ঘুর্নিঝড় আম্পানের মহা দূর্যোগের ঘনঘটার মধ্যেই নিজ কর্মস্থলে বিচরন করে কৃষকদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন নড়াইলের কালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবির কুমার বিশ্বাস। অবিরাম বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া উপেক্ষা করে মহাদূর্যোগ থেকে সবজী ক্ষেত সুরক্ষা করতে ও উপজেলার ১৬ হাজার ৫০০হেক্টর জমিতে বাম্পার ফলন হওয়া বোর ধান কেটে তোলার খোজ খবর নিতে বুধবার সকাল থেকে উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় ছুটে বেড়িয়েছেন ওই কৃষি কর্মকর্তা বলে কৃষকরা জানিয়েছেন। উপজেলার পাটনা গ্রামের কৃষক দেবব্রত দাশ এবার ২ একর জমিতে হাইব্রড ধানের চাষ করেছেন, বড়কালিয়া গ্রামের অপূর্বঘোষ ৫ একর জমিতে ব্রি-৮১ ধানের চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন। তারা বলেছেন, ধান কেটে তোলার খবর নিতে দূর্যোগের মধ্যে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বুধবার সকালে তাদের কাছে ছুটে গিয়েছেন। দূর্যোগের সতর্কবার্তা জারির পর কৃষি কর্মকতার তাকিদ ও তদারকিতে ইতি মধ্যেই ৯৯ ভাগ কৃষক তাদের ক্ষেতের ধান কেটে তুলেতে পেরেছেন বলে তারা জানিয়েছেন। গোবিন্দ নগর গ্রামের শিবপদ রায় বলেছেন, বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস মাথায় করে বুধবার দুপুরে কৃষি কর্মকর্তা তার সবজী ক্ষেতে গিয়ে ক্ষেত সুরক্ষার তাগিদ ও পরামর্শ দিয়ে গেছেন। উপজেলা কুষি কর্মকর্তা সুবির কুমার বিশ্বাস বলেছেন, উপজেলায় আবাদকৃত ১৬ হাজার ৫০০হেক্টর জমির মধ্যে ১৬ হাজার ৩৭০ হেক্টর জমির ধান কেটে তোলা হয়েছে। আর উপজেলার ৫৭০ হেক্টর জমির সবজী ক্ষেত রক্ষার জন্য তিনি নিজে চাষীদের ক্ষেতে গিয়ে সবজী ক্ষেত সুরক্ষার পরামর্শ দিয়ে চলেছেন। এর ফলে দূর্যোগ কালে উপজেলার কৃষি ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এবং দূর্যোগ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি কর্মস্থলে থেকে কৃষকদের সাথে যোগযোগ রক্ষা করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ






















