০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

তৃতীয় দিনে শিক্ষকদের অনশনে অসুস্থ ৪০

বেতন স্কেলে বৈষম্য দূর করার দাবিতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের আমরণ অনশনের তৃতীয় দিনে অসুস্থ হওয়ার সংখ্যাও বাড়ছে। সোমবার পর্যন্ত সহকারী শিক্ষকদের আমরণ অনশনে ৪০জন শিক্ষক অসুস্থ হয়েছেন।

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শনিবার সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোটের ডাকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। সহকারী শিক্ষকদের আটটি সংগঠন এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে। সংগঠনের নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা অনশন চালিয়ে যাবেন।

আন্দোলনকারী বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোটের একজন নেতা মোহাম্মদ সামছুদ্দীন বলেন, আজ পর্যন্ত প্রায় ৪০ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৭জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। আর কয়েকজন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি বলেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে।

বেতন বৈষম্য নিরসণের দাবিতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের আমরণ অনশন কর্মসূচি চলছে।

শনিবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আজ তৃতীয় দিনেও দেখা গেছে, অসংখ্য শিক্ষক কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে অনশন পালন করছেন। অনেকে এই শীতের রাতেও এখানে অবস্থান করেছেন।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার এক নারী শিক্ষক প্রথম আলোকে বলেন, শনিবার থেকে তিনি এখানেই পলিথিনের নিচে থাকছেন। তিন দিন ধরে তিনি এক কাপড়েই আছেন।

শিক্ষকেরা বলছেন, তাঁরা এক দফা দাবিতে এখানে আন্দোলন করছেন। তাঁদের দাবি, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বেতনস্কেল প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের এক ধাপ নিচে রাখতে হবে। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকদের চেয়ে তিন ধাপ নিচের স্কেলে বেতন পান প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকেরা। বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকেরা বেতন স্কেলের ১১ তম গ্রেডে (এই গ্রেড শুরুর মূল বেতন ১২,৫০০ টাকা) বেতন পান। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকেরা পান ১৪ তম গ্রেডে (এই গ্রেডের শুরুর মূল বেতন ১০,২০০ টাকা)।

শিক্ষকদের এই আন্দোলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এসে সংহতি জানাচ্ছেন। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্সসহ কয়েকজন সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।

>>চলছে শিক্ষকদের তৃতীয় দিনের অনশন

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

তৃতীয় দিনে শিক্ষকদের অনশনে অসুস্থ ৪০

প্রকাশিত : ০২:২১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭

বেতন স্কেলে বৈষম্য দূর করার দাবিতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের আমরণ অনশনের তৃতীয় দিনে অসুস্থ হওয়ার সংখ্যাও বাড়ছে। সোমবার পর্যন্ত সহকারী শিক্ষকদের আমরণ অনশনে ৪০জন শিক্ষক অসুস্থ হয়েছেন।

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শনিবার সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোটের ডাকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। সহকারী শিক্ষকদের আটটি সংগঠন এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে। সংগঠনের নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা অনশন চালিয়ে যাবেন।

আন্দোলনকারী বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোটের একজন নেতা মোহাম্মদ সামছুদ্দীন বলেন, আজ পর্যন্ত প্রায় ৪০ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৭জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। আর কয়েকজন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি বলেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে।

বেতন বৈষম্য নিরসণের দাবিতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের আমরণ অনশন কর্মসূচি চলছে।

শনিবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আজ তৃতীয় দিনেও দেখা গেছে, অসংখ্য শিক্ষক কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে অনশন পালন করছেন। অনেকে এই শীতের রাতেও এখানে অবস্থান করেছেন।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার এক নারী শিক্ষক প্রথম আলোকে বলেন, শনিবার থেকে তিনি এখানেই পলিথিনের নিচে থাকছেন। তিন দিন ধরে তিনি এক কাপড়েই আছেন।

শিক্ষকেরা বলছেন, তাঁরা এক দফা দাবিতে এখানে আন্দোলন করছেন। তাঁদের দাবি, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বেতনস্কেল প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের এক ধাপ নিচে রাখতে হবে। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকদের চেয়ে তিন ধাপ নিচের স্কেলে বেতন পান প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকেরা। বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকেরা বেতন স্কেলের ১১ তম গ্রেডে (এই গ্রেড শুরুর মূল বেতন ১২,৫০০ টাকা) বেতন পান। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকেরা পান ১৪ তম গ্রেডে (এই গ্রেডের শুরুর মূল বেতন ১০,২০০ টাকা)।

শিক্ষকদের এই আন্দোলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এসে সংহতি জানাচ্ছেন। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্সসহ কয়েকজন সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।

>>চলছে শিক্ষকদের তৃতীয় দিনের অনশন