১০:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ফাইনালের আগেই অপমানজনক হার বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের বাজে এক লজ্জাই পেল বাংলাদেশ।  দেশীয় ওয়ানডে সিরিজে আগের তিন ম্যাচ দুর্দান্ত খেললেও চতুর্থ ম্যাচে এসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অপমানজনকভাবে পরাজয় বরণ করল বাংলাদেশ।  যদিও ফাইনাল আগেই নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা। তবে লঙ্কানদের বিপক্ষে লিগ পদ্ধতির শেষ ম্যাচে ১০ উইকেটে হার মানে টাইগাররা।

হাথুরুসিংহের শিষ্যরা বাংলাদেশের বিপক্ষে এ জয়ের মাধ্যমে ফাইনাল নিশ্চিত করলো। আগামী ২৭ জানুয়ারি শের-ই-বাংলায় ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। ফলে বিদায় নিল সিরিজের আরেক দল জিম্বাবুয়ে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি।

প্রথমে ব্যাট করা বাংলাদেশ ২৪ ওভারে মাত্র ৮২ রানে সবকটি উইকেট হারায় । বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে এটি নবম সর্বনিম্ন স্কোর। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে বিনা উইকেটে ১১.৫ ওভারে জয় তুলে নেয় লঙ্কানরা।

মাত্র ৮৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে আক্রমণাত্মকই খেলে শ্রীলঙ্কান দুই ওপেনার উপুল থারাঙ্গা ও দানুসকা গুনাথিলাকা। ৩৬ বলে চারটি চার ও দুটি ছক্কায় ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন গুনাথিলাকা। আর সমান ৩৬ বলে তিনটি ছক্কায় ৩৪ করে থারাঙ্গা।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করা বাংলাদেশের হয়ে ওপেনিংয়ে তামিম ইকবাল ও এনামুল হক মাঠে নামেন। তবে দলীয় তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে শূন্য রানে ফিরে যান এনামুল। সুরাঙ্গা লাকমালের বলে বোল্ড হন এ ডানহাতি। পঞ্চম ওভারে রান আউটের শিকার হন সাকিব। নন স্ট্রাইকিং প্রান্ত থেকে এক রানের জন্য দৌড়ালে গুনাথিলার থ্রোতে স্ট্যাম ভেঙে যায়। ব্যক্তিগত ৮ রানে বিদায় নেন সাকিব।

একই ওভারের পঞ্চম বলে বিদায় নেন আগের তিন ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করা তামিম। লাকমালের বাউন্স বলে গুনাথিলাকাকে ক্যাচ দেন তিনি। ১৪ বলে ৫ রান আসে তার ব্যাট থেকে। দলীয় ৩৪ রানে মাহমুদউল্লাহ আউট হলে আরও বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। লাকমালের তৃতীয় শিকার হয়ে চামিরাকে ক্যাচ দেন তিনি। ২০ বলে ৭ রান করেন তিনি।
ছবি:শোয়েব মিথুন-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

টিকতে পারলেন না সাব্বির রহমানও। দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছালেও থিসারা পেরেরার বলে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন এ ডানহাতি। দলীয় ৫৭ রানে ব্যক্তিগত ১০ রান করে প্যাভিলিওনে ফেরেনে তিনি। দলীয় ৭১ রানে ফেরেন প্রায় তিন বছর পর ওয়ানডে খেলতে নামা আবুল হাসান। পেরেরার দ্বিতীয় শিকার হয়ে ৭ বলে ৭ রান করে মাঠ ছাড়েন তিনি।

দলের শেষ ভরসা মুশফিক বেশ সময় ধরে হাল ধরেন। তবে মাথা ঠিক রাখতে পারলেন না তিনিও। দলীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান করে চামিরার বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। একই ওভারের (২৩) শেষ বলে ফিরে যান ৩ রান করা নাসির হোসেনও। পরের ওভারে সান্দাকানের বলে বোল্ড হন এক রানে থাকা মাশরাফি। একই ওভারের শেষ বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রুবেল হোসে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সংসদ নির্বাচনে থাকছেন ৫৫ হাজার দেশি ও ৫০০ বিদেশি পর্যবেক্ষক

ফাইনালের আগেই অপমানজনক হার বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ০৩:২০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১৮

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের বাজে এক লজ্জাই পেল বাংলাদেশ।  দেশীয় ওয়ানডে সিরিজে আগের তিন ম্যাচ দুর্দান্ত খেললেও চতুর্থ ম্যাচে এসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অপমানজনকভাবে পরাজয় বরণ করল বাংলাদেশ।  যদিও ফাইনাল আগেই নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা। তবে লঙ্কানদের বিপক্ষে লিগ পদ্ধতির শেষ ম্যাচে ১০ উইকেটে হার মানে টাইগাররা।

হাথুরুসিংহের শিষ্যরা বাংলাদেশের বিপক্ষে এ জয়ের মাধ্যমে ফাইনাল নিশ্চিত করলো। আগামী ২৭ জানুয়ারি শের-ই-বাংলায় ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। ফলে বিদায় নিল সিরিজের আরেক দল জিম্বাবুয়ে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি।

প্রথমে ব্যাট করা বাংলাদেশ ২৪ ওভারে মাত্র ৮২ রানে সবকটি উইকেট হারায় । বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে এটি নবম সর্বনিম্ন স্কোর। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে বিনা উইকেটে ১১.৫ ওভারে জয় তুলে নেয় লঙ্কানরা।

মাত্র ৮৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে আক্রমণাত্মকই খেলে শ্রীলঙ্কান দুই ওপেনার উপুল থারাঙ্গা ও দানুসকা গুনাথিলাকা। ৩৬ বলে চারটি চার ও দুটি ছক্কায় ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন গুনাথিলাকা। আর সমান ৩৬ বলে তিনটি ছক্কায় ৩৪ করে থারাঙ্গা।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করা বাংলাদেশের হয়ে ওপেনিংয়ে তামিম ইকবাল ও এনামুল হক মাঠে নামেন। তবে দলীয় তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে শূন্য রানে ফিরে যান এনামুল। সুরাঙ্গা লাকমালের বলে বোল্ড হন এ ডানহাতি। পঞ্চম ওভারে রান আউটের শিকার হন সাকিব। নন স্ট্রাইকিং প্রান্ত থেকে এক রানের জন্য দৌড়ালে গুনাথিলার থ্রোতে স্ট্যাম ভেঙে যায়। ব্যক্তিগত ৮ রানে বিদায় নেন সাকিব।

একই ওভারের পঞ্চম বলে বিদায় নেন আগের তিন ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করা তামিম। লাকমালের বাউন্স বলে গুনাথিলাকাকে ক্যাচ দেন তিনি। ১৪ বলে ৫ রান আসে তার ব্যাট থেকে। দলীয় ৩৪ রানে মাহমুদউল্লাহ আউট হলে আরও বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। লাকমালের তৃতীয় শিকার হয়ে চামিরাকে ক্যাচ দেন তিনি। ২০ বলে ৭ রান করেন তিনি।
ছবি:শোয়েব মিথুন-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

টিকতে পারলেন না সাব্বির রহমানও। দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছালেও থিসারা পেরেরার বলে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন এ ডানহাতি। দলীয় ৫৭ রানে ব্যক্তিগত ১০ রান করে প্যাভিলিওনে ফেরেনে তিনি। দলীয় ৭১ রানে ফেরেন প্রায় তিন বছর পর ওয়ানডে খেলতে নামা আবুল হাসান। পেরেরার দ্বিতীয় শিকার হয়ে ৭ বলে ৭ রান করে মাঠ ছাড়েন তিনি।

দলের শেষ ভরসা মুশফিক বেশ সময় ধরে হাল ধরেন। তবে মাথা ঠিক রাখতে পারলেন না তিনিও। দলীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান করে চামিরার বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। একই ওভারের (২৩) শেষ বলে ফিরে যান ৩ রান করা নাসির হোসেনও। পরের ওভারে সান্দাকানের বলে বোল্ড হন এক রানে থাকা মাশরাফি। একই ওভারের শেষ বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রুবেল হোসে।