১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণের রহস্য উদঘাটনে চলছে খোঁড়াখুঁড়ি

নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার খানপুর পশ্চিম তল্লা মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ঘটনাস্থলে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে তিতাস কর্তৃপক্ষ রাস্তার নিচে থাকা গ্যাসের পাইপ কোথায় আছে তা দেখার জন্য কাজ শুরু করেছে।

সোমবার সকাল ১০টায় এ কাজ শুরু হয়।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাতে মসজিদে বিস্ফোরণের পর প্রাথমিকভাবে এসি বিধ্বস্ত হয় ও দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে করে সবাই প্রথমে ধারণা করে মসজিদে থাকা ৬টি এসি থেকেই বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে গ্যাসের লিকেজ থেকেই এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মূলত ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা পরীক্ষা করে দেখেছেন এসির ভেতরের কোনও যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। সম্মুখভাগের বডি দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এতে তারা নিশ্চিত হন যে এসি থেকে কোনও বিস্ফোরণ ঘটেনি।

ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, তিতাস কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিস চারটি আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

এ বিষয়ে জেলা যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব জানান, তদন্ত কমিটিকে সহায়তা করার জন্য আমরা ঘটনাস্থলে সকাল থেকেই অবস্থান করছি। স্বাভাবিকভাবেই এ ঘটনায় এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ ও শোকাহত। তাই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং তদন্তের স্বার্থে মানুষকে এবং কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করতে আমরা এলাকায় অবস্থান করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার

জনপ্রিয়

চলতি মাসেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে আরও ১ হাজার ৯৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: বিপিডিবি

নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণের রহস্য উদঘাটনে চলছে খোঁড়াখুঁড়ি

প্রকাশিত : ১২:০৩:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার খানপুর পশ্চিম তল্লা মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ঘটনাস্থলে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে তিতাস কর্তৃপক্ষ রাস্তার নিচে থাকা গ্যাসের পাইপ কোথায় আছে তা দেখার জন্য কাজ শুরু করেছে।

সোমবার সকাল ১০টায় এ কাজ শুরু হয়।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাতে মসজিদে বিস্ফোরণের পর প্রাথমিকভাবে এসি বিধ্বস্ত হয় ও দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে করে সবাই প্রথমে ধারণা করে মসজিদে থাকা ৬টি এসি থেকেই বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে গ্যাসের লিকেজ থেকেই এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মূলত ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা পরীক্ষা করে দেখেছেন এসির ভেতরের কোনও যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। সম্মুখভাগের বডি দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এতে তারা নিশ্চিত হন যে এসি থেকে কোনও বিস্ফোরণ ঘটেনি।

ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, তিতাস কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিস চারটি আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

এ বিষয়ে জেলা যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব জানান, তদন্ত কমিটিকে সহায়তা করার জন্য আমরা ঘটনাস্থলে সকাল থেকেই অবস্থান করছি। স্বাভাবিকভাবেই এ ঘটনায় এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ ও শোকাহত। তাই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং তদন্তের স্বার্থে মানুষকে এবং কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করতে আমরা এলাকায় অবস্থান করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার