ফের চলচ্চিত্রে কাজ করা প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আগামী মার্চ থেকে আমি ছবির শুটিং শুরু করব। এরই মধ্যে আমি নিজেকে তৈরি করছি। আমি দুটি ছবিতে কাজ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, কিন্তু বিশেষ কারণে আমি একটি কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ‘কানাগলি’ ছবিটির জন্য আমি পরিচালককে ডেট দিয়েছি। আর ‘কাঙ্গাল’ ছবিটি করতে পারব কি না, তা পরে জানাব।’

অপু আরো বলেন, ‘আমি এখন পুরো সময়টা সন্তান ও নিজেকে দিচ্ছি। নিয়মিত জিম করছি, যেহেতু আমার সন্তান হওয়ার কারণে একটু মুটিয়ে গেছি, তাই আমার একটু বেশিই পরিশ্রম করতে হচ্ছে। তবে আমি এর আগেও ব্যায়াম করে নিজেকে তৈরি করেছিলাম। আশা করি, এখনো তা করতে পারব।’
‘কানাগলি’ ছবির পরিচাললনা করবেন রবিন খান। ছবিতে অপু বিশ্বাসরে সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করবেন বাপ্পী চৌধুরী।
এদিকে শাকিব খানের দেওয়া তালাকের মীমাংসার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) শাকিব-অপু দুজনকেই ডেকেছে। সেখানে শাকিব না গেলেও অপু বিশ্বাস যাবেন বলে জানা গেছে।
আগামী ১৫ জানুয়ারী ডিএনসিসির অঞ্চল-৩ এর অফিসে তাদের তালাকের বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, শুনানির নোটিশ আমি পেয়েছি। সেখানে উপস্থিত থাকাটা আমার দায়িত্ব মনে করছি। ডিএনসিসির বৈঠকে আমি যাব। শাকিব থাকবে কি থাকবে না আমি জানি না।
বর্তমানে ছবির কাজে টানা শিডিউল নিয়ে বিদেশে ব্যস্ত সময় পার করছেন সুপারস্টার শাকিব খান। তিনি রয়েছেন ব্যাংকক। সেখানে বুবলীর সঙ্গে উত্তম আকাশের ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়া’র গানের দৃশ্যধারণে অংশ নিচ্ছেন। এ ছবির কাজ শেষ করেই আবার ব্যাংককে বিদ্যা সিনহা মীমের সঙ্গে উত্তম আকাশের আরেক ছবি ‘আমি নেতা হবো’র গানের চিত্রায়নে অংশ নেবেন। দুই ছবির কাজ শেষ করতে জানুয়ারি মাস প্রায় শেষ হয়ে যাবে।
সিটি করপোরেশনের পারিবারিক আদালত সূত্রে জানা গেছে, কোনো পক্ষ তালাকের আবেদন করলে আদালতের কাজ হচ্ছে ৯০ দিনের মধ্যে উভয়কে তিনবার ডেকে সমঝোতার চেষ্টা করা। সমঝোতা না হলে স্বাভাবিকভাবেই তালাক কার্যকর হয়ে যাবে। এখানে সময় বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।


























