০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

.রাস্তা সংস্কারের অভাবে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ

সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ও লতব্দি এই দুইটি ইউনিয়নের প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ একটি রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিগত কয়েক বছর ধরে।সিরাজদিখান বাজার থেকে বালুচর বাজারের যাতায়াতের একটিমাত্র গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এটি।তার মধ্যে নতুন ভাষান চর থেকে বালুচরের বাজারের এই রাস্তায় যাতায়েত ছাড়া বিকল্প কোন রাস্তা নেই এতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হওয়া সত্বেও বিগত কয়েক বছর যাবত এই রাস্তার সংস্কার না করার কারণে রাস্তা হয়েছে এখন মরণ ফাঁদ।দুইটি ইউনিয়নের ব্যস্ততম দীর্ঘ এই রাস্তাটি বহুদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে থাকলেও দেখার কেউ নেই। উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র এই রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এলাকাবাসী ও পথচারীদের অভিযোগ,জরাজীর্ণ এ সড়কটি সংস্কারের কোনো পদক্ষপে নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। ফলে স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থী, পথচারী ও কৃষকরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তার বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যায়। কখনও কখনও হেঁটে চলাচল করাও কষ্টসাধ্য হয়। রাস্তাটির কারণে উৎপাদিত কৃষি পণ্য সময়মতো বাজারজাত করতে না পারায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে জানান এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সিরাজদিখান উপজেলার বালুরচর ইউনিয়নের বালুরচর বাজার থেকে সিরাজদিখান বাজারে যাওয়ার প্রধান সড়ক এটি ভারী বৃষ্টির কারণে বড় বড় গর্তে সৃষ্টি হয়েছে। এতে ওই এলাকার জনসাধারণ ও স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীদের চলাচলে ভোগান্তির প্রধান কারণ হয়ে দাড়িয়েছে এই রাস্তা। বিশেষ করে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে স্কুল কলেজের কোমলমতি ছাত্র ছাত্রীসহ হাজারো মানুষ।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় উপজেলায় যাওয়ার এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন ছোট বড় অসংখ্য যান বাহন চলাচল করে। বিশেষ করে ইজি বাইক বা রিক্সার যাত্রীদের প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় এই রাস্তাটি দিয়ে। রাস্তাটি বছরের অধীক সময় ধরে নাজেহাল অবস্থায় রয়েছে। দেখার যেন যেন কেউ নেই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার না করা হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই তেমনি দূর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানান রাস্তায় চলাচলরত যাত্রীরা।

জানাযায় বিগত কয়েক বছর পূর্বে রাস্তাটি সাময়ীক সংস্কার করা হলেও ভারী বৃষ্টি, মালবাহী ট্রাক, মাহিন্দ্রা চলাচলে ফের রাস্তাটি যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। উপজেলার বালুরচর ও লতব্দি বাসীর চাওয়া এই রাস্তাটি যেন দ্রুত সংস্কার করে যাতায়াতের উপযোগী করে দেওয়া হয়।

উপজেলার খাসমহল বালুরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র আরফান জানান,রাস্তাটি দীর্ঘদিন যাবৎ চলাচলের অযোগ্য হয়ে আছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি ডোবায় পরিনত হয়। আর সেকারণেই স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতের ভোগান্তি হচ্ছে। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে আসার সময় সিএনজি, রিক্সা, মোটর সাইকের চলাকালীন রাস্তার ময়লা পানি, কাঁদা ছিটকে তাদের স্কুল পোষাক নস্ট হয়ে যার। উর্দ্ধতন কর্মকতা যদি রাস্তাটি অচিরেই সংস্কার করে দিত তাহলে স্কুলের ছাত্রছাত্রীসহ হাজারো মানুষ ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেত।

উপজেলা প্রকৌশলী শোয়াইব বিন আজাদ বলেন,এই রাস্তাটি আমি নিজে গিয়েও পরিদর্শন করে এসেছি।রাস্তাটি পাকাপোক্ত করে সংস্কারের টেন্ডার ও হয়ে গেছে আতিশীঘ্রই রাস্তা মেরামতের কাজ আরাম্ভ করা হবে।শুধু সিরাজদিখান থেকে বালুচর পর্যন্ত নয় এই রাস্তাটি বেতকা পর্যন্ত মেরামতের কাজ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

.রাস্তা সংস্কারের অভাবে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ

প্রকাশিত : ০৬:৫০:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০

সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ও লতব্দি এই দুইটি ইউনিয়নের প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ একটি রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিগত কয়েক বছর ধরে।সিরাজদিখান বাজার থেকে বালুচর বাজারের যাতায়াতের একটিমাত্র গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এটি।তার মধ্যে নতুন ভাষান চর থেকে বালুচরের বাজারের এই রাস্তায় যাতায়েত ছাড়া বিকল্প কোন রাস্তা নেই এতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হওয়া সত্বেও বিগত কয়েক বছর যাবত এই রাস্তার সংস্কার না করার কারণে রাস্তা হয়েছে এখন মরণ ফাঁদ।দুইটি ইউনিয়নের ব্যস্ততম দীর্ঘ এই রাস্তাটি বহুদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে থাকলেও দেখার কেউ নেই। উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র এই রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এলাকাবাসী ও পথচারীদের অভিযোগ,জরাজীর্ণ এ সড়কটি সংস্কারের কোনো পদক্ষপে নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। ফলে স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থী, পথচারী ও কৃষকরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তার বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যায়। কখনও কখনও হেঁটে চলাচল করাও কষ্টসাধ্য হয়। রাস্তাটির কারণে উৎপাদিত কৃষি পণ্য সময়মতো বাজারজাত করতে না পারায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে জানান এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সিরাজদিখান উপজেলার বালুরচর ইউনিয়নের বালুরচর বাজার থেকে সিরাজদিখান বাজারে যাওয়ার প্রধান সড়ক এটি ভারী বৃষ্টির কারণে বড় বড় গর্তে সৃষ্টি হয়েছে। এতে ওই এলাকার জনসাধারণ ও স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীদের চলাচলে ভোগান্তির প্রধান কারণ হয়ে দাড়িয়েছে এই রাস্তা। বিশেষ করে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে স্কুল কলেজের কোমলমতি ছাত্র ছাত্রীসহ হাজারো মানুষ।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় উপজেলায় যাওয়ার এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন ছোট বড় অসংখ্য যান বাহন চলাচল করে। বিশেষ করে ইজি বাইক বা রিক্সার যাত্রীদের প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় এই রাস্তাটি দিয়ে। রাস্তাটি বছরের অধীক সময় ধরে নাজেহাল অবস্থায় রয়েছে। দেখার যেন যেন কেউ নেই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার না করা হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই তেমনি দূর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানান রাস্তায় চলাচলরত যাত্রীরা।

জানাযায় বিগত কয়েক বছর পূর্বে রাস্তাটি সাময়ীক সংস্কার করা হলেও ভারী বৃষ্টি, মালবাহী ট্রাক, মাহিন্দ্রা চলাচলে ফের রাস্তাটি যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। উপজেলার বালুরচর ও লতব্দি বাসীর চাওয়া এই রাস্তাটি যেন দ্রুত সংস্কার করে যাতায়াতের উপযোগী করে দেওয়া হয়।

উপজেলার খাসমহল বালুরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র আরফান জানান,রাস্তাটি দীর্ঘদিন যাবৎ চলাচলের অযোগ্য হয়ে আছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি ডোবায় পরিনত হয়। আর সেকারণেই স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতের ভোগান্তি হচ্ছে। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে আসার সময় সিএনজি, রিক্সা, মোটর সাইকের চলাকালীন রাস্তার ময়লা পানি, কাঁদা ছিটকে তাদের স্কুল পোষাক নস্ট হয়ে যার। উর্দ্ধতন কর্মকতা যদি রাস্তাটি অচিরেই সংস্কার করে দিত তাহলে স্কুলের ছাত্রছাত্রীসহ হাজারো মানুষ ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেত।

উপজেলা প্রকৌশলী শোয়াইব বিন আজাদ বলেন,এই রাস্তাটি আমি নিজে গিয়েও পরিদর্শন করে এসেছি।রাস্তাটি পাকাপোক্ত করে সংস্কারের টেন্ডার ও হয়ে গেছে আতিশীঘ্রই রাস্তা মেরামতের কাজ আরাম্ভ করা হবে।শুধু সিরাজদিখান থেকে বালুচর পর্যন্ত নয় এই রাস্তাটি বেতকা পর্যন্ত মেরামতের কাজ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর