১০:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেও ভর্তি সুযোগ পেল না গর্ভবর্তী মা গেটেই সন্তান প্রসব

সাদুল্লাপুর উপজেলার রাশেদা বেগম (৫০) নামের এক গর্ভবর্তী মা প্রসবের জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেও ভর্তি করে নেয়নি চিকিৎসকরা। ফলে ফিরে যাবার মূহূর্তে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেট সংলগ্ন স্থানে সন্তান প্রসব হলো রাশেদার।

ঈদের দিন সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যার দিকে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেটে সংলগ্ন স্থানে রাশেদা বেগম ছেলে সন্তান জন্ম দেন।ওই প্রসূতি উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের জামুডাঙ্গা (ভাঙ্গা বাঁধের মাথা) গ্রামের বাদশা মিয়ার স্ত্রী। স্বজনরা জানান, বাড়িতে থাকা অবস্থায় রাশেদা বেগমের প্রসব বেদনা উঠে। এসময় বিলম্ব না করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা রাশেদাকে ভর্তি করে নেয়নি।

এজন্য চিকিৎসকদের একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও, কর্ণপাত করেনি তারা। নিরুপায় হয়ে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বের হয়ে আসতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেট সংলগ্ন স্থানে রাশেদা বেগমের সন্তান প্রসব হয়। এতে স্থানীয় লোকজন সহযোগিতা করেন রাশেদাকে। সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক রিপন কুমার বর্মণ জানান, অধিক বয়সী গর্ভবর্তীদের প্রসববকালীন সময়ে রক্তক্ষরণ বেশী হয়। এ জন্য রাশেদাকে ভর্তি করে নেওয়া হয়নি। তাকে অন্যত্র ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান

ট্যাগ :

ফাঁকিকৃত ৫৩২ কোটি টাকার আয়কর আদায় করলো আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেও ভর্তি সুযোগ পেল না গর্ভবর্তী মা গেটেই সন্তান প্রসব

প্রকাশিত : ১১:৩১:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

সাদুল্লাপুর উপজেলার রাশেদা বেগম (৫০) নামের এক গর্ভবর্তী মা প্রসবের জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসেও ভর্তি করে নেয়নি চিকিৎসকরা। ফলে ফিরে যাবার মূহূর্তে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেট সংলগ্ন স্থানে সন্তান প্রসব হলো রাশেদার।

ঈদের দিন সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যার দিকে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেটে সংলগ্ন স্থানে রাশেদা বেগম ছেলে সন্তান জন্ম দেন।ওই প্রসূতি উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের জামুডাঙ্গা (ভাঙ্গা বাঁধের মাথা) গ্রামের বাদশা মিয়ার স্ত্রী। স্বজনরা জানান, বাড়িতে থাকা অবস্থায় রাশেদা বেগমের প্রসব বেদনা উঠে। এসময় বিলম্ব না করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা রাশেদাকে ভর্তি করে নেয়নি।

এজন্য চিকিৎসকদের একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও, কর্ণপাত করেনি তারা। নিরুপায় হয়ে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বের হয়ে আসতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেট সংলগ্ন স্থানে রাশেদা বেগমের সন্তান প্রসব হয়। এতে স্থানীয় লোকজন সহযোগিতা করেন রাশেদাকে। সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক রিপন কুমার বর্মণ জানান, অধিক বয়সী গর্ভবর্তীদের প্রসববকালীন সময়ে রক্তক্ষরণ বেশী হয়। এ জন্য রাশেদাকে ভর্তি করে নেওয়া হয়নি। তাকে অন্যত্র ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান