকম তার তুলনায় শ্রমিক বেশি। গত কিছুদিন পূর্বে সেকশান ইনচার্জদের নিয়ে একটা মিটিং হয়েছে সেখানে কার্যনির্বাহী পরিচালক ‘চিয়াঙ্গ ও’ সকলকে নির্দেশ দিয়েছেন একবছরের মধ্যে নিয়োগ কৃত ২শ৬০ জনের তালিকা দিতে এছাড়া এক বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করতেছে যারা তাদের থেকে যাদের বাদ দেওয়া যায় তাদেরও তালিকা দিতে।
বর্তমানে কারখানায় শ্রমিক কর্মচারীরর সংখ্যা সাড়ে ৭শত। কাজ না থাকায় এই শ্রমিক কর্মচারী ছাটাই করে অর্ধেকে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে কারখানা পরিচালাকরা। তিনি আরো জানান, এপ্রিল মাসের শ্রমিকদের বেতন ৩৫শতাংশ কর্তন করা হয়েছে, মে মাসের অর্ধমাসের বেতন দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে তবে ঈদ বোনাস দেওয়া হবে না।
তবে কারখানা কার্যনির্বাহী পরিচালক চিয়াঙ্গ ও এর সাথে ফোনো জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয়ে পেয়ে তার কারখানার বিষয়ে কোন প্রকার তথ্য দিতে পারবে না বলেন জানিয়ে বলেন, সরি টু সে আই উড় নট গিভ ইউ এনি ইনফরমেশন এবাউট মাই ফ্যাক্টরি ( দুখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমার কারখানার ব্যাপারে কোন তথ্য আপনাকে দিতে পারছি না)।