সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার আসামি পুলিশের চার সদস্যকে বুধবার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে কক্সবাজার আদালতে হাজির করে র্যাব।
বুধবার ( ০৯ সেপ্টেম্বর ) বেলা ১১টার দিকে র্যাবের একটি দল তাঁদের কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে হাজির করে। পরে তাঁদের আদালতের খাস কামরায় নিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা শুরু করে। এর আগে সকালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
আদালতে হাজির করা সিনহার হত্যা মামলার চার আসামি হচ্ছেন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন।
এর আগে এই মামলায় টেকনাফ থানার বরখাস্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত ও এসআই নন্দ দুলালকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের মধ্যে প্রদীপকে চার দফায় ১৫ দিন এবং লিয়াকত ও নন্দ দুলাল রক্ষিতকে তিন দফায় ১৪ দিন করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। লিয়াকত ও নন্দ দুলাল ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও প্রদীপ রাজি হননি। তারা সবাই এখন কারাগারে রয়েছেন। এপিবিএনের তিন সদস্যসহ এ পর্যন্ত আট জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
প্রস্নগত, গত ৩১ জুলাই রাত ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় ৫ আগস্ট ওসি প্রদীপ ও দায়িত্বরত পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ নয় জনকে আসামি করে সিনহার বোন কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার আসামি নয় পুলিশ সদস্যকেই বরখাস্ত করা হয়। মামলাটি তদন্ত করছে কক্সবাজার র্যাব-১৫।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর


























