১০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে ৩০ কোটি ডোজ করোনার টিকা

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে জরুরিভিত্তিতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ফাইজার ও জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন।

আগামী বছরের মার্চের মধ্যে ১০ কোটি মার্কিনিকে এ টিকার আওতায় আনতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খবর বিবিসির।

মাইনাস ৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয় বলে ড্রাই আইসে মুড়িয়ে ট্রাকে এবং বিমানে করে স্থানীয় সময় রোববার ভোর থেকে ১৪৫টি কেন্দ্রে করোনার এ টিকা পাঠানো হয়।

এ লক্ষ্যে সব অঙ্গরাজ্যে প্রথম দফায় ৩০ কোটি ডোজ টিকা পাঠানো হচ্ছে। টিকা সরবরাহে নিযুক্ত কর্মকর্তা জেনারেল গুসটেভ পেরনা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, মঙ্গল ও বুধবার আরও ৪৯১টি কেন্দ্রে ফাইজারের এ করোনার টিকা পৌঁছে দেয়া হবে। প্রথম দফায় তিন লাখ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।

ফাইজারের এ করোনার টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর প্রমাণ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) জরুরিভিত্তিতে দেশটিতে অনুমোদন দেয়া হয়।

এমন সময় যুক্তরাষ্ট্রে করোনার টিকাটির অনুমোদন দেয়া হয়, যখন করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চসংখ্যক তিন হাজার ৩০৯ করোনার রোগী মারা গেছেন।

মার্কিন বিশেষজ্ঞরা বৃহস্পতিবার ফাইজার-বায়োএনটেকের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন জরুরি অনুমোদন প্রদানের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন।

ফলে গণটিকাদানের পদক্ষেপের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের পর আমেরিকার পথ সুগম হয়েছে। এমন একসময় এ ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হলো, যখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এ দেশে একদিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিন হাজারেরও অধিক মানুষ প্রাণ হারাল এবং এতে দেশটির মোট মৃত্যু সংখ্যা তিন লাখের মাইলফলকের দিকে এগিয়ে চলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে ৩০ কোটি ডোজ করোনার টিকা

প্রকাশিত : ০২:১৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে জরুরিভিত্তিতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ফাইজার ও জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন।

আগামী বছরের মার্চের মধ্যে ১০ কোটি মার্কিনিকে এ টিকার আওতায় আনতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খবর বিবিসির।

মাইনাস ৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয় বলে ড্রাই আইসে মুড়িয়ে ট্রাকে এবং বিমানে করে স্থানীয় সময় রোববার ভোর থেকে ১৪৫টি কেন্দ্রে করোনার এ টিকা পাঠানো হয়।

এ লক্ষ্যে সব অঙ্গরাজ্যে প্রথম দফায় ৩০ কোটি ডোজ টিকা পাঠানো হচ্ছে। টিকা সরবরাহে নিযুক্ত কর্মকর্তা জেনারেল গুসটেভ পেরনা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, মঙ্গল ও বুধবার আরও ৪৯১টি কেন্দ্রে ফাইজারের এ করোনার টিকা পৌঁছে দেয়া হবে। প্রথম দফায় তিন লাখ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।

ফাইজারের এ করোনার টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর প্রমাণ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) জরুরিভিত্তিতে দেশটিতে অনুমোদন দেয়া হয়।

এমন সময় যুক্তরাষ্ট্রে করোনার টিকাটির অনুমোদন দেয়া হয়, যখন করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চসংখ্যক তিন হাজার ৩০৯ করোনার রোগী মারা গেছেন।

মার্কিন বিশেষজ্ঞরা বৃহস্পতিবার ফাইজার-বায়োএনটেকের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন জরুরি অনুমোদন প্রদানের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন।

ফলে গণটিকাদানের পদক্ষেপের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের পর আমেরিকার পথ সুগম হয়েছে। এমন একসময় এ ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হলো, যখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এ দেশে একদিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিন হাজারেরও অধিক মানুষ প্রাণ হারাল এবং এতে দেশটির মোট মৃত্যু সংখ্যা তিন লাখের মাইলফলকের দিকে এগিয়ে চলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর