১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

৫১ জন মুসল্লি হত্যা, ব্রেন্টন ট্যারান্টের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরের দুটি মসজিদে হামলা চালিয়ে বাংলাদেশিসহ ৫১ জন মুসল্লিকে হত্যার ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে আসামি ব্রেন্টন ট্যারান্টের। এছাড়া তার প্যারোলে মুক্তির কোনো সুযোগ নেই।। খবর দ্য টেলিগ্রাফের।

বৃহস্পতিবার দেশটির একটি আদালত তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের এই আদেশ দেন। চলতি সপ্তাহে টানা চারদিন ধরে হামলায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি ও ভুক্তভোগী পরিবারের কয়েক ডজন সদস্য আদালতের শুনানিতে অংশ নেন। তাদের সবাই হত্যাকারী ট্যারান্টের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

২০১৯ সালের ১৫ মার্চ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরের আল নুর ও লিনউড মসজিদে জুমার নামাজের সময় হামলা চালান ব্রেন্টন। হামলার ঘটনা ফেসবুক লাইভে প্রচারও করেন।

মুসল্লিদের মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত একের পর এক গুলি ছুড়তে থাকেন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদে বিশ্বাসী অস্ট্রেলীয় নাগরিক ট্যারান্ট। এমন নৃশংস হামলায় নিউজিল্যান্ডসহ হতবাক হয়ে যায় সারা বিশ্বের মানুষ।

এই ঘটনার সময় ওই দুটি মসজিদের খুব কাছেই ছিলেন নিউজিল্যান্ড সফররত বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা।

৫১ জনকে হত্যার পাশাপাশি আরও ৪০ জনকে হত্যাচেষ্টা এবং সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ ছিল ট্যারান্টের বিরুদ্ধে, যার সবগুলোই স্বীকার করেছেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার

জনপ্রিয়

সামাজিক সংগঠন সুহৃদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৩০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

৫১ জন মুসল্লি হত্যা, ব্রেন্টন ট্যারান্টের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ১০:৩০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২০

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরের দুটি মসজিদে হামলা চালিয়ে বাংলাদেশিসহ ৫১ জন মুসল্লিকে হত্যার ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে আসামি ব্রেন্টন ট্যারান্টের। এছাড়া তার প্যারোলে মুক্তির কোনো সুযোগ নেই।। খবর দ্য টেলিগ্রাফের।

বৃহস্পতিবার দেশটির একটি আদালত তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের এই আদেশ দেন। চলতি সপ্তাহে টানা চারদিন ধরে হামলায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি ও ভুক্তভোগী পরিবারের কয়েক ডজন সদস্য আদালতের শুনানিতে অংশ নেন। তাদের সবাই হত্যাকারী ট্যারান্টের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

২০১৯ সালের ১৫ মার্চ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরের আল নুর ও লিনউড মসজিদে জুমার নামাজের সময় হামলা চালান ব্রেন্টন। হামলার ঘটনা ফেসবুক লাইভে প্রচারও করেন।

মুসল্লিদের মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত একের পর এক গুলি ছুড়তে থাকেন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদে বিশ্বাসী অস্ট্রেলীয় নাগরিক ট্যারান্ট। এমন নৃশংস হামলায় নিউজিল্যান্ডসহ হতবাক হয়ে যায় সারা বিশ্বের মানুষ।

এই ঘটনার সময় ওই দুটি মসজিদের খুব কাছেই ছিলেন নিউজিল্যান্ড সফররত বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা।

৫১ জনকে হত্যার পাশাপাশি আরও ৪০ জনকে হত্যাচেষ্টা এবং সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ ছিল ট্যারান্টের বিরুদ্ধে, যার সবগুলোই স্বীকার করেছেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার