১০:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডব, লন্ডভন্ড চুয়াডাঙ্গা

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডরে লন্ডভন্ড হয়েগেছে চুয়াডাঙ্গা। বুধবার বিকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত প্রচণ্ড গতিতে ঝড়ো হাওয়ায় সাথে বয়ে যায় মুসলধারে বৃষ্টি । এতে অসংখ্য গাছপালা ভেঙে গেছে। পান বরজ, ভূট্টা ক্ষেত, আম বাগানসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের কারণে শহরের জাফরপুরে সাবগ্রীড স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বুধবার বিকাল থেকে জেলা জুড়ে বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সকাল ১০ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কিছু কিছু ফিডারে বিদ্যুত ব্যবস্হা চালু হয়েছে। অনেকের বন্ধ হয়ে গেছে মোবাইলসহ ইন্টারনেট সংযোগ।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধমকা হাওয়ার সাথে পড়ছে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানাতে পারেননি।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮২ কিলোমিটার। বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১৪৮ মিলিমিটার।

আম্ফানের প্রভাবে বুধবার বিকেল থেকেই জেলাব্যাপী মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। এরপর সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় ঝড়। রাত ৯টার পর প্রচণ্ড গতিতে আঘাত হানে আম্ফান। তান্ডব চলে রাত দেড়টা পর্যন্ত। ঘূর্ণি ঝড়ের কারনে মানুষের ভেতর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঝড়ের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি। ভেঙ্গেগেছে গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভালুকায় বকেয়া বেতন ও বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, লাঠিচার্জে ছত্রভঙ্গ

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডব, লন্ডভন্ড চুয়াডাঙ্গা

প্রকাশিত : ১১:৩৮:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২০

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডরে লন্ডভন্ড হয়েগেছে চুয়াডাঙ্গা। বুধবার বিকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত প্রচণ্ড গতিতে ঝড়ো হাওয়ায় সাথে বয়ে যায় মুসলধারে বৃষ্টি । এতে অসংখ্য গাছপালা ভেঙে গেছে। পান বরজ, ভূট্টা ক্ষেত, আম বাগানসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের কারণে শহরের জাফরপুরে সাবগ্রীড স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বুধবার বিকাল থেকে জেলা জুড়ে বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সকাল ১০ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কিছু কিছু ফিডারে বিদ্যুত ব্যবস্হা চালু হয়েছে। অনেকের বন্ধ হয়ে গেছে মোবাইলসহ ইন্টারনেট সংযোগ।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধমকা হাওয়ার সাথে পড়ছে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানাতে পারেননি।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮২ কিলোমিটার। বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১৪৮ মিলিমিটার।

আম্ফানের প্রভাবে বুধবার বিকেল থেকেই জেলাব্যাপী মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। এরপর সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় ঝড়। রাত ৯টার পর প্রচণ্ড গতিতে আঘাত হানে আম্ফান। তান্ডব চলে রাত দেড়টা পর্যন্ত। ঘূর্ণি ঝড়ের কারনে মানুষের ভেতর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঝড়ের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি। ভেঙ্গেগেছে গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ