০৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

বাবার চোখের সামনে ছেলের মৃত্যু, এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারলো না মাজেদুর

বুক ভরা স্বপ্ন আর মন ভরা আশা নিয়ে একমাত্র ছেলেকে লেখা পড়া করাচ্ছিলেন বাবা। ছেলের পড়াশোনা শেষে মানুষের মতো মানুষ হয়ে পরিবারের হাল ধরবে। আগামী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিলো তার। পরীক্ষার প্রস্তুতিও নেওয়া ছিলো। কিন্তু ভার্গ্যরে নির্মম পরিহাস বাবার চোখের সামনেই পলকের মধ্যে বুক ভরা স্বপ্ন দূর্স্বপ্নে পরিণত হয়। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুরের পাকুল্লা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এইচএসসি পরিক্ষার্থী মো. মাজেদুর রহমানের (২০) মৃত্যু হয়। তিনি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বারড়া ইউনিয়নের উরাডাব গ্রামের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক মো. শহীদুল ইসলামের ছেলে ও দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিন এলাকায় অবস্থিত মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ডিগ্রি কলেজের ব্যবসায়িক শাখার ছাত্র।
মাজেদুর ইসলামের ভগ্নিপতি সোহেল রানা বলেন, একা হওয়ায় মাজেদুর সকলের খুব আদরের ছিলো। আমার শ্বশুড় শহিদুল ইসলাম অনেক স্বপ্ন নিয়ে তাকে লেখা পড়া করিয়েছিলো। আগামী এইচএসসি পরীক্ষা তার অংশ নেওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া হলো না তার। বৃহস্পতিবার সকালে ব্যবসায়িক কাজে আমার শ্বশুড় শহিদুল ইসলামকে মোটরসাইকেলে পিছনে তুলে কোনাবাড়ি দিকে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। এভাবে মাজেদুরকে হারাতে হবে তা কখনো কল্পনাও করিনি। আমি ঘাতক বাসের চালক, হেলপাড়ের শাস্তি দাবি করছি।
গোড়াই হাইওয়ে থানার এসআই শহিদুল ইসলাম বলেন, পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা কনক পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ভ ১৪-২৬২১) ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো। মির্জাপুরের পাকুল্লা এলাকায় ওই মোটর সাইকেলটিকে পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। পরে মোটর সাইকেলের চালক মাজেদুর বাসের চাকার নিচে পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ঘটনায় মাজেদুর রহমানের বাবা শহিদুল ইসলাম আহত হয়। বাসটিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। মাজেদুরের লাশ আইনি পক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান

ক্ষমতার পালাবদলে পুশ ইনের ঘটনা ঘটলে ব‍্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাবার চোখের সামনে ছেলের মৃত্যু, এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারলো না মাজেদুর

প্রকাশিত : ১২:১৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০

বুক ভরা স্বপ্ন আর মন ভরা আশা নিয়ে একমাত্র ছেলেকে লেখা পড়া করাচ্ছিলেন বাবা। ছেলের পড়াশোনা শেষে মানুষের মতো মানুষ হয়ে পরিবারের হাল ধরবে। আগামী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিলো তার। পরীক্ষার প্রস্তুতিও নেওয়া ছিলো। কিন্তু ভার্গ্যরে নির্মম পরিহাস বাবার চোখের সামনেই পলকের মধ্যে বুক ভরা স্বপ্ন দূর্স্বপ্নে পরিণত হয়। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুরের পাকুল্লা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এইচএসসি পরিক্ষার্থী মো. মাজেদুর রহমানের (২০) মৃত্যু হয়। তিনি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বারড়া ইউনিয়নের উরাডাব গ্রামের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক মো. শহীদুল ইসলামের ছেলে ও দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিন এলাকায় অবস্থিত মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ডিগ্রি কলেজের ব্যবসায়িক শাখার ছাত্র।
মাজেদুর ইসলামের ভগ্নিপতি সোহেল রানা বলেন, একা হওয়ায় মাজেদুর সকলের খুব আদরের ছিলো। আমার শ্বশুড় শহিদুল ইসলাম অনেক স্বপ্ন নিয়ে তাকে লেখা পড়া করিয়েছিলো। আগামী এইচএসসি পরীক্ষা তার অংশ নেওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া হলো না তার। বৃহস্পতিবার সকালে ব্যবসায়িক কাজে আমার শ্বশুড় শহিদুল ইসলামকে মোটরসাইকেলে পিছনে তুলে কোনাবাড়ি দিকে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। এভাবে মাজেদুরকে হারাতে হবে তা কখনো কল্পনাও করিনি। আমি ঘাতক বাসের চালক, হেলপাড়ের শাস্তি দাবি করছি।
গোড়াই হাইওয়ে থানার এসআই শহিদুল ইসলাম বলেন, পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা কনক পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ভ ১৪-২৬২১) ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো। মির্জাপুরের পাকুল্লা এলাকায় ওই মোটর সাইকেলটিকে পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। পরে মোটর সাইকেলের চালক মাজেদুর বাসের চাকার নিচে পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ঘটনায় মাজেদুর রহমানের বাবা শহিদুল ইসলাম আহত হয়। বাসটিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। মাজেদুরের লাশ আইনি পক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান