০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

ভেজাল ঘি বিক্রির দায়ে আগোরা চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড

ভেজাল ঘি বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুটি মামলায় আগোরা সুপারশপের চেয়ারম্যান নিয়াজ রহিমকে কারাবাস ও আর্থিক দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক বিশেষ মহানগর হাকিম মো. মাহবুব সোবহানী দুটি মামলায় এই রায় দেন।

মামলা দুটির প্রত্যেকটিতে এক বছর করে কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রায় ঘোষণার পরপরই নিয়াজ রহিমকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা যায়, ২০০৮ সালে আগোরার মগবাজার বিক্রয়কেন্দ্র থেকে ‘কুষ্টিয়ার স্পেশাল গাওয়া ঘি’ জব্দ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে নমুনা পরীক্ষায় তাতে ভেজাল পাওয়া যায়। এ কারণে আগোরার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়াজ রহিমের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এছাড়া কুষ্টিয়ার সেই ঘিয়ের উৎপাদক আবদুল কুদ্দুসকেও আসামি করা হয়। একই বছরে সুপারশপটিতে বিক্রি হওয়া অনিল ঘোষের ‘স্পেশাল বাঘাবাড়ির ঘি’তে ভেজাল পাওয়া গেছে অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়।

প্রথম মামলার আসামি আবদুল কুদ্দুস দোষ স্বীকার করে নেন। কিন্তু নিয়াজ রহিম মামলাটির বিরুদ্ধে আপিল বিভাগ পর্যন্ত গেলেও ব্যর্থ হন।

যার পরিপ্রেক্ষিতে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে এ মামলার বিচার শুরু হয়। দ্বিতীয় মামলায় অনিল ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দিলেও নিয়াজ রহিমকে সাজা দেয় বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

ভেজাল ঘি বিক্রির দায়ে আগোরা চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ০৮:১৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭

ভেজাল ঘি বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুটি মামলায় আগোরা সুপারশপের চেয়ারম্যান নিয়াজ রহিমকে কারাবাস ও আর্থিক দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক বিশেষ মহানগর হাকিম মো. মাহবুব সোবহানী দুটি মামলায় এই রায় দেন।

মামলা দুটির প্রত্যেকটিতে এক বছর করে কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রায় ঘোষণার পরপরই নিয়াজ রহিমকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা যায়, ২০০৮ সালে আগোরার মগবাজার বিক্রয়কেন্দ্র থেকে ‘কুষ্টিয়ার স্পেশাল গাওয়া ঘি’ জব্দ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে নমুনা পরীক্ষায় তাতে ভেজাল পাওয়া যায়। এ কারণে আগোরার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়াজ রহিমের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এছাড়া কুষ্টিয়ার সেই ঘিয়ের উৎপাদক আবদুল কুদ্দুসকেও আসামি করা হয়। একই বছরে সুপারশপটিতে বিক্রি হওয়া অনিল ঘোষের ‘স্পেশাল বাঘাবাড়ির ঘি’তে ভেজাল পাওয়া গেছে অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়।

প্রথম মামলার আসামি আবদুল কুদ্দুস দোষ স্বীকার করে নেন। কিন্তু নিয়াজ রহিম মামলাটির বিরুদ্ধে আপিল বিভাগ পর্যন্ত গেলেও ব্যর্থ হন।

যার পরিপ্রেক্ষিতে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে এ মামলার বিচার শুরু হয়। দ্বিতীয় মামলায় অনিল ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দিলেও নিয়াজ রহিমকে সাজা দেয় বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত।