০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চেনা বালি’র অচেনা রূপ!

বীপের দেশ ইন্দোনেশিয়া। গোটা দেশজুড়ে রয়েছে ১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ। ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে সুন্দরতম স্থান বালি দ্বীপ। বালির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য, পরিবেশ, এখানকার মন্দির, অধিবাসী, তাদের সংস্কৃতি ও জীবনপদ্ধতি মানুষকে বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। 

কিন্তু সেই নয়নাভিরাম দ্বীপে এখন সারি সারি প্লাস্টিকের বোতল আর ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। দ্বীপের সৈকতগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে ভেসে আসছে লাখ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য। ইতোমধ্যে কুটা, লেজিয়ান ও সেমিনিয়াক সৈকত থেকে প্রায় ৯০ টন বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম সিএনএন ও ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্যা গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন দুটিতে বলা হয়,  শুক্রবার (১ জানুয়ারি) বালির তিনটি সৈকত থেকে প্রায় ৩০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। কিন্তু শনিবারই এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ টনেরও বেশি। এতে সৈকতগুলো পরিষ্কার রাখতে পরিবেশ সংস্থাগুলো হিমশিম খাচ্ছে।

সংস্থাগুলো বলছে, বালি দ্বীপের সৈকতগুলোতে প্রতিবছরই মৌসুমি বৃষ্টিপাত এবং পূর্বমুখী বাতাসে আবর্জনা ভেসে আসে। কিন্তু এবার অনেক বেশি পরিমাণে আসছে। যা অবাক হওয়ার মতো। এজন্য বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিক উৎপাদন বৃদ্ধির কারণকেই দায়ী করছেন তারা।

এদিকে, ইন্দোনেশিয়া সরকারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অদক্ষতাকে দায়ী করে বালির উদয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রধান ড. গেদে হেন্দ্রওয়ান বলেন, ইন্দোনেশিয়ায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যকর হয়নি। বালি ইতোমধ্যে এর পুনর্গঠন শুরু করেছে, জাভা দ্বীপও করছে।

চলতি বছর করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বালিতে বিদেশিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে ইন্দোনেশিয়া সরকার। শুধু দেশি পর্যটকরাই সীমিত সংখ্যায় যেতে পারছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চেনা বালি’র অচেনা রূপ!

প্রকাশিত : ০৭:৩৭:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১

বীপের দেশ ইন্দোনেশিয়া। গোটা দেশজুড়ে রয়েছে ১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ। ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে সুন্দরতম স্থান বালি দ্বীপ। বালির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য, পরিবেশ, এখানকার মন্দির, অধিবাসী, তাদের সংস্কৃতি ও জীবনপদ্ধতি মানুষকে বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। 

কিন্তু সেই নয়নাভিরাম দ্বীপে এখন সারি সারি প্লাস্টিকের বোতল আর ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। দ্বীপের সৈকতগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে ভেসে আসছে লাখ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য। ইতোমধ্যে কুটা, লেজিয়ান ও সেমিনিয়াক সৈকত থেকে প্রায় ৯০ টন বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম সিএনএন ও ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্যা গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন দুটিতে বলা হয়,  শুক্রবার (১ জানুয়ারি) বালির তিনটি সৈকত থেকে প্রায় ৩০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। কিন্তু শনিবারই এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ টনেরও বেশি। এতে সৈকতগুলো পরিষ্কার রাখতে পরিবেশ সংস্থাগুলো হিমশিম খাচ্ছে।

সংস্থাগুলো বলছে, বালি দ্বীপের সৈকতগুলোতে প্রতিবছরই মৌসুমি বৃষ্টিপাত এবং পূর্বমুখী বাতাসে আবর্জনা ভেসে আসে। কিন্তু এবার অনেক বেশি পরিমাণে আসছে। যা অবাক হওয়ার মতো। এজন্য বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিক উৎপাদন বৃদ্ধির কারণকেই দায়ী করছেন তারা।

এদিকে, ইন্দোনেশিয়া সরকারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অদক্ষতাকে দায়ী করে বালির উদয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রধান ড. গেদে হেন্দ্রওয়ান বলেন, ইন্দোনেশিয়ায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যকর হয়নি। বালি ইতোমধ্যে এর পুনর্গঠন শুরু করেছে, জাভা দ্বীপও করছে।

চলতি বছর করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বালিতে বিদেশিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে ইন্দোনেশিয়া সরকার। শুধু দেশি পর্যটকরাই সীমিত সংখ্যায় যেতে পারছেন।