০৫:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

ফরিদগঞ্জে ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার শিশুখাদ্য বরাদ্দ

করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ ও হতদরিদ্র অভিভাবকদের ছোট ছোট শিশুদের পুষ্টি নিশ্চয়তার লক্ষ্যে ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার শিশুখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ তথ্যমতে গত ৪ জুলাই পর্যন্ত ৬ লাখ টাকার শিশুখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। মজুদ রয়েছে ৮০ হাজার টাকার শিশুখাদ্য।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানাযায়, করোনাকালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে ফরিদগঞ্জ উপজেলার জন্য ৬ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার শিশুখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিউলী হরি’র সমন্বয়ে ৬ লক্ষ টাকার শিশুখাদ্য ১৫টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে তা শিশুদের অভিভাবকদের মাঝে বিতরণ করেন। ফরিদগঞ্জ পৌরসভার জন্য এই খাতে কোনো বরাদ্দ না থাকলেও ৮৯ জন শিশুকে উক্ত বরাদ্দ থেকে খাদ্য বিরতণ করা হয়। শিশুখাদ্যের মধ্যে রয়েছে দুধের প্যাকেট, সুজি ও চিনি।

উপজেলায়র ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় এ পর্যন্ত ১৯৬৪ জন শিশুর মাঝে শিশুখাদ্য বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে প্রতিনিটি ইউনিয়নে ৪৫ হাজার ৩শ’ ২৬ টাকা করে মোট ৬ লক্ষ টাকার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়ে গেছে। প্রতিটি ইউনিয়নে ১২৫ জন করে মোট ১৯৬৪ শিশুর মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

শিশুদের জন্য আলাদাভাবে সরকার খাদ্যসমাগ্রী বরাদ্দ করেছে তথ্যটি অনেকের কাছেই অজানা। খাদ্য সামগ্রী গুলো কী ভাবে বিতরণ করা হয়েছে? ইউনিয়ন পর্যায়ে গিয়ে সঠিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে কিনা? এ রকম সংশয় আর সন্দেহ রয়েছে অনেকের মাঝে। গ্রাম পর্যায়ে অধিকাংশ যোগ্য ব্যক্তিরাই শিশু খাদ্য পায়নি। যদিও বাংলাদেশের অনেক উপজেলায়ই সংসদ সদস্য অথবা দলীয় নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে ‘শিশুদের আদর্শ বাড়তি খাবার’ নামে একটি কর্মসূচি চালু করা হয়েছে সেই এপ্রিল মাস থেকেই। কিন্তু ফরিদগঞ্জে বরাদ্দ আসলেও অথবা নিজ খরচে কেউই শিশুদের নিয়ে ঐভাবে চিন্তা করেনি।

এ বিষয়ে ১১নং চরদুঃখিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো.কামাল হোসেন বলেন,‘উপজেলা থেকে কয়েকধাপে সরকারি বরাদ্দ এসেছে। আমরা সবগুলো বরাদ্দই সঠিকভাবে বন্টন করেছি। শিশুদের জন্যেও দুধের প্যাকেট এসেছে। আমরা তা বিতরণ করেছি।’

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

ফরিদগঞ্জে ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার শিশুখাদ্য বরাদ্দ

প্রকাশিত : ০২:৪৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০

করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ ও হতদরিদ্র অভিভাবকদের ছোট ছোট শিশুদের পুষ্টি নিশ্চয়তার লক্ষ্যে ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার শিশুখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ তথ্যমতে গত ৪ জুলাই পর্যন্ত ৬ লাখ টাকার শিশুখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। মজুদ রয়েছে ৮০ হাজার টাকার শিশুখাদ্য।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানাযায়, করোনাকালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে ফরিদগঞ্জ উপজেলার জন্য ৬ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার শিশুখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিউলী হরি’র সমন্বয়ে ৬ লক্ষ টাকার শিশুখাদ্য ১৫টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে তা শিশুদের অভিভাবকদের মাঝে বিতরণ করেন। ফরিদগঞ্জ পৌরসভার জন্য এই খাতে কোনো বরাদ্দ না থাকলেও ৮৯ জন শিশুকে উক্ত বরাদ্দ থেকে খাদ্য বিরতণ করা হয়। শিশুখাদ্যের মধ্যে রয়েছে দুধের প্যাকেট, সুজি ও চিনি।

উপজেলায়র ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় এ পর্যন্ত ১৯৬৪ জন শিশুর মাঝে শিশুখাদ্য বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে প্রতিনিটি ইউনিয়নে ৪৫ হাজার ৩শ’ ২৬ টাকা করে মোট ৬ লক্ষ টাকার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়ে গেছে। প্রতিটি ইউনিয়নে ১২৫ জন করে মোট ১৯৬৪ শিশুর মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

শিশুদের জন্য আলাদাভাবে সরকার খাদ্যসমাগ্রী বরাদ্দ করেছে তথ্যটি অনেকের কাছেই অজানা। খাদ্য সামগ্রী গুলো কী ভাবে বিতরণ করা হয়েছে? ইউনিয়ন পর্যায়ে গিয়ে সঠিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে কিনা? এ রকম সংশয় আর সন্দেহ রয়েছে অনেকের মাঝে। গ্রাম পর্যায়ে অধিকাংশ যোগ্য ব্যক্তিরাই শিশু খাদ্য পায়নি। যদিও বাংলাদেশের অনেক উপজেলায়ই সংসদ সদস্য অথবা দলীয় নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে ‘শিশুদের আদর্শ বাড়তি খাবার’ নামে একটি কর্মসূচি চালু করা হয়েছে সেই এপ্রিল মাস থেকেই। কিন্তু ফরিদগঞ্জে বরাদ্দ আসলেও অথবা নিজ খরচে কেউই শিশুদের নিয়ে ঐভাবে চিন্তা করেনি।

এ বিষয়ে ১১নং চরদুঃখিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো.কামাল হোসেন বলেন,‘উপজেলা থেকে কয়েকধাপে সরকারি বরাদ্দ এসেছে। আমরা সবগুলো বরাদ্দই সঠিকভাবে বন্টন করেছি। শিশুদের জন্যেও দুধের প্যাকেট এসেছে। আমরা তা বিতরণ করেছি।’