নাসিরাবাদ আরফিন নগরসহ যে সব পাহাড়ে রাতের অন্ধকারে কাটা হচ্ছে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম। করোনা রোগের লকডাউন এর সুযোগ নিয়ে চট্টগ্রাম নাসিরাবাদ আরফিন নগরে রাতের বেলায় পাহাড়কেটে বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য একোয়ারকৃত জায়গা ভরাট করা হচ্ছে।
নাসিরাবাদ আরফিন নগরসহ অসংখ্য পাহাড়ে রাতের অন্ধকারে ভূমিদস্যুরা কেটে উজাড় করার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম নগরির পরিবেশ রক্ষার দাবীতে এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন ও সতর্ক থাকার তাগিদে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের এক সভা আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার ফোরামের ভাইস চেয়ারম্যান হাকিম মুহাম্মদ উল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই আহবান জানানো হয়।
উক্ত সভায় পাহাড় কাটার উপর প্রতিবেদন পেশ করেন ফোরামের মহাসচিব মো. কামাল উদ্দিন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফোরামের নেতা আলহাজ্ব মনচুর আলম পাপপি, মো. জসিম উদ্দিন, আকরাম হোসেন, মো: আলী, মো: রাকিব, সাংবাদিক শাহরিয়া রিপন, জসিম উদ্দিন খন্দকার, মোহাং শাহাজাহান, ফারুক চৌধুরী, আবুল বসর প্রমুখ।
সভায় বক্তরা বলেন, দিনদিন প্রতিদিন চট্টগ্রাম শহরের পাহাড় সমূহ কেটে শেষ করা হয়েছে। কিছু পাহাড় অবশিষ্ট থাকলেও এখন আরফিন নগর জালালাবাদ মৌজার ৭৭৭ বিএস দাগের বিদ্যুৎ অফিস সংলগ্ন একটি পাহাড় করোনা রোগের লকডাউনের সুযোগে সাধারণ মানুষের চোখ আরাল করার জন্য টিন দিয়ে ঘেরা দিয়ে রাতের বেলায় পুলিশ প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে ধোকা দিয়ে পাহাড়টি কেটে ফেলা হচ্ছে।
এইভাবে পাহাড়কাটা হলে আগামীতে চট্টগ্রামে একটি পাহাড়ও থাকবেনা। এমনিতে চট্টগ্রাম পরিবেশ দূষনের শিকার হয়েছে। পুরো পাহাড় সমূহ কেটে নিলে চট্টগ্রাম নগরি বসবাসের অনুপযোগী পরিনত হবে, তাই অবিলম্বে পাহাড় কাটা বন্ধ করার ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান। অন্যদিকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি করার পাশাপাশি শাররিক দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান রইল।





















