১১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

এক পুরুষের হাতে ২৬ নারী খুন

সিরিয়াল কিলার ‘র‌্যাডিক তিগারভ’

তার নাম র‌্যাডিক তিগারভ। তবে পুলিশের খাতায় তিনি ‘ভোলগা ম্যানিয়াক’ নামে পরিচিত। রাশিয়ার কাজানের বাসিন্দা তিনি। বয়স ৩৮ বছর। তিনি একজন সিরিয়াল কিলার। এখন ২৬ নারীকে খুন করার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। তবে তার হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা ৩২ পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুর্ধর্ষ এই সিরিয়াল কিলার বছরের পর বছর ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলে ইতোমধ্যে তাকে গ্রেফতার করেছে রাশিয়ার গোয়েন্দারা।

রাশিয়ার ইনভেস্টিগেটিভ কমিটি জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত ওই ব্যক্তি ২০১১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ২৬ জন নারীকে হত্যার অভিযোগ স্বীকার করেছেন। জুতার ছাপ, ডিএনএ ও ঘটনাস্থলে পাওয়া অন্যান্য সূত্রের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিগারভের হাতে খুন হওয়া নারীদের অধিকাংশের বয়স ৭০ এর বেশি। যেসব অ্যাপার্টমেন্টে বয়স্ক নারীরা একাকী থাকতেন তিগারভ সেখানে বিদ্যুৎকর্মী, পানির লাইন মেরামতকারী কিংবা অন্যকোনও সেবাকর্মী সেজে প্রবেশ করতো। অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশের পর সে ওই নারীকে ঠেসে ধরতো এবং শ্বাসরোধে হত্যা করতো। হত্যাকাণ্ডের পর তিগারভ কখনও কখনও বিভিন্ন জিনিস চুরি করতো। হাতে সবসময় গ্লাভস পরা এই তরুণ ঘটনাস্থল ছেড়ে যাওয়ার আগে প্রমাণ মুছতে জীবাণুনাশক ব্যবহার করতো।

রাশিয়ার কাজান, সামারা, তলিয়াত্তি, ইঝিভস্ক, ইউফা ও অন্যান্য শহরে এসব হত্যাকাণ্ড চালায় তিগারভ। ২০১৩ সালের পর তিগারভ সম্ভবত আর কোনও হত্যাকাণ্ড ঘটাননি। তবে ২০১৭ সালে আবারও কয়েকটি শহরে বয়স্ক নারী খুন হওয়ার ঘটনা ঘটে। ২০১৯ সালে তিগারভকে আটক করতে ৩০ হাজার পাউন্ড পুরষ্কার ঘোষণা করে রাশিয়ার পুলিশ। সূত্র: ডেইলি মেইল

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার

জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

এক পুরুষের হাতে ২৬ নারী খুন

প্রকাশিত : ১১:১৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০

তার নাম র‌্যাডিক তিগারভ। তবে পুলিশের খাতায় তিনি ‘ভোলগা ম্যানিয়াক’ নামে পরিচিত। রাশিয়ার কাজানের বাসিন্দা তিনি। বয়স ৩৮ বছর। তিনি একজন সিরিয়াল কিলার। এখন ২৬ নারীকে খুন করার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। তবে তার হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা ৩২ পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুর্ধর্ষ এই সিরিয়াল কিলার বছরের পর বছর ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলে ইতোমধ্যে তাকে গ্রেফতার করেছে রাশিয়ার গোয়েন্দারা।

রাশিয়ার ইনভেস্টিগেটিভ কমিটি জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত ওই ব্যক্তি ২০১১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ২৬ জন নারীকে হত্যার অভিযোগ স্বীকার করেছেন। জুতার ছাপ, ডিএনএ ও ঘটনাস্থলে পাওয়া অন্যান্য সূত্রের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিগারভের হাতে খুন হওয়া নারীদের অধিকাংশের বয়স ৭০ এর বেশি। যেসব অ্যাপার্টমেন্টে বয়স্ক নারীরা একাকী থাকতেন তিগারভ সেখানে বিদ্যুৎকর্মী, পানির লাইন মেরামতকারী কিংবা অন্যকোনও সেবাকর্মী সেজে প্রবেশ করতো। অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশের পর সে ওই নারীকে ঠেসে ধরতো এবং শ্বাসরোধে হত্যা করতো। হত্যাকাণ্ডের পর তিগারভ কখনও কখনও বিভিন্ন জিনিস চুরি করতো। হাতে সবসময় গ্লাভস পরা এই তরুণ ঘটনাস্থল ছেড়ে যাওয়ার আগে প্রমাণ মুছতে জীবাণুনাশক ব্যবহার করতো।

রাশিয়ার কাজান, সামারা, তলিয়াত্তি, ইঝিভস্ক, ইউফা ও অন্যান্য শহরে এসব হত্যাকাণ্ড চালায় তিগারভ। ২০১৩ সালের পর তিগারভ সম্ভবত আর কোনও হত্যাকাণ্ড ঘটাননি। তবে ২০১৭ সালে আবারও কয়েকটি শহরে বয়স্ক নারী খুন হওয়ার ঘটনা ঘটে। ২০১৯ সালে তিগারভকে আটক করতে ৩০ হাজার পাউন্ড পুরষ্কার ঘোষণা করে রাশিয়ার পুলিশ। সূত্র: ডেইলি মেইল

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার