১২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

বগুড়ায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ

দেশে করোনার সংক্রমণের মধ্যেই মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে ভোটগ্রহণ।

ভোট কেন্দ্রগুলোতে আইশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোট নেয়া হয়। বিভিন্ন কেন্দ্রে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাও করা হয়।

বগুড়া-১ আসনে ১২৩টি কেন্দ্রে ভোট নেয়া হয়। বন্যার কারণে ১৪টি ভোটকেন্দ্র স্থান পরিবর্তন করা হয়। এ আসনে ভোটার রয়েছেন তিন লাখ ৩০ হাজার ৯১৮ জন।

অন্যদিকে, উপ-নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিএনপির প্রার্থী একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির (ধানের শীষ) প্রতীক। তবে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ পাঁচ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা হলেন আ.লীগের সাবেক এমপি আব্দুল মান্নানের স্ত্রী সাহাদারা মান্নান (নৌকা), জাতীয় পার্টির মোকছেদুল আলম (লাঙ্গল), প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি), মোঃ. নি মিঞা (বাঘ), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নজরুল ইসলাম (বটগাছ), ও স্বতন্ত্র ইয়াসির রহমতুল্লাহ ইন্তাজ (ট্রাক)।

ভোটগ্রহণে দায়িত্ব পালন করেছেন ১২৩ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ৭১০ জন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও এক হাজার ৪২০ জন পোলিং অফিসার।

প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশের চার সদস্যের পাশাপাশি ১২ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ছিলেন পুলিশের পাঁচ সদস্য ও ১২ জন আনসার। এছাড়াও স্টাইকিং ফোর্স, একাধিক মোবাইল টিম, র‌্যাব ও পুলিশের বিশেষ টহল টিম কাজ করে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি কৃষিবিদ আব্দুল মান্নানের মৃত্যু হলে বগুড়া-১ আসনটি শূন্য হয়। এ আসনে ২৯ মার্চ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে স্থগিত করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

জনপ্রিয়

বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

বগুড়ায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ

প্রকাশিত : ০৬:১৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০

দেশে করোনার সংক্রমণের মধ্যেই মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে ভোটগ্রহণ।

ভোট কেন্দ্রগুলোতে আইশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোট নেয়া হয়। বিভিন্ন কেন্দ্রে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাও করা হয়।

বগুড়া-১ আসনে ১২৩টি কেন্দ্রে ভোট নেয়া হয়। বন্যার কারণে ১৪টি ভোটকেন্দ্র স্থান পরিবর্তন করা হয়। এ আসনে ভোটার রয়েছেন তিন লাখ ৩০ হাজার ৯১৮ জন।

অন্যদিকে, উপ-নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিএনপির প্রার্থী একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির (ধানের শীষ) প্রতীক। তবে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ পাঁচ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা হলেন আ.লীগের সাবেক এমপি আব্দুল মান্নানের স্ত্রী সাহাদারা মান্নান (নৌকা), জাতীয় পার্টির মোকছেদুল আলম (লাঙ্গল), প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি), মোঃ. নি মিঞা (বাঘ), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নজরুল ইসলাম (বটগাছ), ও স্বতন্ত্র ইয়াসির রহমতুল্লাহ ইন্তাজ (ট্রাক)।

ভোটগ্রহণে দায়িত্ব পালন করেছেন ১২৩ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ৭১০ জন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও এক হাজার ৪২০ জন পোলিং অফিসার।

প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশের চার সদস্যের পাশাপাশি ১২ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ছিলেন পুলিশের পাঁচ সদস্য ও ১২ জন আনসার। এছাড়াও স্টাইকিং ফোর্স, একাধিক মোবাইল টিম, র‌্যাব ও পুলিশের বিশেষ টহল টিম কাজ করে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি কৃষিবিদ আব্দুল মান্নানের মৃত্যু হলে বগুড়া-১ আসনটি শূন্য হয়। এ আসনে ২৯ মার্চ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে স্থগিত করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ