০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পারস্য উপকূলে ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহর উন্মোচন করলো ইরান!

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরআইজির প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি পারস্য উপসাগরের উপকূলে একটি ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহর উন্মোচন করেছেন। এ সময় আইআরজিসি’র নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরিসহ উচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার সামরিক ঘাঁটির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি বলেন, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, দেশের স্বাধীনতা এবং ইসলামী বিপ্লবের সাফল্যকে ধরে রাখাই আমাদের সামরিক কর্মসূচির উদ্দেশ্য। আমরা বিশ্বাস করি যে, আমাদের শত্রুরা যুক্তির চেয়ে শক্তির ভাষাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। তাই তাদের আধিপত্যবাদী চক্রান্তের বিরুদ্ধে আমাদের আক্রমণাত্মক এবং প্রতিরক্ষামূলক সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

হোসেইন সালামি জানান, আইআরজিসি বেশ কয়েকটি কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা নির্মাণ করেছে। সেখানে মজুদ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা কয়েকশ’ কিলোমিটার এবং সেগুলোর সুনির্দিষ্ট স্থানে আঘাত হানতে পারে।

এর আগে বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছিল, উপসাগরীয় উপকূলে প্রায় দুই হাজার ২০০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শহর অবস্থিত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে চারটিতে ধানের শীষ এবং একটিতে শাপলা কলি বিজয়ী

পারস্য উপকূলে ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহর উন্মোচন করলো ইরান!

প্রকাশিত : ০৭:৫৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২১

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরআইজির প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি পারস্য উপসাগরের উপকূলে একটি ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহর উন্মোচন করেছেন। এ সময় আইআরজিসি’র নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরিসহ উচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার সামরিক ঘাঁটির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি বলেন, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, দেশের স্বাধীনতা এবং ইসলামী বিপ্লবের সাফল্যকে ধরে রাখাই আমাদের সামরিক কর্মসূচির উদ্দেশ্য। আমরা বিশ্বাস করি যে, আমাদের শত্রুরা যুক্তির চেয়ে শক্তির ভাষাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। তাই তাদের আধিপত্যবাদী চক্রান্তের বিরুদ্ধে আমাদের আক্রমণাত্মক এবং প্রতিরক্ষামূলক সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

হোসেইন সালামি জানান, আইআরজিসি বেশ কয়েকটি কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা নির্মাণ করেছে। সেখানে মজুদ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা কয়েকশ’ কিলোমিটার এবং সেগুলোর সুনির্দিষ্ট স্থানে আঘাত হানতে পারে।

এর আগে বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছিল, উপসাগরীয় উপকূলে প্রায় দুই হাজার ২০০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শহর অবস্থিত।