১০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় ‘কথিত’ বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের সঙ্গে ‘কথিত’ বন্দুকযুদ্ধে কেতু (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

তিনি পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (লাল পতাকা) আরিফ গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড ও সদর উপজেলার আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের শওকতের ছেলে।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবিব জানান, কেতুকে সোমবার সকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে আটক করা হয়। সেখান থেকে তাকে চুয়াডাঙ্গায় সদর থানায় আনা হয়। মঙ্গলবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে অস্ত্র ও গোলাবারুদ তার হেফাজতে রয়েছে বলে স্বীকার করে।

এরপর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মঙ্গলবার রাতে তাকে নিয়ে পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য বের হয়। পুলিশ কেতুকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গার আলুকদিয়া কানাপুকুর এলাকায় পৌঁছালে ১৫ থেকে ১৬ জনের একদল অস্ত্রধারী পুলিশের গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এসময় কেতু পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করলে সে গুলিবিদ্ধ হয়। উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কেতুকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি এলজি সাটারগান, দুই রাউন্ড বন্ধুকের গুলি ও ছয়টি বোমা এবং ছয়টি চাপাতি উদ্ধার করেছে।

তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবিব আরো জানান, কেতুর বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১০ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গার আকুন্দবাড়িয়ার চাঞ্চল্যকর জাকারিয়া সাধু হত্যাকাণ্ডসহ তিনটি হত্যা ও দুটি চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় ‘কথিত’ বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১

প্রকাশিত : ০৯:২৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের সঙ্গে ‘কথিত’ বন্দুকযুদ্ধে কেতু (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

তিনি পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (লাল পতাকা) আরিফ গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড ও সদর উপজেলার আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের শওকতের ছেলে।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবিব জানান, কেতুকে সোমবার সকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে আটক করা হয়। সেখান থেকে তাকে চুয়াডাঙ্গায় সদর থানায় আনা হয়। মঙ্গলবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে অস্ত্র ও গোলাবারুদ তার হেফাজতে রয়েছে বলে স্বীকার করে।

এরপর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মঙ্গলবার রাতে তাকে নিয়ে পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য বের হয়। পুলিশ কেতুকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গার আলুকদিয়া কানাপুকুর এলাকায় পৌঁছালে ১৫ থেকে ১৬ জনের একদল অস্ত্রধারী পুলিশের গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এসময় কেতু পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করলে সে গুলিবিদ্ধ হয়। উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কেতুকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি এলজি সাটারগান, দুই রাউন্ড বন্ধুকের গুলি ও ছয়টি বোমা এবং ছয়টি চাপাতি উদ্ধার করেছে।

তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবিব আরো জানান, কেতুর বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১০ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গার আকুন্দবাড়িয়ার চাঞ্চল্যকর জাকারিয়া সাধু হত্যাকাণ্ডসহ তিনটি হত্যা ও দুটি চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে।