০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

আজ ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর যৌথ বিবৃতি

ছবি: সংগৃহীত

‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ উপলক্ষ্যে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সামাজিক নিরাপত্তা, প্রবীণদের মর্যাদাসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ১ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’-২০২০ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:

‘‘সারাবিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও ১ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’-২০২০ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ বছর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘বৈশ্বিক মহামারির বার্তা, প্রবীণদের সেবায় নতুন মাত্রা’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

প্রবীণ ব্যক্তিরা সমাজের শ্রদ্ধেয় ও সম্মানিত ব্যক্তি। তাঁদের শ্রম ও মেধায় এ সভ্যতা এগিয়ে যাচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রবীণ নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চয়তার লক্ষ্যে সংবিধানে সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ১৫ (ঘ) অনুচ্ছেদ সংযুক্ত করেন।

এ ধারাবাহিকতায় ১৯৯৬ সালে তৎকালীন সরকার বয়স্কভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করে যার আওতায় বর্তমানে মাসিক ৫০০ টাকা হারে প্রান্তিক পর্যায়ে ৪৪ লক্ষেরও অধিক প্রবীণ নাগরিক ভাতা পাচ্ছেন। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ৪৯ লক্ষ প্রবীণ নাগরিককে এ সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রবীণদের মর্যাদাসম্পন্ন, দারিদ্র্যমুক্ত, কর্মময়, সুস্থ ও নিরাপদ পারিবারিক ও সামাজিক জীবন নিশ্চিত করতে ‘সিনিয়র সিটিজেন নীতিমালা’, ‘জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা-২০১৩’ এবং ‘পিতামাতার ভরণ-পোষণ আইন-২০১৩’ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রবীণদের মৌলিক ও মানবিক অধিকার অক্ষুণ্ন রাখার প্রয়াসে প্রণীত হয়েছে প্রবীণ বিষয়ক জাতীয় নীতিমালা। সরকারের গৃহীত এসকল পদক্ষেপ প্রবীণদের কল্যাণে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

ট্যাগ :

আজ ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর যৌথ বিবৃতি

প্রকাশিত : ১২:১০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২০

‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ উপলক্ষ্যে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সামাজিক নিরাপত্তা, প্রবীণদের মর্যাদাসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ১ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’-২০২০ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:

‘‘সারাবিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও ১ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’-২০২০ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ বছর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘বৈশ্বিক মহামারির বার্তা, প্রবীণদের সেবায় নতুন মাত্রা’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

প্রবীণ ব্যক্তিরা সমাজের শ্রদ্ধেয় ও সম্মানিত ব্যক্তি। তাঁদের শ্রম ও মেধায় এ সভ্যতা এগিয়ে যাচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রবীণ নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চয়তার লক্ষ্যে সংবিধানে সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ১৫ (ঘ) অনুচ্ছেদ সংযুক্ত করেন।

এ ধারাবাহিকতায় ১৯৯৬ সালে তৎকালীন সরকার বয়স্কভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করে যার আওতায় বর্তমানে মাসিক ৫০০ টাকা হারে প্রান্তিক পর্যায়ে ৪৪ লক্ষেরও অধিক প্রবীণ নাগরিক ভাতা পাচ্ছেন। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ৪৯ লক্ষ প্রবীণ নাগরিককে এ সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রবীণদের মর্যাদাসম্পন্ন, দারিদ্র্যমুক্ত, কর্মময়, সুস্থ ও নিরাপদ পারিবারিক ও সামাজিক জীবন নিশ্চিত করতে ‘সিনিয়র সিটিজেন নীতিমালা’, ‘জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা-২০১৩’ এবং ‘পিতামাতার ভরণ-পোষণ আইন-২০১৩’ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রবীণদের মৌলিক ও মানবিক অধিকার অক্ষুণ্ন রাখার প্রয়াসে প্রণীত হয়েছে প্রবীণ বিষয়ক জাতীয় নীতিমালা। সরকারের গৃহীত এসকল পদক্ষেপ প্রবীণদের কল্যাণে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।