নগরীর চান্দগাঁও থানা এলাকার মোহরা ৫নং ওয়ার্ডের প্রায় তিন লক্ষ মানুষের বসবাস। কালুরঘাট ভারীশিল্প এলাকা হিসাবে এই এলাকায় স্থানীয় লোকদের চেয়ে ভাড়াটিদের সংখ্যা বেশি।
এছাড়া এই এলাকার ৮০ শতাংশ স্থানীয় বাড়িওয়ালারাও ভাড়াটিদের উপর নির্ভরশীল। অনেক বাড়িওয়ালা আছেন ভাড়াটিয়ারা ঘরভাড়া না দিলে তাদের পরিবার চালাতে হিমশিম খেতে হয়।
তবে করোনায় অবরুদ্ধ দেশের এই করুন অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুদান থেকে বঞ্চিত হয়েছে বেশীরভা ভাড়াটিয়া। ব্যক্তিগত ত্রাণ পাবে তো দুরের কথা সরকারি ত্রাণের গন্ধ শুখতেও পায়নি ভাড়াঘরের লোকেরা।
এবিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক এবং মেয়র মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এমনটাই বলছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার গ্লোবাল ডাইরেক্টর ইমদাদুল হক ইমদাদ। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটায় মোহরা ৫নং ওয়ার্ডস্থ মৌলভী বাজার এলাকায় শতাধিক ত্রাণ বঞ্চিত মানুষের উপস্থিতিতে তিনি একথা বলেন।
এসময় ত্রাণ বঞ্চিতরা বলেন, আমাদের এলাকার ভোটার কার্ডের কপি, মোবাইল নাম্বারসহ নাম ঠিকানা নিয়েছে বহুবার, কিন্ত এপর্যন্ত কোন অনুদান বা ত্রাণ পাইনি আমারা। শুনেছি ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাছে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান আসছে কিন্তু সেই ত্রাণসামগ্রী কে বা কাহারা পাইছে আমরা জানিনা।
এসময় প্রতিবাদিরা আরও বলেন, অত্রাঞ্চলে প্রায় ৪লক্ষ স্থায়ী এবং অস্থায়ী নাগরিক রয়েছে, এরমধ্য একটি মহল্লায় আমরা প্রায় ৪’শ গরীব পরিবারে এপর্যন্ত কোন ব্যক্তিগত বা সরকারি সহযোগিতা পাইনি। এদিকে ঘরভাড়ার জন্য স্থানীয় বাড়িওয়ালাদের নিপীড়ন বেড়েগেছে এবং কোন প্রকার ত্রাণ আসলে আত্মীয়স্বজনদের মাঝে তা বিতরণ করা হয় আর আমরা ত্রাণবঞ্চিতরা চেয়ে থাকি যেন আমাদেরকে কেহ কিছু দয়া করে দেন।
ভাড়াটিয়া যেন এইদেশের নাগরিক নয় এই বলে স্থানীয় ত্রাণকর্তাদের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করছিলেন ভাড়াটিয়ারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা আবুল কালাম। এসময় তিনি অত্র এলাকার অধিকার বঞ্চিতদের পাশে এসে দাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ করেন।






















