০৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

ক্ষমা চাইলো আনন্দবাজার

একটি প্রতিবেদনে ‘খয়রাতি’ শব্দ ব্যবহার করার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা। মঙ্গলবার ‘ভ্রম সংশোধন’ শিরোনামে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ক্ষমা চায় পত্রিকাটির কর্তৃপক্ষ।

আনন্দবাজার লিখেছে, ‘লাদাখের পরে ঢাকাকে পাশে টানছে বেজিং’ শীর্ষক খবরে ‘খয়রাতি’ শব্দের ব্যবহারে অনেক পাঠক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত ও নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থী।

গত ২০শে জুন আনন্দবাজার পত্রিকায় ‘লাদাখের পরে ঢাকাকে পাশে টানছে বেজিং’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনের শুরুতেই ‘বাণিজ্যিক লগ্নি আর খয়রাতির সাহায্য ছড়িয়ে বাংলাদেশকে পাশে পাওয়ার চেষ্টা চীনের নতুন নয়’ বলে লেখা হয়। এ নিয়ে বাংলাদেশের অনেক নাগরিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে আনন্দবাজার পত্রিকার বিরুদ্ধে নানা সমালোচনা করছেন।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ক্ষমা চাইলো আনন্দবাজার

প্রকাশিত : ০৫:৫০:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২০

একটি প্রতিবেদনে ‘খয়রাতি’ শব্দ ব্যবহার করার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা। মঙ্গলবার ‘ভ্রম সংশোধন’ শিরোনামে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ক্ষমা চায় পত্রিকাটির কর্তৃপক্ষ।

আনন্দবাজার লিখেছে, ‘লাদাখের পরে ঢাকাকে পাশে টানছে বেজিং’ শীর্ষক খবরে ‘খয়রাতি’ শব্দের ব্যবহারে অনেক পাঠক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত ও নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থী।

গত ২০শে জুন আনন্দবাজার পত্রিকায় ‘লাদাখের পরে ঢাকাকে পাশে টানছে বেজিং’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনের শুরুতেই ‘বাণিজ্যিক লগ্নি আর খয়রাতির সাহায্য ছড়িয়ে বাংলাদেশকে পাশে পাওয়ার চেষ্টা চীনের নতুন নয়’ বলে লেখা হয়। এ নিয়ে বাংলাদেশের অনেক নাগরিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে আনন্দবাজার পত্রিকার বিরুদ্ধে নানা সমালোচনা করছেন।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ