০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

মহামারী করোনার পাশাপাশি ডেঙ্গু মোকাবেলায় মিতুল হাকিমের মশক নিধন অভিযান

বর্তমান বিশ্বব্যাপি মহামারী করোনা ভাইরাসের পাশাপাশি ডেঙ্গু মোকাবেলায় এডিস মশা নিধন অভিযানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপির পুত্র জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আশিক মাহমুদ মিতুল।
৩০ মে ২০২০ ইং তারিখে  পাংশা উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন এমপি পুত্র আশিক মাহমুদ মিতুল।শুভ-উদ্বোধনের দিন থেকেই এডিস মশা নিধনে ২টি ফগার মেশিন ও ৬টি স্প্রে মেশিন দিয়ে জীবানুনাশক ঔষধ স্প্রে করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলছে। ওয়ার্ডভিত্তিক প্রতিদিন মশক নিধন অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। মশক নিধন অভিযান পাংশা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জালাল উদ্দিন বিশ্বাস ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ শাহিদুল ইসলাম মারুফ প্রতিনিয়ত তদারকী করছেন।
পাংশা পৌরসভা এলাকায় ডেঙ্গু থেকে পৌর নাগরিককে বাঁচাতে আশিক মাহমুদ মিতুলের এ উদ্যোগে পৌরবাসী খুবই উপকৃত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। পাংশার একাধিক পৌরবাসী এ প্রতিনিধিকে জানান, পৌরসভা এলাকায় ইতিপূর্বে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এমন উদ্যোগ আগে কখনও দেখা যায়নি। এ এলাকার প্রাণের মানুষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপির সুযোগ্য পুত্র আশিক মাহমুদ মিতুল এ উদ্যোগ গ্রহণ করায় আমরা দারুণ উপকৃত হচ্ছি। করোনা ভাইরাস মোকাবেলার পাশাপাশি তিনি ডেঙ্গু থেকে মানুষকে বাঁচাতে একজন সত্যিকারের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
তার প্রতি সত্যিই আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ।
আশিক মাহমুদ মিতুল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন। পাংশা-কালুখালী-বালিয়াকান্দি উপজেলার কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ থেকে শুরু করে ভ্রাম্যমান চিকিৎসা সেবা চালু করেন।
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় তার উদ্যোগ মানুষের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চাপের পাশাপাশি হাসপাতাল গুলোতে যাতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ না পড়ে সেই লক্ষ্যে মশক নিধন কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন তিনি। তার নিজস্ব অর্থায়নে তিনি এ সকল কর্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। যার কারনে তিনি মানবতার ফেরিওয়ালা নামে আখ্যায়িত হয়েছেন এবং পাংশা উপজেলার প্রতিটা মানুষের ভালোবাসার মানুষ হিসেবে জায়গা  করে নিয়েছেন। মশক নিধন অভিযান পাংশা পৌরসভা সহ উপজেলার সকল ইউনিয়ন এবং পর্যায়ক্রমে কালুখালী ও বালিয়াকান্দি উপজেলায় চলবে কোথাও  বাদ যাবে না মশক নিধন অভিযান, এটা প্রতিনিয়ত চলমান থাকবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ
ট্যাগ :

ক্ষমতার পালাবদলে পুশ ইনের ঘটনা ঘটলে ব‍্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মহামারী করোনার পাশাপাশি ডেঙ্গু মোকাবেলায় মিতুল হাকিমের মশক নিধন অভিযান

প্রকাশিত : ০৭:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০
বর্তমান বিশ্বব্যাপি মহামারী করোনা ভাইরাসের পাশাপাশি ডেঙ্গু মোকাবেলায় এডিস মশা নিধন অভিযানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপির পুত্র জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আশিক মাহমুদ মিতুল।
৩০ মে ২০২০ ইং তারিখে  পাংশা উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন এমপি পুত্র আশিক মাহমুদ মিতুল।শুভ-উদ্বোধনের দিন থেকেই এডিস মশা নিধনে ২টি ফগার মেশিন ও ৬টি স্প্রে মেশিন দিয়ে জীবানুনাশক ঔষধ স্প্রে করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলছে। ওয়ার্ডভিত্তিক প্রতিদিন মশক নিধন অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। মশক নিধন অভিযান পাংশা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জালাল উদ্দিন বিশ্বাস ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ শাহিদুল ইসলাম মারুফ প্রতিনিয়ত তদারকী করছেন।
পাংশা পৌরসভা এলাকায় ডেঙ্গু থেকে পৌর নাগরিককে বাঁচাতে আশিক মাহমুদ মিতুলের এ উদ্যোগে পৌরবাসী খুবই উপকৃত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। পাংশার একাধিক পৌরবাসী এ প্রতিনিধিকে জানান, পৌরসভা এলাকায় ইতিপূর্বে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এমন উদ্যোগ আগে কখনও দেখা যায়নি। এ এলাকার প্রাণের মানুষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপির সুযোগ্য পুত্র আশিক মাহমুদ মিতুল এ উদ্যোগ গ্রহণ করায় আমরা দারুণ উপকৃত হচ্ছি। করোনা ভাইরাস মোকাবেলার পাশাপাশি তিনি ডেঙ্গু থেকে মানুষকে বাঁচাতে একজন সত্যিকারের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
তার প্রতি সত্যিই আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ।
আশিক মাহমুদ মিতুল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন। পাংশা-কালুখালী-বালিয়াকান্দি উপজেলার কর্মহীন মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ থেকে শুরু করে ভ্রাম্যমান চিকিৎসা সেবা চালু করেন।
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় তার উদ্যোগ মানুষের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চাপের পাশাপাশি হাসপাতাল গুলোতে যাতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ না পড়ে সেই লক্ষ্যে মশক নিধন কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন তিনি। তার নিজস্ব অর্থায়নে তিনি এ সকল কর্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। যার কারনে তিনি মানবতার ফেরিওয়ালা নামে আখ্যায়িত হয়েছেন এবং পাংশা উপজেলার প্রতিটা মানুষের ভালোবাসার মানুষ হিসেবে জায়গা  করে নিয়েছেন। মশক নিধন অভিযান পাংশা পৌরসভা সহ উপজেলার সকল ইউনিয়ন এবং পর্যায়ক্রমে কালুখালী ও বালিয়াকান্দি উপজেলায় চলবে কোথাও  বাদ যাবে না মশক নিধন অভিযান, এটা প্রতিনিয়ত চলমান থাকবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ