এবি ব্যাংকের মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার পারিল শাখা থেকে হাতিয়ে নেওয়া এক কোটি ৩০ লাখ টাকার আরো ৩৫ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে সিআইডি। গ্রেপ্তার হয়েছেন এ ঘটনায় জড়িত দু’জন।
এর আগে হাতিয়ে নেয়া টাকা দিয়ে কেনা দু’টি গাড়ি উদ্ধার করে সিআইডি।
গ্রেপ্তার করা দু’জন হলেন- সদ্য বরখাস্তকৃত ব্যাংক কর্মকর্তা ফয়সাল আলম সিহাব ও তার সহযোগী মুত্তাকিন আহমেদ সিয়াম।
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১ টায় ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) মানিকগঞ্জের বিশেষ পুলিশ সুপার মীর্জা আব্দুল্লাহেল বাকী সাংবাদিকদেরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, শিক্ষানবিশ অফিসার হিসেবে পারিল শাখায় কর্মরত ছিলেন ফয়সাল। অপেশাদারি কার্যকলাপের জন্য ৫ জুলাই দায়িত্ব থেকে ফয়সালকে বরখাস্ত করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি গোপন রেখে এর দুই দিন পরে ব্যাংকের অন্য কর্মকর্তার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে এবি ব্যাংকের উত্তরা শাখার একটি ভূয়া একাউন্টে ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা জমা করেন তিনি।
এক সহযোগীর মাধ্যমে সেখান থেকে ৫০ লাখ টাকা উত্তোলন করে এবং ৭৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা আরটিজিএস এর মাধ্যমে গাড়ি বিক্রেতার একাউন্টে দিয়ে দুইটি নতুন গাড়ি কেনে ফয়সাল। প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টি টের পেয়ে ১০ জুলাই সিংগাইর থানায় ফয়সালসহ চারজনকে আসামি করে অভিযোগ করেন এবি ব্যাংকের পারিল শাখার ব্যবস্থাপক আরিফ আহমেদ।
মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে সিআইডি কর্মকর্তারা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফয়সালের গাড়ি দুইটি ঢাকার ঝিগাতলা থেকে ১৮ জুলাই উদ্ধার করেন। আর এই কাজে সহায়তার জন্য একই দিনে গ্রেপ্তার করা হয় মুত্তাকিন আহমেদ সিয়াম নামে ফয়সালের এক বন্ধুকে।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ জুলাই রাতে সিংগাইরের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয় প্রধান আসামি ফয়সাল। এসময় তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় ৩৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।
সিআইডি’র বিশেষ পুলিশ সুপার মীর্জা আব্দুল্লাহেল বাকী জানান, বাকী টাকাগুলো উদ্ধার এবং এই প্রতারণার সাথে জড়িত সকল ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। ফয়সালকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
বিজনেস বাংলাদেশ / ইমরান মাসুদ






















