০৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

জুনের আগে এনজিও কর্মীরা ঋণ আদায় না করার জন্য অনুরোধ

সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে বিভিন্ন বেসরকারি এনজিও বা সংস্থার কর্মীরা কিস্তি আদায়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সকাল হলেই বিভিন্ন গ্রামের পাড়া ও মহল্লায় ছুটছেন তারা।

অথচ সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ৩০ জুনের আগে কোন এনজিও বা স্ংস্থা ঋণের কিস্তি আদায় করতে পারবে না।

নিদের্শনা অমান্য করে কোন এনজিও কর্মীরা কিস্তি আদায়ে বেপরোয়া হচ্ছে। এর জন্য একটি মনিটরিং সেলও খোলা হয়েছে।

কিন্তু কুমারখালী উপজেলায় বিশেষ করে বেসরকারী সংস্থা বিভিন্ন এনজিও’র কর্মীরা ঈদের পর থেকেই পাড়া গ্রামে গিয়ে কিস্তি আদায় শুরু করেছে।

স¤প্রতি সরকারিভাবে অঘোষিত লকডাউন শিথিল করার পর থেকে পুরোদমে এনজিওগুলো তাদের অফিস খুলে যথারীতি কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেছে।

ফলে এনজিওর কর্মীরা প্রত্যেক গ্রাম ও পাড়া মহল্লায় গিয়ে ঋণ গ্রহীতাদের কাছ থেকে কিস্তি আদায় শুরু করেছেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টার দিকে তানোর সদরের কয়েকটি এনজিও অফিসে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে এমন দৃশ্য।

অফিসগুলো পূর্বের ন্যায় খোলা রয়েছে, অফিস সহকারীরা অফিস পাহারা দিচ্ছেন আর কর্মীরা মাঠে গিয়ে কিস্তি আদায় করছেন বলে জানা যায়।

তবে এ বিষয়ে কুমারখালি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন আগামী ৩০ জুনের আগে কোন এনজিও কর্মি ঋনগ্রহীতাদের নিকট থেকে জোরপূর্বক ঋন আদায় করতে পারবেনা।

বিভিন্ন এনজিও কর্মিদের সাথে আলাপ আলোচনা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় প্রত্যেক এনজিও বা সংস্থার কর্মীরা ঈদের পর থেকেই কিস্তি আদায়ে মাঠে নেমেছেন।

তারা নিজ নিজ সদস্যদের বাড়িতে গিয়ে কিস্তি আদায়ে বিভিন্ন ভয়ভীতিসহ চাপ প্রয়োগ করে করছেন।

এতে কোন সদস্য কিস্তি দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন এনজি কর্মীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক ঋণ গ্রহিতা জানান, এনজিও কর্মীদের ঋণের কিস্তি না দিলে পরবর্তীতে আর ঋণ পাওয়া যাবে না।

একারণেই ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধের চেষ্টার পাশাপাশি এনজিও কর্মীদের কথা শুনতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকে।

এ বিষয়ে নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি এনজিও’র ম্যানেজার বলেন, উপরের নির্দেশে কিস্তি আদায় শুরু করা হয়েছে।

ক্ষমতার পালাবদলে পুশ ইনের ঘটনা ঘটলে ব‍্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুনের আগে এনজিও কর্মীরা ঋণ আদায় না করার জন্য অনুরোধ

প্রকাশিত : ০২:১১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০

সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে বিভিন্ন বেসরকারি এনজিও বা সংস্থার কর্মীরা কিস্তি আদায়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সকাল হলেই বিভিন্ন গ্রামের পাড়া ও মহল্লায় ছুটছেন তারা।

অথচ সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ৩০ জুনের আগে কোন এনজিও বা স্ংস্থা ঋণের কিস্তি আদায় করতে পারবে না।

নিদের্শনা অমান্য করে কোন এনজিও কর্মীরা কিস্তি আদায়ে বেপরোয়া হচ্ছে। এর জন্য একটি মনিটরিং সেলও খোলা হয়েছে।

কিন্তু কুমারখালী উপজেলায় বিশেষ করে বেসরকারী সংস্থা বিভিন্ন এনজিও’র কর্মীরা ঈদের পর থেকেই পাড়া গ্রামে গিয়ে কিস্তি আদায় শুরু করেছে।

স¤প্রতি সরকারিভাবে অঘোষিত লকডাউন শিথিল করার পর থেকে পুরোদমে এনজিওগুলো তাদের অফিস খুলে যথারীতি কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেছে।

ফলে এনজিওর কর্মীরা প্রত্যেক গ্রাম ও পাড়া মহল্লায় গিয়ে ঋণ গ্রহীতাদের কাছ থেকে কিস্তি আদায় শুরু করেছেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টার দিকে তানোর সদরের কয়েকটি এনজিও অফিসে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে এমন দৃশ্য।

অফিসগুলো পূর্বের ন্যায় খোলা রয়েছে, অফিস সহকারীরা অফিস পাহারা দিচ্ছেন আর কর্মীরা মাঠে গিয়ে কিস্তি আদায় করছেন বলে জানা যায়।

তবে এ বিষয়ে কুমারখালি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন আগামী ৩০ জুনের আগে কোন এনজিও কর্মি ঋনগ্রহীতাদের নিকট থেকে জোরপূর্বক ঋন আদায় করতে পারবেনা।

বিভিন্ন এনজিও কর্মিদের সাথে আলাপ আলোচনা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় প্রত্যেক এনজিও বা সংস্থার কর্মীরা ঈদের পর থেকেই কিস্তি আদায়ে মাঠে নেমেছেন।

তারা নিজ নিজ সদস্যদের বাড়িতে গিয়ে কিস্তি আদায়ে বিভিন্ন ভয়ভীতিসহ চাপ প্রয়োগ করে করছেন।

এতে কোন সদস্য কিস্তি দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন এনজি কর্মীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক ঋণ গ্রহিতা জানান, এনজিও কর্মীদের ঋণের কিস্তি না দিলে পরবর্তীতে আর ঋণ পাওয়া যাবে না।

একারণেই ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধের চেষ্টার পাশাপাশি এনজিও কর্মীদের কথা শুনতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকে।

এ বিষয়ে নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি এনজিও’র ম্যানেজার বলেন, উপরের নির্দেশে কিস্তি আদায় শুরু করা হয়েছে।