০৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নবজাতকের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি

গর্ভবতী থাকা অবস্থায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক নারীর সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে সেলিন নাগ চাং নামে ওই নারী চলতি মাসে সন্তান জন্ম দেন । গেল মার্চে নাগ চাং গর্ভবতী থাকার সময় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। এরপর আড়াই সপ্তাহ চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেন তিনি।

কিন্তু চলতি মাসে জন্ম দেয়া তার ছেলে সন্তানের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়েনি। উল্টো ডাক্তাররা শিশুটির শরীরে করোনা অ্যান্টিবডির উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন।

সেলিন নাগ চাং সিঙ্গাপুরের একটি স্থানীয় পত্রিকাকে বলেন, ডাক্তার আগেই সন্দেহ করেছিলেন যে গর্ভকালীন সময়ে আমি করোনা অ্যান্টিবডি আমার শরীর থেকে বাচ্চার শরীরে প্রেরণ করেছি। তবে এই ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল না ডাক্তার।

তিনি বলেন, করোনা শনাক্ত হওয়ার পর তিনি কিছুটা অসুস্থতা বোধ করেন এবং প্রায় আড়াই সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এটি এখনো নিশ্চিত নয় যে গর্ভকালীন কিংবা প্রসবের সময় কোভিড-১৯ মায়ের শরীর থেকে সন্তারের শরীরে ছড়ায় কি না।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুড়িগ্রামে জাপার ঘাটিতে জামায়াতের জয়-জয়কার

নবজাতকের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি

প্রকাশিত : ০৬:১০:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

গর্ভবতী থাকা অবস্থায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক নারীর সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে সেলিন নাগ চাং নামে ওই নারী চলতি মাসে সন্তান জন্ম দেন । গেল মার্চে নাগ চাং গর্ভবতী থাকার সময় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। এরপর আড়াই সপ্তাহ চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেন তিনি।

কিন্তু চলতি মাসে জন্ম দেয়া তার ছেলে সন্তানের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়েনি। উল্টো ডাক্তাররা শিশুটির শরীরে করোনা অ্যান্টিবডির উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন।

সেলিন নাগ চাং সিঙ্গাপুরের একটি স্থানীয় পত্রিকাকে বলেন, ডাক্তার আগেই সন্দেহ করেছিলেন যে গর্ভকালীন সময়ে আমি করোনা অ্যান্টিবডি আমার শরীর থেকে বাচ্চার শরীরে প্রেরণ করেছি। তবে এই ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল না ডাক্তার।

তিনি বলেন, করোনা শনাক্ত হওয়ার পর তিনি কিছুটা অসুস্থতা বোধ করেন এবং প্রায় আড়াই সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এটি এখনো নিশ্চিত নয় যে গর্ভকালীন কিংবা প্রসবের সময় কোভিড-১৯ মায়ের শরীর থেকে সন্তারের শরীরে ছড়ায় কি না।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ