মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন জানিয়েছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য কয়েকটি দেশের সঙ্গে জোট গঠন করছে আমেরিকা। মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপকভাবে ইরানের হুমকি মোকাবেলায় এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমসে আজ (বৃহস্পতিবার) প্রকাশিত এক মন্তব্য কলামে এসব কথা জানিয়েছেন টিলারসন। এতে তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। টিলারসন বলেছেন, “পরমাণু সমঝোতা এখন আর আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয় বরং এখন আমরা ইরানের সামগ্রিক ঝুঁকির বিরুদ্ধে লড়াই করছি।”
মার্কিন ও মিত্রদের সমর্থন সিরিয়াকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছে উগ্র সন্ত্রাসীরা।
টিলারসন বলেন, “এই কৌশলের অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের মিত্রদের সঙ্গে জোট পুনর্গঠন করার পরিকল্পনা করেছি এবং নভেম্বর মাসে ইরাক ও সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছি।”
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা মিত্রদেশ ও কংগ্রেসের সঙ্গে কাজ করা অব্যাহত রাখব যাতে ইরানের সঙ্গে সই হওয়া পরামণু সমঝোতার নানা ত্রুটি ও দুর্বলতা চিহ্নিত করা যায়; পাশাপাশি ইরান পরমাণু সমঝোতা লঙ্ঘন করলে এবং মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তুললে যাতে তেহরানকে শাস্তি দেয়া যায় সেজন্য সমমনা মিত্রদের সঙ্গে জোট বাধার কাজ চলছে।”
ইয়েমেনকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করে দিচ্ছে সৌদি ও তার মিত্ররা,
টিলারসন এই দাবি করলেও বাস্তবতা হচ্ছে- ইরাক ও সিরিয়া যুদ্ধে আমেরিকা, সৌদি আরব ও ইহুদিবাদী ইসরাইল নানা কৌশলে সন্ত্রাসীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং তারাই মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। আর ইয়েমেনে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি আরব দেশ সামরিক আগ্রাসন চালাচ্ছে এবং আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্স তাতে অস্ত্র এবং সামরিক প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করছে। মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে এসব দেশের নেতিবাচক পরিকল্পনা নস্যাৎ করার কাজ করছে ইরান। ফলে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা, ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ জোটবদ্ধ হয়েছে।
























