বাংলাদেশ পুলিশকে দক্ষতা ও নিষ্ঠা নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার পুলিশ স্টাফ কলেজের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (আইসিসি) পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি এ কথা বলেন।
পুলিশ সপ্তাহ-২০১৮ এর কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে তিনি পুলিশের নানা সমস্যার কথা শোনেন এবং সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গি দমনে উন্নত দেশগুলো হিমশিম খেলেও বাংলাদেশ পুলিশ দক্ষতার সঙ্গে জঙ্গি দমন করছে। ভবিষ্যতেও সবার গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। সফলতা আসবেই।
জঙ্গিবাদের সমস্যার মতো মাদকের সমস্যাও এক ভয়ানক সমস্যা –একথা উল্লেখ তিনি বলেন, মাদকের ব্যাপারে কোনো ছাড় নয়। যে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আপনারা জঙ্গিবাদ মোকাবেলা ও দমন করে চলেছেন, এখন সেই দক্ষতা ও নিষ্ঠা নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
‘জঙ্গি, মাদকের প্রতিকার বাংলাদেশ পুলিশের অঙ্গীকার’ এই স্লোগানকে সামনে ধারণ করে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ। চলবে জানুয়ারির ১২ তারিখ পর্যন্ত।
দেশে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পুলিশের নিরাপত্তার ভূয়সী প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশ সুষ্ঠুভাবে আইপিইউ এবং সিপিইউ সম্মেলনে নিরাপত্তা দিয়েছে। সম্মেলন শুরুর আগে সবার চিন্তা ছিল কি জানি ঘটে। কিন্তু আপনারা যে নিরাপত্তা দিয়েছেন তা সবার ধারণা পাল্টে দিয়েছে।
পুলিশের সুযোগ-সুবিধা ও বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের কষ্টগুলো নিজে দেখি, বাস্তবায়নের পথ খুঁজি। বিভিন্ন চাওয়া জনপ্রশাসনে পাঠাই। সেখান থেকে অর্থে (অর্থ মন্ত্রণালয়) গিয়ে ঠেকে যায়। তারপরেও বলতে হয় আমরা পুলিশের বেতন যে হারে বাড়িয়েছি পৃথিবীতে কোনো দেশের সরকার এতো বৃদ্ধি করতে পারবে কি না সন্দেহ আছে।
পুলিশের বিভিন্ন গ্রেডে উন্নীত করা হলেও সেগুলো এখনো কার্যকর হয়নি। পুলিশ সদস্যদের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রেড কার্যকর না হওয়ার বিষয়টি আমি দেখবো।

























