০৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

চাঁদপুরে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের জন্যে একটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

১৩ জুন শনিবার চাঁদপুর জেলা করোনা বিষয়ক প্রতিরোধ কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এ ঘোষণা দেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চাঁদপুরের হাসপাতালটির জন্যে একটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট ম্যানেজ করেছি। তবে এটি বিদেশ থেকে এনে এখানে স্থাপন করতে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগবে। করোনা চলে গেলেও এই সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্টটি সব সময়ের জন্যেই কাজে লাগবে। বিশেষ করে আইসিইউর জন্যে তো অবশ্যই এটি লাগবে।

তিনি বলেন, এই সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্টটি আপাতত সদর হাসপাতালের ৩০ শয্যা কভার করার মতো ক্যাপাসিটির হবে। পরবর্তীতে এটিকে আরো বাড়ানো যাবে।

এদিকে করোনা পরিস্থিতিতে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হয়েছে। প্রতিদিনই সেখানে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তি হচ্ছেন এবং মারা যাচ্ছেন। যাদের শ্বাস-প্রশ্বাসে খুবই সমস্যা হচ্ছে, তখন তাদের সিলিন্ডার অক্সিজেনে কভার করে না। ফলে হাসপাতালে ভর্তির ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যেই রোগী মারা যায়। সে কারণে প্রথমে হাসপাতালের ডাক্তারদের থেকেই দাবি ওঠে হাসপাতালে একটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপনের।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

চাঁদপুরে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৫:৩১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২০

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের জন্যে একটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

১৩ জুন শনিবার চাঁদপুর জেলা করোনা বিষয়ক প্রতিরোধ কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এ ঘোষণা দেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চাঁদপুরের হাসপাতালটির জন্যে একটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট ম্যানেজ করেছি। তবে এটি বিদেশ থেকে এনে এখানে স্থাপন করতে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগবে। করোনা চলে গেলেও এই সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্টটি সব সময়ের জন্যেই কাজে লাগবে। বিশেষ করে আইসিইউর জন্যে তো অবশ্যই এটি লাগবে।

তিনি বলেন, এই সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্টটি আপাতত সদর হাসপাতালের ৩০ শয্যা কভার করার মতো ক্যাপাসিটির হবে। পরবর্তীতে এটিকে আরো বাড়ানো যাবে।

এদিকে করোনা পরিস্থিতিতে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হয়েছে। প্রতিদিনই সেখানে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তি হচ্ছেন এবং মারা যাচ্ছেন। যাদের শ্বাস-প্রশ্বাসে খুবই সমস্যা হচ্ছে, তখন তাদের সিলিন্ডার অক্সিজেনে কভার করে না। ফলে হাসপাতালে ভর্তির ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যেই রোগী মারা যায়। সে কারণে প্রথমে হাসপাতালের ডাক্তারদের থেকেই দাবি ওঠে হাসপাতালে একটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপনের।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার