১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

ভারতের ট্রানজিট পণ্য নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে এমভি সেঁজুতি

ভারতের কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দর থেকে ৪ কনটেইনার ট্রানজিটের পণ্য নিয়ে জাহাজ ‘এমভি সেঁজুতি’ চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি জেটিতে ভিড়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন জহির বলেন, গত মঙ্গলবার ভোররাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজটি এসে নোঙর করে। এরপর বন্দরের নিজস্ব পাইলটের পরিচালনায় টাগ বোটের সাহায্যে জাহাজটিকে বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) ১নম্বর জেটিতে নিয়ে আসা হয় বেলা দেড়টায়। তিনি জানান, কলকাতার হলদিয়া বন্দর থেকে আসা এমভি সেঁজুতিতে ৩০০ টিইইউ’স কনটেইনার রয়েছে।

এর মধ্যে ২০ ফুট দীর্ঘ ৪টি কনটেইনারে ট্রানজিট পণ্য রয়েছে।
এমভি সেঁজুতি’র স্থানীয় এজেন্ট ম্যাংগো শিপিং লাইনের ব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমান জানান, এমভি সেঁজুতি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে এনসিটিতে পৌঁছেছে। গ্যান্ট্রি ক্রেনের সাহায্যে কনটেইনার খালাসের প্রক্রিয়া চলছে। এরপর বন্দর, কাস্টমস, সড়ক ও জনপথ বিভাগের মাশুল পরিশোধ শেষে চারটি ট্রেইলরে করে সড়কপথে কনটেইনারগুলো আখাউড়া হয়ে ত্রিপুরা ও আসাম পাঠিয়ে দেয়া হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক ভারত থেকে ৪টি ট্রানজিট পণ্যবাহী কনটেইনার নিয়ে ‘এমভি সেঁজুতি’র চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছার খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউজ অব চট্টগ্রাম এন্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু এন্ড ফ্রম ইন্ডিয়া’ চুক্তি এবং ঐ চুক্তির আওতায় প্রণীত এসওপি অনুযায়ী ট্রানজিট পণ্যবাহী চারটি কনটেইনারের প্রথম ট্রায়াল রান উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের বিদ্যমান বার্থিং নীতিমালা অনুযায়ী ফার্স্ট কাম, ফার্স্ট সার্ভ ভিত্তিতে জাহাজ বার্থিং করা হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য ট্যারিফ শিডিউল অনুযায়ী পোর্ট ডিউজ, পাইলটেজ ফি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক চার্জ ও ফি আদায় করা হবে ট্রানজিট কনটেইনারগুলোর বিপরীতে।

অপর একটি সূত্র জানায়, গত ১৬ জুলাই খিদিরপুরে কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দর গেইট নম্বর ৭ থেকে এমভি সেঁজুতি নামে পণ্যবাহী জাহাজে করে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জন্য ২ টিইইউ’স টিএমটি ইস্পাত এবং দুই টিইইউ’স আসামের করিমগঞ্জের জন্য ডাল বোঝাই করা হয়েছে। এরপর জাহাজটি হলদিয়া যায়। সেখান থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে।

বিজনেস বাংলাদেশ / ইমরান মাসুদ

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

ভারতের ট্রানজিট পণ্য নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে এমভি সেঁজুতি

প্রকাশিত : ০৭:৩০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২০

ভারতের কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দর থেকে ৪ কনটেইনার ট্রানজিটের পণ্য নিয়ে জাহাজ ‘এমভি সেঁজুতি’ চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি জেটিতে ভিড়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন জহির বলেন, গত মঙ্গলবার ভোররাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজটি এসে নোঙর করে। এরপর বন্দরের নিজস্ব পাইলটের পরিচালনায় টাগ বোটের সাহায্যে জাহাজটিকে বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) ১নম্বর জেটিতে নিয়ে আসা হয় বেলা দেড়টায়। তিনি জানান, কলকাতার হলদিয়া বন্দর থেকে আসা এমভি সেঁজুতিতে ৩০০ টিইইউ’স কনটেইনার রয়েছে।

এর মধ্যে ২০ ফুট দীর্ঘ ৪টি কনটেইনারে ট্রানজিট পণ্য রয়েছে।
এমভি সেঁজুতি’র স্থানীয় এজেন্ট ম্যাংগো শিপিং লাইনের ব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমান জানান, এমভি সেঁজুতি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে এনসিটিতে পৌঁছেছে। গ্যান্ট্রি ক্রেনের সাহায্যে কনটেইনার খালাসের প্রক্রিয়া চলছে। এরপর বন্দর, কাস্টমস, সড়ক ও জনপথ বিভাগের মাশুল পরিশোধ শেষে চারটি ট্রেইলরে করে সড়কপথে কনটেইনারগুলো আখাউড়া হয়ে ত্রিপুরা ও আসাম পাঠিয়ে দেয়া হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক ভারত থেকে ৪টি ট্রানজিট পণ্যবাহী কনটেইনার নিয়ে ‘এমভি সেঁজুতি’র চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছার খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউজ অব চট্টগ্রাম এন্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু এন্ড ফ্রম ইন্ডিয়া’ চুক্তি এবং ঐ চুক্তির আওতায় প্রণীত এসওপি অনুযায়ী ট্রানজিট পণ্যবাহী চারটি কনটেইনারের প্রথম ট্রায়াল রান উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করেছে। চট্টগ্রাম বন্দরের বিদ্যমান বার্থিং নীতিমালা অনুযায়ী ফার্স্ট কাম, ফার্স্ট সার্ভ ভিত্তিতে জাহাজ বার্থিং করা হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য ট্যারিফ শিডিউল অনুযায়ী পোর্ট ডিউজ, পাইলটেজ ফি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক চার্জ ও ফি আদায় করা হবে ট্রানজিট কনটেইনারগুলোর বিপরীতে।

অপর একটি সূত্র জানায়, গত ১৬ জুলাই খিদিরপুরে কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দর গেইট নম্বর ৭ থেকে এমভি সেঁজুতি নামে পণ্যবাহী জাহাজে করে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জন্য ২ টিইইউ’স টিএমটি ইস্পাত এবং দুই টিইইউ’স আসামের করিমগঞ্জের জন্য ডাল বোঝাই করা হয়েছে। এরপর জাহাজটি হলদিয়া যায়। সেখান থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে।

বিজনেস বাংলাদেশ / ইমরান মাসুদ