০৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কর্মঘণ্টা নিয়ে বিচারকদের প্রতি সুপ্রিম কোর্টের কঠোর নির্দেশনা

 

নির্ধারিত বিচারিক কর্মঘণ্টায় অধীনস্ত বিচারক এবং ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে আলোচনা পরিহার করে বিচারিক কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে সারাদেশের বিচারিক (নিম্ন) আদালতের বিচারকদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা জারি করেছেন সুপ্রিম কোর্ট।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নির্দেশনার আলোকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবরের স্বাক্ষরে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সার্কুলার প্রকাশ করা হয়। এর আগে, বুধবার (৬ জানুয়ারি) এসব নির্দেশনা দেয়া হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি অত্র কোর্টের গোচরীভূত হয়েছে যে, কোনো কোনো জেলায় জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ এজলাস সময়ে তাদের খাস কামরায় অধীনস্ত বিচারকগণসহ আলোচনারত থাকেন এবং এজলাসে বিলম্বে ওঠেন। এছাড়া কোনো কোনো বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই এজলাস ত্যাগ করেন। ফলে আদালতের বিচারিক কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার হচ্ছে না।

এমতাবস্থায় দেশের অধস্তন আদালতের বিচারকগণকে নির্ধারিত বিচারিক কর্মঘণ্টায় অধীনস্ত বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাথে আলোচনা পরিহার করে বিচারিক কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করার কঠোর নির্দেশ প্রদান করা হল।

প্রশাসনিক বা বিচারিক কোনো বিষয়ে অধীনস্ত বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেটদের সাথে আলোচনার প্রয়োজন হলে নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পরে আলোচনা করা যাবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ও বিচারিক (নিম্ন) আদালতের বিচারকদের কর্মঘণ্টা শুরু হয় সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে। শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৪ টায়।

বিজনেস বাংলাদেশ / শেখ

ট্যাগ :

৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল লেনদেনে ‘রেড অ্যালার্ট’

কর্মঘণ্টা নিয়ে বিচারকদের প্রতি সুপ্রিম কোর্টের কঠোর নির্দেশনা

প্রকাশিত : ০৯:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২১

 

নির্ধারিত বিচারিক কর্মঘণ্টায় অধীনস্ত বিচারক এবং ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে আলোচনা পরিহার করে বিচারিক কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে সারাদেশের বিচারিক (নিম্ন) আদালতের বিচারকদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা জারি করেছেন সুপ্রিম কোর্ট।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নির্দেশনার আলোকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবরের স্বাক্ষরে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সার্কুলার প্রকাশ করা হয়। এর আগে, বুধবার (৬ জানুয়ারি) এসব নির্দেশনা দেয়া হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি অত্র কোর্টের গোচরীভূত হয়েছে যে, কোনো কোনো জেলায় জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ এজলাস সময়ে তাদের খাস কামরায় অধীনস্ত বিচারকগণসহ আলোচনারত থাকেন এবং এজলাসে বিলম্বে ওঠেন। এছাড়া কোনো কোনো বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই এজলাস ত্যাগ করেন। ফলে আদালতের বিচারিক কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার হচ্ছে না।

এমতাবস্থায় দেশের অধস্তন আদালতের বিচারকগণকে নির্ধারিত বিচারিক কর্মঘণ্টায় অধীনস্ত বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাথে আলোচনা পরিহার করে বিচারিক কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করার কঠোর নির্দেশ প্রদান করা হল।

প্রশাসনিক বা বিচারিক কোনো বিষয়ে অধীনস্ত বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেটদের সাথে আলোচনার প্রয়োজন হলে নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পরে আলোচনা করা যাবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ও বিচারিক (নিম্ন) আদালতের বিচারকদের কর্মঘণ্টা শুরু হয় সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে। শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৪ টায়।

বিজনেস বাংলাদেশ / শেখ