কক্সবাজারের চকরিয়ায় লক্ষ্যমাত্রার বেশি ভূমি উন্নয়ন কর আদায় হয়েছে। বিদায়ী অর্থবছরের শেষ চার মাস করোনা ভাইরাসে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এ সময়ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চারটি তহসিল অফিস ও উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা কর আদায়ে ডিমান্ড পূরণে সচেষ্ট থাকেন। ফলে নতুন সংযুক্তি সহ পুঞ্জিভূত কর আদায় হয় ১০৩.৯৩ শতাংশ।
চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) তানভীর হোসেন বলেন, বিদায়ী ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে উপজেলার ৫৪ টি মৌজা থেকে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের ডিমান্ড নির্ধারণ করা হয় ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৮ হাজারহাজার ৫৬২ টাকা। উপজেলা ও চারটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের স্টাফরা করোনা ঝুঁকি সত্বেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে সাধারণ বা ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করেছে ১ কোটি ১৯ লাখ ৯১ হাজার ৭১৩ টাকা। কর প্রদানে নতুন সংযুক্তি করতে পারায় ডিমান্ডের বেশি (অতিরিক্ত) আদায় হয়েছে ৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৫১ টাকা।
অপরদিকে সংস্থা খাত থেকে কর আদায়ের ডিমান্ড ৩২ কোটি ৬৩ লাখ ৭১ হাজার ৬৩ টাকা থাকলেও আদায় হয়েছে ৬০ লাখ ২৬ হাজার ৪০২ টাকা। মামলা সহ নানা জটিলতার কারণে সংস্থা থেকে কর আদায় কম হচ্ছে বলে জানান এসিল্যান্ড তানভীর হোসেন।
তানভীর হোসেন আরো বলেন ১৮ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে চকরিয়া উপজেলায় ভূমি বিকেন্দ্রীকরণ মৌজা রয়েছে ৫৪ টি। বিশাল এই উপজেলায় ইউনিয়ন ভূমি অফিস রয়েছে মাত্র ৪ টি। নিয়মানুযায়ী প্রতি ইউনিয়নে ভূমি অফিস বাস্তবায়ন হলে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ও ডিমান্ড আরো বাড়তো।
বিজনেস বাংলাদেশ / ইমরান মাসুদ




















