০৭:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

ইভ্যালির অনিয়ম তদন্তে ভোক্তা অধিকার

ফাইল ছবি

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর ও তদন্ত করার জন্য জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রতিযোগিতা কমিশনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ দুটো সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আগামী সাতদিনের মধ্যে সংস্থা দুটিকে ই-ভ্যালির বিষয়ে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

বাণিজ্যসচিব মো. জাফরউদ্দীন এ তথ্য জানান। এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে ই-ভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল বলেন, ব্যাংক হিসাব বন্ধ করার ৫ দিনের মধ্যে সব কাগজপত্র আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়েছি। তদন্তে কোনো ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট ই-ভ্যালির কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কমিটি এই সময়ে বিভিন্ন তথ্যউপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখে পুরো বিষয়টির সঙ্গে ভোক্তা স্বার্থ জড়িত। এজন্য প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর ও তদন্ত করার জন্য জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রতিযোগিতা কমিশনকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

ইতোমধ্যে প্রতিযোগিতা কমিশন প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এ পর্যন্ত ই-ভ্যালির লেনদেন, আয়-ব্যয়সহ কোম্পানির বিস্তারিত বিবরণ, ই-ভ্যালির আওতাভুক্ত পণ্যগুলোর বিবরণ, ই-ভ্যালির পণ্যের ভৌগোলিক সীমানার বিবরণ, ই-ভ্যালির মাধ্যমে যেসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে, তাদের তালিকা ও ব্যবসায়িক লেনদেনের পদ্ধতি ও শর্তাবলি জানতে চেয়েছে।

কমিশন আরো জানতে চেয়েছে, ৮০-১৫০ শতাংশ ছাড় দিয়ে ব্যবসা করার তথ্য, ঈদ ধামাকা অফারের সঙ্গে অন্যান্য অফারের পার্থক্যের বিস্তারিত বিবরণ; ঈদ ধামাকা অফার সময়ের আগের তিন মাসের বিক্রি, আয় ও মুনাফার সঙ্গে অফার চলাকালীন বিক্রি, আয় ও মুনাফার তুলনামূলক বিবরণী। বাণিজ্যসচিব মো. জাফরউদ্দীন বলেন, যেহেতু ই-

ভ্যালির সঙ্গে ভোক্তা স্বার্থ জড়িত তাই ভোক্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আশা করছি, যথাসময়ে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। ইতোমধ্যে ই-ভ্যালির ব্যবসা পদ্ধতি পর্যালোচনা করতে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ই-ক্যাব।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইভ্যালির অনিয়ম তদন্তে ভোক্তা অধিকার

প্রকাশিত : ০৩:৫৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর ও তদন্ত করার জন্য জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রতিযোগিতা কমিশনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ দুটো সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আগামী সাতদিনের মধ্যে সংস্থা দুটিকে ই-ভ্যালির বিষয়ে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

বাণিজ্যসচিব মো. জাফরউদ্দীন এ তথ্য জানান। এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে ই-ভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল বলেন, ব্যাংক হিসাব বন্ধ করার ৫ দিনের মধ্যে সব কাগজপত্র আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়েছি। তদন্তে কোনো ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট ই-ভ্যালির কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কমিটি এই সময়ে বিভিন্ন তথ্যউপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখে পুরো বিষয়টির সঙ্গে ভোক্তা স্বার্থ জড়িত। এজন্য প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর ও তদন্ত করার জন্য জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রতিযোগিতা কমিশনকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

ইতোমধ্যে প্রতিযোগিতা কমিশন প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এ পর্যন্ত ই-ভ্যালির লেনদেন, আয়-ব্যয়সহ কোম্পানির বিস্তারিত বিবরণ, ই-ভ্যালির আওতাভুক্ত পণ্যগুলোর বিবরণ, ই-ভ্যালির পণ্যের ভৌগোলিক সীমানার বিবরণ, ই-ভ্যালির মাধ্যমে যেসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে, তাদের তালিকা ও ব্যবসায়িক লেনদেনের পদ্ধতি ও শর্তাবলি জানতে চেয়েছে।

কমিশন আরো জানতে চেয়েছে, ৮০-১৫০ শতাংশ ছাড় দিয়ে ব্যবসা করার তথ্য, ঈদ ধামাকা অফারের সঙ্গে অন্যান্য অফারের পার্থক্যের বিস্তারিত বিবরণ; ঈদ ধামাকা অফার সময়ের আগের তিন মাসের বিক্রি, আয় ও মুনাফার সঙ্গে অফার চলাকালীন বিক্রি, আয় ও মুনাফার তুলনামূলক বিবরণী। বাণিজ্যসচিব মো. জাফরউদ্দীন বলেন, যেহেতু ই-

ভ্যালির সঙ্গে ভোক্তা স্বার্থ জড়িত তাই ভোক্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আশা করছি, যথাসময়ে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। ইতোমধ্যে ই-ভ্যালির ব্যবসা পদ্ধতি পর্যালোচনা করতে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ই-ক্যাব।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর