০৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

কুমারখালীতে আধিপত্য-বাজার দখলকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, মামলা, পুরুষশুন্য ৩ গ্রাম

স্থানীয় আধিপত্য ও বাজার দখলকে কেন্দ্র করে আ’লীগের পদধারী ও পদহীন দু’পক্ষের সম্মুখ সংঘর্ষের জের ধরে হত্যাকান্ড, ভাংচুর, লুটপাট, পুলিশের উপর হামলা ও সরকারী কাজে বাধাদানে ত্রি-পক্ষীয় মামলায় জ্ঞাত-অজ্ঞাতসহ অর্ধসহ¯্রাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। গত ৬জুলাই আ’লীগ নেতা সুমন গ্রুপ ও মামুন গ্রুপের মধ্যে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার ৩নং পান্টি ইউনিয়নের রাজাপুর, সান্দিয়ারা ও ডাঁশা ৩টি পুরুষশুন্য গ্রামের বিস্তীর্ন এলাকা এখন আতঙ্কিত জনপদ। চরম সংকট ও নিরাপত্তাহীনতায় নারী/শিশু, ব্যহত হচ্ছে কৃষিকাজ। দলীয় উস্কানী ও আইন শৃংখলা বাহিনীর গাফিলতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে দ্রুত এই সংকটময় পরিস্থিতি নিরসনের দাবি ভুক্তভোগী জনগোষ্ঠীর। তবে পরিস্থিতি শান্ত ও স্বাভাবিক দাবি করে পুলিশ বলছেন জড়িত ও মামলার আসামী ব্যতীত কারো আতঙ্কিত বা পলাতক হওয়ার কারন নেই।
রাজপুর গ্রামের গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত সুমন গ্রুপ সমর্থক বিল্লাল হোসেন(৪৮)র ছেলে রহমত আলী’র অভিযোগ, ‘গুলি করে হত্যাকান্ডের ঘটনায় ধু¤্রজাল সৃষ্টি করে অন্যদিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ। এমনকি আমার বাবার লাশও আমাদের কাছে দেয়নি পুলিশ। লাশের গোসল কাফন ছাড়াই বডি প্যাকেটে ভরে রাজাপুর গোরস্থানে কোন রকম মাটি চাপা দিয়ে ঢেকে রেখে গেছে পুলিশ। উল্টা আমাদেরই এখন পুলিশ খুঁজে বেড়াচ্ছে। সঠিক তদন্ত করে হত্যাকান্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই’।
সংঘর্ষ পরবর্তী দুই পক্ষের দুইটি এবং পুলিশের করা পৃথক ভাবে ত্রি-পক্ষীয় মামলায় (দিগর) ৩গ্রামের সব পুরুষ মানুষ (প্রায় অর্ধ সহ¯্রাধিক) আসামী। গ্রেফতার ভয়ে তারা বাড়ি ঘর ছেড়ে মাঠ ঘাট ঝোপ-ঝাড়ে আত্মগোপন করে আছে। থমকে গেছে কৃষি ভিত্তিক এলাকার স্বাভাবিক কৃষি কাজ। নিরাপত্তাহীনতায় বিপন্নের মুখে বাড়িতে থাকা নারী ও শিশুরা। এমন শ^াসরুদ্ধকর পরিস্থিতির নিরসনসহ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান তারা।
রাজাপুর গ্রামের এক জঙ্গল পাড়ি দিয়ে স্বামীর খাবার নিয়ে যাচ্ছিলেন হাজেরা খাতুন (৫২), তিনি বলেন, কি করব, পুলিশের ভয়ে বাড়িত থাকার যো আছে ? গোন্ডগোলের পরদিন থিকে মাঠে ঘাটেই থাকতি হচ্ছে, কিডা আর রাস্তায় বইসি পাহারা দিবি ? তাই বুলিচি মাঠেই থাকো বাড়িত আসার দরকার নি।
সরেজমিন জনশুন্য রাজাপুর গ্রামে প্রতিবেদককে দেখতে পেয়ে চারদিক থেকে নারী ও শিশুরা বেড়িয়ে এসে তাদের আতঙ্ক, শংকা ও দুরাবস্থার বিবরণ দিতে থাকেন। কলেজ ছাত্রী সাজনীন আক্তার বলেন, ‘আপনারা সারা গ্রাম ঘুরে দেখেন, গত ১০দিন ধরে অভিভাবক ও পুরুষশুন্য গ্রামের মহিলা-শিশুরা কিভাবে মানবেতর জীবন-যাপন করছে ? এমন ভীতিকর পরিস্থিতির সমাধান করে আমাদের নিরাপত্তা চাই। ঘটনা যা ঘটেছে তার সঠিক তদন্ত করে বিচার করা হোক’।
উপজেলার ডাঁশা গ্রামের বাসিন্দা অপর পক্ষের নেতা মামুনের দাদি সোনা ভানু(৬৫) বলেন, ‘সান্দিয়ারা বাজার দখলকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ঘটনায় রাজাপুর আলা’র সাথে ডাঁশা গ্রামের লোকের গোন্ডগোল হয়। গুলি লাইগি ওই পক্ষের একজন মারাও গেছে। একন মামলা হইচে, সমেস্যাই পড়েচে দুই পক্ষের লোকজনই। কেউ একন বাড়িত থাকতি পারতেচ না; সব পলা বেড়াচ্ছে, মাঠ-ঘাটে যাতিউ পারতেচ না, ধান লাগানি হচ্ছে না, মাট ভরা কুষ্টা(পাট) মাটেই লষ্ট হচ্ছে। ক্ষতি তো একন সবারই হচ্ছে। পুশাসন(প্রশাসন) আর নিতারা এই সমেস্যার সুমাধান কইরি দিক। সবারই একন বাল-বাচ্চা নিয়ে বাঁইচি থাকা কষ্ট হয়ে গেচে’।
উপজেলার ১০নং পান্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান জনজীবনে সৃষ্ট আতঙ্কের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সুমন গ্রুপ এবং পদহীন নেতা মামুন গ্রুপের মধ্যে সান্দিয়ারা বাজার দখল ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশী মামলাসহ ত্রি-পক্ষীয় মামলায় মূলত: ওই এলাকার সকল প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিসহ দিগর আসামী হয়ে সবাই পলাতক। সেকারণে পুলিশ প্রশাসনের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি। তাছাড়া দুই জনই এমপি মহোদরে লোক উনারাও হয়ত উদ্যোগ নেবেন বলে বিশ^াস করি।
কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও পুলিশসহ ৫০জন আহত, ভাংচুর, লুটপাট, পুলিশের উপর হামলা, সরকারী কাজে বাধাদানের অপরাধে পুলিশের করা মামলা ছাড়াও দুই পক্ষের পৃথক দুইটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় জ্ঞাত অজ্ঞাতসহ প্রায় ৫শতাধিক আসামী। এঘটনায় দু’পক্ষের প্রধান মামুন ও সুমনসহ ১৪জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সৌপর্দ করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত স্বাভাবিক ও পুলিশের নিয়ন্ত্রনে দাবি করে এলকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে বলে জানালেন তিনি।
সরেজমিন প্রতিবেদকের পর্যবেক্ষন: ঘটনার সময় সয়ং পুলিশ উপস্থিত থেকে পক্ষপাতিত্ব করার কারনেই ঘটনাটি বড় আকার ধারণ করেছে এলাকাবাসী এই দাবির স্ব-পক্ষে ঘটনাস্থলের লাইভ (ফাইল ফুটেজ) ফুটেজে তার সত্যতা পাওয়া যায়, তাছাড়া নিহত বিল্লাল হোসেনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর না করে শুধুমাত্র বডি পাকেটে ভরে দায়সারা মাটি চাপা দেয়ার ফুটেজ থেকে পক্ষপাতিত্বের সমর্থনে সত্যতা পাওয়া যায়। তাছাড়া স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীসহ দুই পক্ষই দাবি করছেন নিহত বিল্লালের মৃত্যু হয়েছে পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটের আঘাতে। তবে এমন অভিযোগ নাকচ করছেন পুলিশ।

বিজনেস বাংলাদেশ / ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

কুমারখালীতে আধিপত্য-বাজার দখলকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, মামলা, পুরুষশুন্য ৩ গ্রাম

প্রকাশিত : ০১:২৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২০

স্থানীয় আধিপত্য ও বাজার দখলকে কেন্দ্র করে আ’লীগের পদধারী ও পদহীন দু’পক্ষের সম্মুখ সংঘর্ষের জের ধরে হত্যাকান্ড, ভাংচুর, লুটপাট, পুলিশের উপর হামলা ও সরকারী কাজে বাধাদানে ত্রি-পক্ষীয় মামলায় জ্ঞাত-অজ্ঞাতসহ অর্ধসহ¯্রাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। গত ৬জুলাই আ’লীগ নেতা সুমন গ্রুপ ও মামুন গ্রুপের মধ্যে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার ৩নং পান্টি ইউনিয়নের রাজাপুর, সান্দিয়ারা ও ডাঁশা ৩টি পুরুষশুন্য গ্রামের বিস্তীর্ন এলাকা এখন আতঙ্কিত জনপদ। চরম সংকট ও নিরাপত্তাহীনতায় নারী/শিশু, ব্যহত হচ্ছে কৃষিকাজ। দলীয় উস্কানী ও আইন শৃংখলা বাহিনীর গাফিলতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে দ্রুত এই সংকটময় পরিস্থিতি নিরসনের দাবি ভুক্তভোগী জনগোষ্ঠীর। তবে পরিস্থিতি শান্ত ও স্বাভাবিক দাবি করে পুলিশ বলছেন জড়িত ও মামলার আসামী ব্যতীত কারো আতঙ্কিত বা পলাতক হওয়ার কারন নেই।
রাজপুর গ্রামের গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত সুমন গ্রুপ সমর্থক বিল্লাল হোসেন(৪৮)র ছেলে রহমত আলী’র অভিযোগ, ‘গুলি করে হত্যাকান্ডের ঘটনায় ধু¤্রজাল সৃষ্টি করে অন্যদিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ। এমনকি আমার বাবার লাশও আমাদের কাছে দেয়নি পুলিশ। লাশের গোসল কাফন ছাড়াই বডি প্যাকেটে ভরে রাজাপুর গোরস্থানে কোন রকম মাটি চাপা দিয়ে ঢেকে রেখে গেছে পুলিশ। উল্টা আমাদেরই এখন পুলিশ খুঁজে বেড়াচ্ছে। সঠিক তদন্ত করে হত্যাকান্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই’।
সংঘর্ষ পরবর্তী দুই পক্ষের দুইটি এবং পুলিশের করা পৃথক ভাবে ত্রি-পক্ষীয় মামলায় (দিগর) ৩গ্রামের সব পুরুষ মানুষ (প্রায় অর্ধ সহ¯্রাধিক) আসামী। গ্রেফতার ভয়ে তারা বাড়ি ঘর ছেড়ে মাঠ ঘাট ঝোপ-ঝাড়ে আত্মগোপন করে আছে। থমকে গেছে কৃষি ভিত্তিক এলাকার স্বাভাবিক কৃষি কাজ। নিরাপত্তাহীনতায় বিপন্নের মুখে বাড়িতে থাকা নারী ও শিশুরা। এমন শ^াসরুদ্ধকর পরিস্থিতির নিরসনসহ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান তারা।
রাজাপুর গ্রামের এক জঙ্গল পাড়ি দিয়ে স্বামীর খাবার নিয়ে যাচ্ছিলেন হাজেরা খাতুন (৫২), তিনি বলেন, কি করব, পুলিশের ভয়ে বাড়িত থাকার যো আছে ? গোন্ডগোলের পরদিন থিকে মাঠে ঘাটেই থাকতি হচ্ছে, কিডা আর রাস্তায় বইসি পাহারা দিবি ? তাই বুলিচি মাঠেই থাকো বাড়িত আসার দরকার নি।
সরেজমিন জনশুন্য রাজাপুর গ্রামে প্রতিবেদককে দেখতে পেয়ে চারদিক থেকে নারী ও শিশুরা বেড়িয়ে এসে তাদের আতঙ্ক, শংকা ও দুরাবস্থার বিবরণ দিতে থাকেন। কলেজ ছাত্রী সাজনীন আক্তার বলেন, ‘আপনারা সারা গ্রাম ঘুরে দেখেন, গত ১০দিন ধরে অভিভাবক ও পুরুষশুন্য গ্রামের মহিলা-শিশুরা কিভাবে মানবেতর জীবন-যাপন করছে ? এমন ভীতিকর পরিস্থিতির সমাধান করে আমাদের নিরাপত্তা চাই। ঘটনা যা ঘটেছে তার সঠিক তদন্ত করে বিচার করা হোক’।
উপজেলার ডাঁশা গ্রামের বাসিন্দা অপর পক্ষের নেতা মামুনের দাদি সোনা ভানু(৬৫) বলেন, ‘সান্দিয়ারা বাজার দখলকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ঘটনায় রাজাপুর আলা’র সাথে ডাঁশা গ্রামের লোকের গোন্ডগোল হয়। গুলি লাইগি ওই পক্ষের একজন মারাও গেছে। একন মামলা হইচে, সমেস্যাই পড়েচে দুই পক্ষের লোকজনই। কেউ একন বাড়িত থাকতি পারতেচ না; সব পলা বেড়াচ্ছে, মাঠ-ঘাটে যাতিউ পারতেচ না, ধান লাগানি হচ্ছে না, মাট ভরা কুষ্টা(পাট) মাটেই লষ্ট হচ্ছে। ক্ষতি তো একন সবারই হচ্ছে। পুশাসন(প্রশাসন) আর নিতারা এই সমেস্যার সুমাধান কইরি দিক। সবারই একন বাল-বাচ্চা নিয়ে বাঁইচি থাকা কষ্ট হয়ে গেচে’।
উপজেলার ১০নং পান্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান জনজীবনে সৃষ্ট আতঙ্কের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সুমন গ্রুপ এবং পদহীন নেতা মামুন গ্রুপের মধ্যে সান্দিয়ারা বাজার দখল ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশী মামলাসহ ত্রি-পক্ষীয় মামলায় মূলত: ওই এলাকার সকল প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিসহ দিগর আসামী হয়ে সবাই পলাতক। সেকারণে পুলিশ প্রশাসনের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি। তাছাড়া দুই জনই এমপি মহোদরে লোক উনারাও হয়ত উদ্যোগ নেবেন বলে বিশ^াস করি।
কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও পুলিশসহ ৫০জন আহত, ভাংচুর, লুটপাট, পুলিশের উপর হামলা, সরকারী কাজে বাধাদানের অপরাধে পুলিশের করা মামলা ছাড়াও দুই পক্ষের পৃথক দুইটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় জ্ঞাত অজ্ঞাতসহ প্রায় ৫শতাধিক আসামী। এঘটনায় দু’পক্ষের প্রধান মামুন ও সুমনসহ ১৪জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সৌপর্দ করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত স্বাভাবিক ও পুলিশের নিয়ন্ত্রনে দাবি করে এলকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে বলে জানালেন তিনি।
সরেজমিন প্রতিবেদকের পর্যবেক্ষন: ঘটনার সময় সয়ং পুলিশ উপস্থিত থেকে পক্ষপাতিত্ব করার কারনেই ঘটনাটি বড় আকার ধারণ করেছে এলাকাবাসী এই দাবির স্ব-পক্ষে ঘটনাস্থলের লাইভ (ফাইল ফুটেজ) ফুটেজে তার সত্যতা পাওয়া যায়, তাছাড়া নিহত বিল্লাল হোসেনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর না করে শুধুমাত্র বডি পাকেটে ভরে দায়সারা মাটি চাপা দেয়ার ফুটেজ থেকে পক্ষপাতিত্বের সমর্থনে সত্যতা পাওয়া যায়। তাছাড়া স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীসহ দুই পক্ষই দাবি করছেন নিহত বিল্লালের মৃত্যু হয়েছে পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটের আঘাতে। তবে এমন অভিযোগ নাকচ করছেন পুলিশ।

বিজনেস বাংলাদেশ / ইমরান মাসুদ