১১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পাবনায় বাড়ছে পদ্মা-যমুনার পানি, বিপাকে জনজীবন

কয়েকদিন আগে পদ্মা-যমুনাসহ বিভিন্ন নদীর পানি কমলেও উজানের ঢল ও টানাবর্ষণে নতুন করে পানি বাড়তে শুরু করেছে পাবনার বিভিন্ন স্থানে। সেই সাথে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। এতে আতংকিত জীবনযাপন করছেন সাধারণ মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন, যমনা নদীর নগরবাড়ীর মথুরা পয়েন্টে মঙ্গলবার পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কিছু কিছু স্থানে নদীপাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

জানা যায়, পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে মঙ্গলবার সকালে পানি ১.৬৬ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

পদ্মা ও যমুনায় নতুন করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে নতুন করে আতংক দেখা দিয়েছে। জমি, ফসল হারিয়ে সর্বশান্ত হয়েছেন অনেকেই। নতুন করে পানি বৃদ্ধির ফলে তাদের মধ্যে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যমুনা নদীপাড় এলাকার বেশ কিছু বাড়িঘর, মসজিদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যে কোনো সময়ে এ সকল স্থাপনা নদী গর্ভে চলে যাবে বলে ধারণা করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ / ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিমানবন্দরে ৫০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসহ গ্রেফতার: ১

পাবনায় বাড়ছে পদ্মা-যমুনার পানি, বিপাকে জনজীবন

প্রকাশিত : ০২:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০

কয়েকদিন আগে পদ্মা-যমুনাসহ বিভিন্ন নদীর পানি কমলেও উজানের ঢল ও টানাবর্ষণে নতুন করে পানি বাড়তে শুরু করেছে পাবনার বিভিন্ন স্থানে। সেই সাথে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। এতে আতংকিত জীবনযাপন করছেন সাধারণ মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন, যমনা নদীর নগরবাড়ীর মথুরা পয়েন্টে মঙ্গলবার পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কিছু কিছু স্থানে নদীপাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

জানা যায়, পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে মঙ্গলবার সকালে পানি ১.৬৬ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

পদ্মা ও যমুনায় নতুন করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে নতুন করে আতংক দেখা দিয়েছে। জমি, ফসল হারিয়ে সর্বশান্ত হয়েছেন অনেকেই। নতুন করে পানি বৃদ্ধির ফলে তাদের মধ্যে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যমুনা নদীপাড় এলাকার বেশ কিছু বাড়িঘর, মসজিদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যে কোনো সময়ে এ সকল স্থাপনা নদী গর্ভে চলে যাবে বলে ধারণা করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ / ইমরান মাসুদ