ভয়াল সুপার সাইক্লোন ‘আম্ফান’র আঘাতে লণ্ডভণ্ড হওয়া খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রার ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ মেরামতে তরুণ-যুব সমাজের ভূমিকাকে এভাবেই তুলে ধরেছেন স্থানীয় সংবাদকর্মী। তিনি তার ফেসবুক আইডিতে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এসব তরুণ যোদ্ধাদের।
এদিকে, তরুণ যোদ্ধাদের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে ইতোমধ্যেই আলোচিত হরিণখোলাসহ কয়রার ১১টি বেড়িবাঁধ মেরামত করা সম্ভব হয়েছে। তবে, ২/১টি বাঁধ নদীতে জোয়ারের পানির তোড়ে পুনরায় ধসে গেছে এবং আরও কয়েকটি ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে কয়রা উপজেলার হরিণখোলাসহ ১৪টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে যায়। এতে ৪২টি গ্রাম প্লাবিত হয়।
সংবাদকর্মী হারুন-অর-রশীদ তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘যারা পেছনে থেকে শক্তি ও সাহস জুগিয়েছেন তাদের জানাই অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। বিশেষ করে আমাদের এমপি ও কয়রা উপজেলা পরিষদের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানকে। যারা কয়রার মানুষের দুর্দশা লাঘবে তরুণদের কাজে উৎসাহ ও প্রেরণা জুগিয়েছেন।

যেসব তরুণ যোদ্ধা দুর্গত মানুষকে উদ্ধারে দিনরাত কাজ করেছেন- তারা হলেন কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের নেতা ইমতিয়াজ উদ্দীন, স্বাধীন সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আবু সাঈদ খান, মানব কল্যাণ ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা আল আমীন ফরহাদ, হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ধীরাজ রায়, তরুণ ছাত্রনেতা ইমরান হোসেন জাকি প্রমুখ। অসুস্থ থাকা স্বত্বেও বাঁধ মেরামতে এগিয়ে এসেছেন তরণ ছাত্রনেতা শরিফুল আলম টিংকু। এভাবে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আমাদের কয়রা উপজেলা। আসুন মানুষের জন্য রাজনীতি করি।’
একই পোস্টের কমেন্টসে ইমরান হোসাইন নামে একজন লিখিছেন, ‘আসুন মানুষের জন্য রাজনীতি করি…এটাই আমাদের একমাত্র চাওয়া।’ মোস্তফা ইমরান রাজু লিখিছেন, আলহামদুলিল্লাহ। এই তরুণদের জন্য শুভকামনা। এরাই কয়রার আগামী, এরাই বদলে দেবে কয়রাকে।’
সেলিম রেজা বকুল লিখেছেন, ‘তরুণ যোদ্ধাদের জন্য প্রাণঢালা ভালোবাসা।’ আনোয়ার হোসাইন লিখিছেন, ‘এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার সময় তার। আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি।’
এভাবেই অনেকের প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন তরুণ যোদ্ধারা।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















