১১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

বহু বেকারির খাদ্য এখন অখাদ্য!

অস্বাস্থ্যকর, নোংরা ও স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে তৈরী হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বিস্কুট,পাউরুটি, জন্মদিনের কেক, মিষ্টি, লাড্ডু, বাটারবন, ঢেনিস, নিমকিসহ বিভিন্ন ধরনের বেকারি পণ্য। এছাড়াও অল্প বেতনে শিশু শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে এসব বেকারি গুলোতে। বেকারি শ্রমিকেরা এসব খাদ্য পণ্য তৈরীর সময় খালি গায়ে গরমে শরীর থেকে ঘাম বেয়ে পরছে। ময়লা হাতে কখনো দেখা যায় এক হাতে সিগারেট অন্য হাতে কাজ করছে শ্রমিকরা । খোলাভাবে রাখা হয়েছে তৈল ভর্তি ড্রাম। পাশেই রয়েছে ক্ষতিকর বিভিন্নপ্রকার রঙ। খোলামেলা বেকারি খাদ্যের উপরে ও খাদ্য তৈরির উপকরণের উপর মাছি ভনভন করছে। তৈরীকৃত বিভিন্ন খাদ্যর উপর পড়ছে বেকারিতে জমে থাকা ময়লা-কালি ও ধুলোবালি।
সরেজমিনে ময়মনসিংহের ধোবাউড়ার গোয়াতলা বাজারে মেসার্স সোহান ফুড, পোড়াকান্দুলিয়া বাজারে নামহীন দুইটি বেকারি, কলসিন্দুর বাজারে ময়না বেকারিসহ বেশকিছু বেকারিতে একই চিত্র চোখে পড়ে।বেশিরভাগ এসব বেকারির নেই কোন ট্রেড লাইসেন্স ও বিএসটিআই’র কোন অনুমোদন।
এসব বেকারি গুলোর নিম্নমানের খাদ্যদ্রব্য কিনে একদিকে প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ, অপরদিকে হুমকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য। অবৈধ অর্থের এক অতৃপ্ত তৃষ্ণায় সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে কিছু অসাধু বেকারি মালিকরা!
মেসার্স সোহান ফুডের মালিক জাহাঙ্গীর আলমের গোয়াতলা বাজারের বেকারিতে দেখা যায়, কয়েকজন শিশু মাটিতে খাবার রেখে খালি গায়ে ময়লা হাতে বিভিন্ন খাবার প্যাকেট করছে। তার কাছে এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কথা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, শুধু আমার বেকারির এমন পরিবেশ নয়! সকল বেকারির পরিবেশ একই রকম।
কলসিন্দুর বজারের ময়না বেকারির নুরুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে অনেকদিন বেকারি বন্ধ ছিলো, কিছুদিন হলো বেকারি চালু করা হয়েছে। আমার বেকারির পরিবেশ খুব দ্রুত পরিবর্তন করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাফিকুজ্জামান বলেন, এসব বেকারির বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ / ইমরান মাসুদ
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিমানবন্দরে ৫০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসহ গ্রেফতার: ১

বহু বেকারির খাদ্য এখন অখাদ্য!

প্রকাশিত : ০২:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০
অস্বাস্থ্যকর, নোংরা ও স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে তৈরী হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বিস্কুট,পাউরুটি, জন্মদিনের কেক, মিষ্টি, লাড্ডু, বাটারবন, ঢেনিস, নিমকিসহ বিভিন্ন ধরনের বেকারি পণ্য। এছাড়াও অল্প বেতনে শিশু শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে এসব বেকারি গুলোতে। বেকারি শ্রমিকেরা এসব খাদ্য পণ্য তৈরীর সময় খালি গায়ে গরমে শরীর থেকে ঘাম বেয়ে পরছে। ময়লা হাতে কখনো দেখা যায় এক হাতে সিগারেট অন্য হাতে কাজ করছে শ্রমিকরা । খোলাভাবে রাখা হয়েছে তৈল ভর্তি ড্রাম। পাশেই রয়েছে ক্ষতিকর বিভিন্নপ্রকার রঙ। খোলামেলা বেকারি খাদ্যের উপরে ও খাদ্য তৈরির উপকরণের উপর মাছি ভনভন করছে। তৈরীকৃত বিভিন্ন খাদ্যর উপর পড়ছে বেকারিতে জমে থাকা ময়লা-কালি ও ধুলোবালি।
সরেজমিনে ময়মনসিংহের ধোবাউড়ার গোয়াতলা বাজারে মেসার্স সোহান ফুড, পোড়াকান্দুলিয়া বাজারে নামহীন দুইটি বেকারি, কলসিন্দুর বাজারে ময়না বেকারিসহ বেশকিছু বেকারিতে একই চিত্র চোখে পড়ে।বেশিরভাগ এসব বেকারির নেই কোন ট্রেড লাইসেন্স ও বিএসটিআই’র কোন অনুমোদন।
এসব বেকারি গুলোর নিম্নমানের খাদ্যদ্রব্য কিনে একদিকে প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ, অপরদিকে হুমকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য। অবৈধ অর্থের এক অতৃপ্ত তৃষ্ণায় সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে কিছু অসাধু বেকারি মালিকরা!
মেসার্স সোহান ফুডের মালিক জাহাঙ্গীর আলমের গোয়াতলা বাজারের বেকারিতে দেখা যায়, কয়েকজন শিশু মাটিতে খাবার রেখে খালি গায়ে ময়লা হাতে বিভিন্ন খাবার প্যাকেট করছে। তার কাছে এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কথা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, শুধু আমার বেকারির এমন পরিবেশ নয়! সকল বেকারির পরিবেশ একই রকম।
কলসিন্দুর বজারের ময়না বেকারির নুরুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে অনেকদিন বেকারি বন্ধ ছিলো, কিছুদিন হলো বেকারি চালু করা হয়েছে। আমার বেকারির পরিবেশ খুব দ্রুত পরিবর্তন করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাফিকুজ্জামান বলেন, এসব বেকারির বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ / ইমরান মাসুদ