০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়ছে

জনজীবন ও অর্থনীতিতে করোনা মহামারির প্রভাব মোকাবেলায় দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। এই প্যাকেজে বাড়ানো হবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা। বিশেষ করে ২শ উপজেলার সব বয়স্ক মানুষ ও বিধবা নারীকে আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার। প্রায় ১৫ লাখ অতি দরিদ্রকে এ প্যাকেজের আওতায় সুবিধা দেয়া হবে যারা পূর্বে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ে ছিলেন না। এই প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তার পাশাপাশি করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ঘোষণা থাকবে দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজে। এই প্যাকেজের আকার হতে পারে ১০ হাজার কোটি টাকার বড়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছরের এপ্রিলে যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন তার আকার ছিল ১ লাখ ২১ হজার কোটি টাকা।

দ্বিতীয় প্যাকেজে এবার এসএমইর সঙ্গে যুক্ত করা হবে অতি ক্ষুদ্র খাতকেও। কোনো ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে নতুন তহবিলের অর্থ বিতরণ করা হবে না। মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ), মাইক্রো ফাইন্যান্স ইনস্টিটিউট (এমএফআই) ও বিসিকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থা বিতরণ করবে।

কোভিড-১৯ এ যখন পুরো পৃথিবী বিপর্যস্ত ঠিক সেসময় দেশের দরিদ্র ও অসহায় জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে সরকার ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ১শটি উপজেলায় শতভাগ বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন। এই তিনটি ভাতায় নতুন করে উপকাভোগী যুক্ত হয়েছে ১১ লাখের বেশি। এবারের দ্বিতীয় ঘোষণায় যুক্ত হচ্ছে নতুন ২শ উপজেলার ১৫ লাখ মানুষ।

বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ১৪৫টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ১৪৫টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন মানে হলো ১৪৫ শ্রেণির মানুষ এ খাত থেকে উপকৃত হচ্ছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির প্রধান ৯টি খাত হলো: কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন, খোলাবাজারে খাদ্য শস্য বিক্রয় (ওএমএস), কাজের বিনিময়ে খাদ্য/টাকা, টেস্ট রিলিফ, ভিজিএফ, অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচি, শিক্ষাবৃত্তি, উপবৃত্তি, বয়স্কভাতা ও ভিজিডি। এ ৯টি খাতে সরকারের ব্যয় হয় বরাদ্দের প্রায় ৭০ শতাংশ। আর সুবিধাভোগীর ৭০ শতাংশ হলো খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয়, ভিজিএফ, জিআর, উপবৃত্তি ও অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসূচি-এ ৫টি খাতে।

বর্তমানে দেশে প্রায় ৮৫ লাখ লোক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা পান। এই কর্মসূচির আওতায় সরকার বিধবা ভাতা, দরিদ্র নারীদের মাতৃত্বকালীন ভাতা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসা ভাতা ইত্যাদি দিয়ে থাকে। এ ছাড়া টেস্ট রিলিফ, ভালনারেবল গ্রপ ফিডিং (ভিজিডি), কাজের বিনিময়ে টাকাসহ (কাবিটা) বিভিন্ন কর্মসূচিও আছে। গত ১০ বছরে সামাজিক সুরক্ষায় সরকার খরচ বাড়িয়েছে প্রায় তিন গুণ। প্রতিবছরই সুবিধাভোগীর সংখ্যা ও ভাতা বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে অর্থমন্ত্রণলায় সূত্র জানিয়েছে, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে সিএমএসএমই খাতকে। কারণ প্রথম প্যাকেজে এই খাতের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা দেয়া হয়। কিন্তু ব্যাংকগুলো প্যাকেজের অর্থ খুব বেশি বিতরণ করতে পারেনি। ফলে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রথম প্যাকেজ থেকে সুবিধা নিতে পেরেছে কম। এজন্য অর্থ বিতরণ কৌশল পরিবর্তন করে সিএমএসএমই খাতের জন্য পৃথক তহবিল ঘোষণা দেয়া হবে। এটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। খুব শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রথম প্যাকেজে ২০ হাজার কোটি টাকা সিএমএসএমই খাতের জন্য বরাদ্দ ছিল। তবে ডিসেম্বর পর্যন্ত এ প্যাকেজের ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়। এরই মধ্যে চলে আসে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা। এ ধাক্কা সামাল দেয়ার জন্য সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রান্তিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রথম প্যাকেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ক্ষেত্রে অতি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি খাত মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। এজন্য দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন অতি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। তাদের জন্য নতুন একটি তহবিল গঠন করা হচ্ছে। এর অর্থায়ন বাংলাদেশ ব্যাংক বা অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে করা হবে। তহবিলের অর্থ প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংক দশমিক ৫০ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান আবার আড়াই শতাংশ সুদে সেটি বিতরণ করবে ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা (এমএফআই) ও অন্যান্য ঋণ সংস্থার কাছে। এসব সংস্থা ওই তহিবলের অর্থ গ্রাহককে ৯ শতাংশ সুদে এ ঋণ দেয়া হবে। তবে তহবিলের মেয়াদ হবে ৫ বছর।

এছাড়া তহবিল থেকে ৪০ শতাংশ ঋণ দেয়া হবে ট্রেডিং খাতে এবং ৬০ শতাংশ উৎপাদন ও সেবামুখী অতি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের। এ তহবিল থেকে একক বা গ্রুপ পর্যায়ে ঋণ নেয়া যাবে। এখান থেকে কুঠির শিল্পোদ্যোক্তা পর্যায়ে পাবেন সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা, ছোট উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা এবং মাঝারিসহ অন্য উদ্যোক্তারা পাবেন সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা। ঋণ পাওয়ার অগ্রাধিকার তালিকায় থাকবেন যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অধিদফতর, বিসিকসহ সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, বিদেশ বা শহরে ফেরত আসা উদ্যোক্তারা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

আশুগঞ্জে পৃথক অভিযানে ৪ মাদক কারবারি আটক

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়ছে

প্রকাশিত : ০৪:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ জানুয়ারী ২০২১

জনজীবন ও অর্থনীতিতে করোনা মহামারির প্রভাব মোকাবেলায় দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। এই প্যাকেজে বাড়ানো হবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা। বিশেষ করে ২শ উপজেলার সব বয়স্ক মানুষ ও বিধবা নারীকে আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার। প্রায় ১৫ লাখ অতি দরিদ্রকে এ প্যাকেজের আওতায় সুবিধা দেয়া হবে যারা পূর্বে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ে ছিলেন না। এই প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তার পাশাপাশি করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ঘোষণা থাকবে দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজে। এই প্যাকেজের আকার হতে পারে ১০ হাজার কোটি টাকার বড়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছরের এপ্রিলে যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন তার আকার ছিল ১ লাখ ২১ হজার কোটি টাকা।

দ্বিতীয় প্যাকেজে এবার এসএমইর সঙ্গে যুক্ত করা হবে অতি ক্ষুদ্র খাতকেও। কোনো ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে নতুন তহবিলের অর্থ বিতরণ করা হবে না। মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ), মাইক্রো ফাইন্যান্স ইনস্টিটিউট (এমএফআই) ও বিসিকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থা বিতরণ করবে।

কোভিড-১৯ এ যখন পুরো পৃথিবী বিপর্যস্ত ঠিক সেসময় দেশের দরিদ্র ও অসহায় জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে সরকার ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ১শটি উপজেলায় শতভাগ বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন। এই তিনটি ভাতায় নতুন করে উপকাভোগী যুক্ত হয়েছে ১১ লাখের বেশি। এবারের দ্বিতীয় ঘোষণায় যুক্ত হচ্ছে নতুন ২শ উপজেলার ১৫ লাখ মানুষ।

বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ১৪৫টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ১৪৫টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন মানে হলো ১৪৫ শ্রেণির মানুষ এ খাত থেকে উপকৃত হচ্ছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির প্রধান ৯টি খাত হলো: কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন, খোলাবাজারে খাদ্য শস্য বিক্রয় (ওএমএস), কাজের বিনিময়ে খাদ্য/টাকা, টেস্ট রিলিফ, ভিজিএফ, অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচি, শিক্ষাবৃত্তি, উপবৃত্তি, বয়স্কভাতা ও ভিজিডি। এ ৯টি খাতে সরকারের ব্যয় হয় বরাদ্দের প্রায় ৭০ শতাংশ। আর সুবিধাভোগীর ৭০ শতাংশ হলো খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয়, ভিজিএফ, জিআর, উপবৃত্তি ও অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসূচি-এ ৫টি খাতে।

বর্তমানে দেশে প্রায় ৮৫ লাখ লোক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা পান। এই কর্মসূচির আওতায় সরকার বিধবা ভাতা, দরিদ্র নারীদের মাতৃত্বকালীন ভাতা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসা ভাতা ইত্যাদি দিয়ে থাকে। এ ছাড়া টেস্ট রিলিফ, ভালনারেবল গ্রপ ফিডিং (ভিজিডি), কাজের বিনিময়ে টাকাসহ (কাবিটা) বিভিন্ন কর্মসূচিও আছে। গত ১০ বছরে সামাজিক সুরক্ষায় সরকার খরচ বাড়িয়েছে প্রায় তিন গুণ। প্রতিবছরই সুবিধাভোগীর সংখ্যা ও ভাতা বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে অর্থমন্ত্রণলায় সূত্র জানিয়েছে, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে সিএমএসএমই খাতকে। কারণ প্রথম প্যাকেজে এই খাতের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা দেয়া হয়। কিন্তু ব্যাংকগুলো প্যাকেজের অর্থ খুব বেশি বিতরণ করতে পারেনি। ফলে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রথম প্যাকেজ থেকে সুবিধা নিতে পেরেছে কম। এজন্য অর্থ বিতরণ কৌশল পরিবর্তন করে সিএমএসএমই খাতের জন্য পৃথক তহবিল ঘোষণা দেয়া হবে। এটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। খুব শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রথম প্যাকেজে ২০ হাজার কোটি টাকা সিএমএসএমই খাতের জন্য বরাদ্দ ছিল। তবে ডিসেম্বর পর্যন্ত এ প্যাকেজের ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়। এরই মধ্যে চলে আসে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা। এ ধাক্কা সামাল দেয়ার জন্য সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রান্তিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রথম প্যাকেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ক্ষেত্রে অতি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি খাত মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। এজন্য দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন অতি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। তাদের জন্য নতুন একটি তহবিল গঠন করা হচ্ছে। এর অর্থায়ন বাংলাদেশ ব্যাংক বা অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে করা হবে। তহবিলের অর্থ প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংক দশমিক ৫০ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান আবার আড়াই শতাংশ সুদে সেটি বিতরণ করবে ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা (এমএফআই) ও অন্যান্য ঋণ সংস্থার কাছে। এসব সংস্থা ওই তহিবলের অর্থ গ্রাহককে ৯ শতাংশ সুদে এ ঋণ দেয়া হবে। তবে তহবিলের মেয়াদ হবে ৫ বছর।

এছাড়া তহবিল থেকে ৪০ শতাংশ ঋণ দেয়া হবে ট্রেডিং খাতে এবং ৬০ শতাংশ উৎপাদন ও সেবামুখী অতি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের। এ তহবিল থেকে একক বা গ্রুপ পর্যায়ে ঋণ নেয়া যাবে। এখান থেকে কুঠির শিল্পোদ্যোক্তা পর্যায়ে পাবেন সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা, ছোট উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা এবং মাঝারিসহ অন্য উদ্যোক্তারা পাবেন সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা। ঋণ পাওয়ার অগ্রাধিকার তালিকায় থাকবেন যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অধিদফতর, বিসিকসহ সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, বিদেশ বা শহরে ফেরত আসা উদ্যোক্তারা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর