০৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

করোনা হাসপাতালের ১৫ হাজার শয্যার ১০ হাজারই ফাঁকা

প্রায় প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত হয়ে অধিকাংশ রোগীর মৃত্যু বাসায় হচ্ছে। করোনা চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, গলাকাটা বিল, ঠিকমতো চিকিৎসা না পাওয়া, আর্থিক সামর্থ্য না থাকাসহ নানা কারণে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন না আক্রান্তরা। এ অবস্থায় করোনার জন্য নির্ধারিত হাসপাতালে রোগীর অভাবে প্রায় তিনভাগের দুইভাগ শয্যাই ফাঁকা থেকে যাচ্ছে।

সারাদেশে করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারিত হাসপাতালগুলোতে সাধারণ শয্যার সংখ্যা ১৪ হাজার ৯৪৫টি। তাতে রোগী ভর্তি আছে চার হাজার ৩৬১ জন এবং শয্যা খালি আছে ১০ হাজার ৫৮৪টি। সারাদেশে আইসিইউ শয্যা ৩৯৪টি। তার মধ্যে রোগী ভর্তি আছে ২২৬টিতে এবং খালি আছে ১৬৮টি।

অর্থাৎ সাধারণ ও আইসিইউ মিলে রয়েছে মোট ১৫ হাজার ৩৩৯ শয্যা। তার মধ্যে ভর্তি আছেন চার হাজার ৫৮৭ জন রোগী। আর শয্যা ফাঁকা আছে ১০ হাজার ৭৫২টি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

নাসিমা সুলতানা আরও জানান, ঢাকা মহানগরীর করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে সাধারণ শয্যা সংখ্যা ছয় হাজার ৩০৫টি। তাতে ভর্তি আছেন দুই হাজার ১৯৯ জন এবং শয্যা খালি আছে চার হাজার ১০৬টি। অন্যদিকে ঢাকা মহানগরীতে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে আইসিইউ শয্যার সংখ্যা ১৪২টি। তাতে ভর্তি আছেন ১০৮ জন এবং খালি আছে ৩৪টি।

চট্টগ্রাম মহানগরীতে সাধারণ শয্যার সংখ্যা ৬৫৭টি। এই শয্যায় ভর্তি আছেন ৩১৩ জন এবং খালি আছে ৩৪৪টি। চট্টগ্রাম মহানগরীতে আইসিইউ শয্যার সংখ্যা ৩৯টি। তাতে ভর্তি আছেন ১৫ জন এবং খালি আছে ২৪টি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নওগাঁয় পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ে সংবাদকর্মীদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

করোনা হাসপাতালের ১৫ হাজার শয্যার ১০ হাজারই ফাঁকা

প্রকাশিত : ০৬:৪০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

প্রায় প্রতিদিনই করোনায় আক্রান্ত হয়ে অধিকাংশ রোগীর মৃত্যু বাসায় হচ্ছে। করোনা চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, গলাকাটা বিল, ঠিকমতো চিকিৎসা না পাওয়া, আর্থিক সামর্থ্য না থাকাসহ নানা কারণে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন না আক্রান্তরা। এ অবস্থায় করোনার জন্য নির্ধারিত হাসপাতালে রোগীর অভাবে প্রায় তিনভাগের দুইভাগ শয্যাই ফাঁকা থেকে যাচ্ছে।

সারাদেশে করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারিত হাসপাতালগুলোতে সাধারণ শয্যার সংখ্যা ১৪ হাজার ৯৪৫টি। তাতে রোগী ভর্তি আছে চার হাজার ৩৬১ জন এবং শয্যা খালি আছে ১০ হাজার ৫৮৪টি। সারাদেশে আইসিইউ শয্যা ৩৯৪টি। তার মধ্যে রোগী ভর্তি আছে ২২৬টিতে এবং খালি আছে ১৬৮টি।

অর্থাৎ সাধারণ ও আইসিইউ মিলে রয়েছে মোট ১৫ হাজার ৩৩৯ শয্যা। তার মধ্যে ভর্তি আছেন চার হাজার ৫৮৭ জন রোগী। আর শয্যা ফাঁকা আছে ১০ হাজার ৭৫২টি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

নাসিমা সুলতানা আরও জানান, ঢাকা মহানগরীর করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে সাধারণ শয্যা সংখ্যা ছয় হাজার ৩০৫টি। তাতে ভর্তি আছেন দুই হাজার ১৯৯ জন এবং শয্যা খালি আছে চার হাজার ১০৬টি। অন্যদিকে ঢাকা মহানগরীতে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে আইসিইউ শয্যার সংখ্যা ১৪২টি। তাতে ভর্তি আছেন ১০৮ জন এবং খালি আছে ৩৪টি।

চট্টগ্রাম মহানগরীতে সাধারণ শয্যার সংখ্যা ৬৫৭টি। এই শয্যায় ভর্তি আছেন ৩১৩ জন এবং খালি আছে ৩৪৪টি। চট্টগ্রাম মহানগরীতে আইসিইউ শয্যার সংখ্যা ৩৯টি। তাতে ভর্তি আছেন ১৫ জন এবং খালি আছে ২৪টি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ